6 Answers
শরীর ক্লান্ত হলে ঘুম ধরবেই।আপনি একটা কাজ করতে পারেন যখনি ঘুম ধরবে আপনি একটু চা খেতে পারেন এতে ঘুমটা একটু কমবে।
পড়তে বসার সময় আমাদের শরীর কিছুটা ছেড়ে দেয় বা রিল্যাক্সড থাকে বলতে পারেন। তাছাড়া বইয়ের পাতার উপর চোখ বুলানো এবং দেহের অন্য অংশগুলোর তেমন কোন নড়াচড়া না থাকাটা একটা ঘুমের পূর্ব অবস্থার সৃষ্টি করে। পড়াশোনা একটা মেন্টাল ওয়ার্ক যেটা মস্তিষ্কের উপর প্রভাব ফেলে। এমনিতে আগ্রহ নিয়ে কিছু পড়তে থাকলে ভিন্ন কথা। আসলে বেশিরভাগেরই আগ্রহ থাকে না পড়ায়। ফলে মানসিক চাপটা বাড়ে যেটা ঘুমের বা বিশ্রামের দিকে নিয়ে যায়। আগ্রহ তৈরী করতে পারলে দেখবেন ভালো ঘুমাতে পারছেন। প্রতিকার : যখন ঘুম আসবে তখন মুখ ভালো করে পানি দিয়ে ধৌত করবেন, এছাড়া চা পান করবেন তাহলে ঘুম চলে যাবে।
পড়াশুনায় বসলে ঘুম পেলে আপনি চোখমুখে একটু পানির ঝাঁটাক দিতে পারেন। আর মন দিয়ে পড়াশুনা করলে ঘুম পাবে না।
পড়তে বসে ঘুম এলে চোখে পানির ঝাপটা দিতে পারেন। এতে কাজ না হলে চা খেতে পারেন। যদি এতেও কাজ না হয়, তাহলে নিজের জন্যে শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারেন। নিজেই নিজের দুগালে এমনভাবে চড় মারুন-যাতে অনেকক্ষণ জ্বলে। আর ভাবুন যে, চড়টা নিজেকে মারছেন না, মারছেন খুচরা শয়তানকে, যে ঘুমের অজুহাতে আপনাকে পড়া থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চাইছে। আসল ব্যাপার হচ্ছে নিজের দৃঢ় ইচ্ছা, যেভাবেই হোক আমাকে আমার পড়া শেষ করতে হবে আমার রুটিন অনুযায়ী। আর এই রুটিনটাকে যখন নিজের জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন, তখন দেখবেন নির্দিষ্ট সময়ের আগে চাইলেও আপনি ঘুমাতে পারছেন না। কারণ ছাত্রজীবনে অধ্যবসায়ী হওয়ার পথে একটা বড় বাধাই হলো অতি ঘুম। ঘুমকে যদি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন দেখবেন কাজ করার জন্যে সারাদিনে অনেকটা সময় আপনি পেয়ে যাচ্ছেন।
আপনি যদি সারাদিন বেশী কাজ করে থাকেন তাহলে রাতে ঘুম আসবেই| আপনি যদি দুপুরে ফ্রী থাকেন তাহলে দুপুরে রেষ্ট নিতে বা একটু ঘুমাতে পারেন|
আমাদের শরীরের মত আমাদের মস্তিষ্কও অনেক ক্লান্ত হয়ে যায়। এজন্য মস্তিষ্কেরও বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। আপনি যখন অনেক পড়াশোনা করেন তখনও মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয় ফলে ঘুম আসে। আপনাকে একটা নিয়মের মাঝে আসতে হবে। দিন ও রাতের সময়কে ভাগ করে নিতে হবে। ঘুমের সময়ে কোনো ধরনের দুশ্চিন্তা ছাড়াই ঘুমাবেন এবং পড়ার সময়ে পড়বেন। পড়ার সময়ে অতিরিক্ত ঘুম পেলে উঠে একটু হাঁটাহাঁটি করুন, পানি খান, কফি বা চা পান করুন। সম্ভব হলে চোখে মুখে পানি দিয়ে আসুন। আর পড়ায় মনোযোগ আনতে না পারলে ২০ মিনিট মেডিটেশন করে নিন। সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।