4 Answers

ডাল প্রোটিনপ্রধান খাদ্য। এতে প্রোটিনের পরিমাণ শতকরা ২০ থেকে ২৫ ভাগ এবং অত্যধিক লাইসিন থাকায় ও দামে সস্তা হওয়ায় ডালকে প্রায়শই গরিবের আমিষ বলা হয়। প্রোটিন ছাড়াও ডালে পর্যাপ্ত শর্করা, চর্বি ও খনিজ থাকে। এতে গমের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ও চালের তুলনায় প্রায় তিন গুণ প্রোটিন আছে। ডালের উপকারীতা : ডাল আমিষের চাহিদা মেটায়, শরীরের চর্বি কমাতে সাহায্য করে। ওজন কমাতে সাহায্য করে।

3953 views Answered

উদ্ভিজ্জ আমিষের অন্যতম উত্‍স হলো ডাল। গমের দ্বিগুণ এবং মেশিনে ছাঁটা চালের প্রায় চার গুণ বেশি আমিষ ডালে থাকে। যেকোনো ধরনের এক ছটাক ডালে যে পরিমাণ আমিষ থাকে তা এক ছটাক মাংসের আমিষের সমান, এক ছটাক ডিমের আমিষের দ্বিগুণ এবং এক ছটাক দুধের আমিষের প্রায় সাত গুণ! অনেকেই বদহজমের ভয়ে বেশি ডাল খেতে চান না। কিন্তু যদি ভালো ভাবে রান্না করা যায় তাহলে ডালের আমিষের একটা বিরাট অংশ (প্রায় ৯৯%) শরীরের কাজে লাগে।

3953 views Answered

ডাল শুধু সুস্বাদুই নয় এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ। যেমন, খনিজ পদার্থ, আঁশ, খাদ্যশক্তি, আমিষ, ক্যালসিয়াম, লৌহ, ক্যারোটিন, ভিটামিন বি-২ ও শর্করা ইত্যাদি। এটা হজমে সাহায্য করে,ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ কমায়,হার্ট ভালো রাখে।

3953 views Answered

ডাল খেলে আমাদের শরীরে প্রচুর শক্তি যোগায়। ডালে প্রচুর ক্যালরি পাওয়া যায়। প্রতি ১00 গ্রাম মসুর ডালের পুষ্টিগুণ এমন - জলীয় অংশ ১২.৪ গ্রাম খনিজ পদার্থ ২.১ গ্রাম আঁশ ০.৭ গ্রাম খাদ্যশক্তি ৩৪৩ কিলোক্যালরি আমিষ ২৫.১ গ্রাম চর্বি ০.৭ গ্রাম ক্যালসিয়াম ৬৯ মিলিগ্রাম লৌহ ৪.৮ মিলিগ্রাম ক্যারোটিন ২৭০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন বি-২ ০.৪৯ মিলিগ্রাম শর্করা ৫৯.০ গ্রাম সাধারণভাবে মসুর ডাল রান্না করে খাওয়ার পাশাপাশি এটা দিয়ে তৈরি করা হয় নানা রকমের পুষ্টিকর ও মুখরোচক খাবার। যেমন - ডালের চচ্চড়ি, ডালনা, নিরামিষ, পিঁয়াজু, ডালপুরি, ডালের স্যুপ, আম ডাল, পুঁই ডাল ইত্যাদি। মসুর ডাল প্রোটিনের আধার বলে একে মাংসের বিকল্প হিসেবেও ধরা হয়।

3953 views Answered

Related Questions

Next steps