পিপড়া তড়াবার উপায়?
3 Answers
ভিনেগার সমপরিমাণ পানি এবং ভিনেগার মিশিয়ে নিন। যেসব স্থানে পিঁপড়া বেশি আক্রমণ করে সেখানে স্প্রে করুন। খেয়াল রাখবেন, কোন জায়গা যেন বাদ না যায়। ভিনেগার পিঁপড়া তাড়ানোর উপায় হিসেবে যথেষ্ট কার্যকর। মিন্ট মিন্ট জাতীয় কোন গন্ধ পিঁপড়া সহ্য করতে পারেনা। তাই পিঁপড়া তাড়ানোর উপায় হিসেবে মিন্ট উৎকৃষ্ট। কয়েকটি মিন্ট টি ব্যাগ ব্যবহার করার পর পিঁপড়ার স্থানে রেখে দিলে পিঁপড়া অনেকাংশে কমে আসে। লবণ গরম পানিতে লবন মিশান; পিঁপড়ার স্থানে স্প্রে করুন। গরম লবন পানি একটি কার্যকর পিঁপড়া তাড়ানোর উপায়। লেবু লেবুর রস পানিতে মিশিয়ে ঘরে ছিটিয়ে দিলে পিঁপড়া চলে যায়। পিঁপড়া লেবুর গন্ধ সহ্য করতে পারে না। শসা পিঁপড়া সব কিছু খেলেও শসা খায় না। যেখানে পিপড়ার উৎপাত বেশি সেখানে শসা কেটে রাখুন। শসা একটি বহুল পরিচিত পিঁপড়া তাড়ানোর উপায়
প্রতিরোধের প্রথম প্রচেষ্টা হল দেখামাত্র যেকোনো অনধিকার প্রবেশকারীকে মেরে ফেলুন। এগুলিকে পিষে মেরে ফেলুন, হাত দিয়েই! ঠিক আছে, আমরা খাবার আগে হাত ধুয়ে নিব। আশেপাশে বিশেষ করে রান্নাঘরের বিভিন্ন আসবাবের চারিদিকে ‘ঘরে তৈরি প্রাকৃতিক কীটনাশক’ স্প্রে করা যেতে পারে । রান্না ঘরে পিঁপড়া তাড়ানোর জন্য আমরা বিষ ব্যবহার করতে পারি না (অবশ্য পিঁপড়া এবং earwig গুলি ব্যাপক ভাবে ছেয়ে গেলে ভিন্ন কথা)। কল্পনা করতে পারেন যে ঘর জুড়ে ধোয়া কাপড়চোপড় বা টাওয়েলের মধ্যে লুকিয়ে থাকা পিঁপড়া এবং earwig গুলি ভিজিয়ে দেয়ার ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে মারা যাবে। এ সকল ঘরে তৈরি কীটনাশক সাবান তৈরি করা বেশ সহজ কাজ। ১ টেবিল চামচ বাসন ধোয়ার সাবান (ডিটারজেন্ট নয়) ১ টেবিল চামচ রান্নার তেল (আমরা নির্ভেজাল অলিভ অয়েল ব্যবহার করব) সোয়া লিটার পানি উপরোক্ত উপাদান গুলি একটি স্প্রে বোতলে নিয়ে মিশিয়ে নিন। নরমদেহী পোকা যেগুলি ঘরে এবং বাগানে বিচরণ করে, যেমন পিঁপড়া, earwig, ছিট পোকা, উইপোকা, mealy bugs ইত্যাদি গুলির উপর এটি স্প্রে করুন। এছাড়াও আপনার বাড়ির যে স্থান দিয়ে পিঁপড়া প্রবেশ করে সেখানে স্প্রে করে একটি বাধা দেয়ার লাইন তৈরি করতে পারেন। কেবল মাত্র শুকিয়ে গেলে এটি অকার্যকর হয়ে পরতে পারে, তাই প্রতিরোধ চাইলে দিনব্যাপি মাঝে মাঝে স্প্রে করে যেতে হবে অথবা নীচে দেয়া অন্যান্য কৌশল অবলম্বন করতে হবে। তবে পোকার আক্রমণের বিরুদ্ধে এটিকে প্রথম পদক্ষেপ বলা যায়। পোকা নিয়ন্ত্রণের জন্য অন্যান্য কিছু প্রাকৃতিক কীটনাশকঃ · নীচের জিনিষ দিয়ে লাইন তৈরি করলে তা পিঁপড়া অতিক্রম করতে পারে নাঃ o দারুচিনি o মরিচের গুঁড়া o ঝাল লাল মরিচ o চক (পাঠক হয়ত এ মন্তব্য করবেন এটি কাজ করবে না) o বেবি পাউডার o কালো মরিচ · পানি বিহীন ভিনেগার দিয়ে পিঁপড়া গুলিকে ভিজিয়ে দিন। · তাক এবং ড্রয়ারে ল্যাভেন্ডার এবং মিন্ট রাখতে পারেন। তেজ পাতা রাখলে মথ এবং অন্য পোকা দূর হবে। এটা বেশ সহজ লভ্য। · অ্যামাজনে পাওয়া যায় এমন food grade diatomaceous earth ঘরের বাহিরে বা ভিতরে একটা লাইন হিসাবে ছড়িয়ে দিতে পারেন যা পিঁপড়া সহজে অতিক্রম করতে পারবে না। আমার দেখা ‘সংস্পর্শে আসলে মারা যাবে’ এমন সর্বাধিক কার্যকরী পিঁপড়া মারার বস্তু হল ঘরে তৈরি কীটনাশক সাবান। দীর্ঘমেয়াদে পিঁপড়া থেকে মুক্তি পাওয়াঃ প্রাকৃতিক পিঁপড়ার বিষ প্রাথমিক ভাবে প্রয়োগকৃত স্প্রে যদি আপনাকে পিঁপড়া থেকে মুক্তি না দেয় তবে আপনার বিষাক্ত কিছু প্রয়োগ করতে হতে পারে যা তারা তাদের আবাসে সাথীদের জন্য নিয়ে যেতে পারে। একটি ঘরে তৈরি প্রাকৃতিক ভাবে পিঁপড়ার বিষ ফাঁদ তৈরি করুন যা পিঁপড়াদের জন্য বিষাক্ত কিন্তু আপনার পরিবারের জন্য তা বিষাক্ত হবে না। · একটি ইনডেক্স কার্ড কেটে অর্ধেক করুন। · ১:১ অনুপাতে কর্ণ সিরাপ (বা যে কোনও আঠালো মিষ্টি জাতীয় তরল) এবং বোরাক্স মিশিয়ে নিন। · একটি চামচ বা আঙ্গুল দিয়ে কার্ডের উপর তা মেখে দিন। · কার্ডটি এমন জায়গায় রাখুন যেখানে আপনি মনে করেন রাখলে পিঁপড়ারা তা খুঁজে পাবে, এমনকি কার্পেটের উপরও রাখতে পারেন। এছাড়াও আপনি নীচের ছবির মত দারুচিনির একটি প্রতিরক্ষা লাইনও তৈরি করতে পারেন। এই দারুচিনির লাইনটি দিয়ে এদেরকে প্রায় ১২ ঘণ্টা যাবত ঠেকিয়ে রাখতে পারবেন... এবং এর পর তারা যে কোনও ভাবে হোক এর মধ্যে একটি ফাঁক খুঁজে নেবে। আমি মিথ্যা বলছি না। এসকল চিনি প্রিয় পিঁপড়া, ধূর্ত ক্ষুদ্র পোকা। আমরা ভিনেগার স্প্রে দিয়ে শুরু করেছিলাম, কিন্তু এটা হয়ত ঠিক যথেষ্ট ছিল না। আপনি যদি কার্পেটের উপর পিঁপড়া আছে দেখতে পান, তবে আমরা জোরালো ভাবে সুপারিশ করব ভ্যাকুয়াম পদ্ধতি ব্যবহার করুন। ভ্যাকুয়াম ব্যবহার করে এদের টেনে নিন এবং এর সাথে কিছু দারুচিনি ছড়িয়ে দিয়ে এদের পাগল করে দিন। এর পর নিশ্চিন্ত হওয়ার জন্য একটু দূরে নিয়ে ভ্যাকুয়াম থেকে এদের বের করে ফেলে দিয়ে আসুন। ভ্যাকুয়ামের মাধ্যমে বেশীরভাগ পিঁপড়া থেকে মুক্তির পরে বাকি গুলি দূর করার জন্য দারুচিনি ব্যবহার করা যেতে পারে। ভ্যাকুয়াম ব্যবহার করে এদের নিশ্চিহ্ন করার পরে আপনি মাঝে মাঝে স্প্রে না করে থাকবেন না। এটাই আসল সমস্যা। এটি করবেন না। দারুচিনি দিয়ে তৈরি লাইন এবং ঘরে তৈরি কীটনাশক একত্রে ব্যবহারের মাধ্যমে সকল পিঁপড়া থেকে তিন দিনের মধ্যে আপনি মুক্তি পেতে পারেন। আপনাকে প্রকৃতপক্ষেই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার চর্চা করতে হবে এবং পিঁপড়া যখন খেতে থাকবে তখন তাদের মারবেন না। আপনার প্রয়োজন হল এটা যে পিঁপড়ারা তাদের বাসাতে বিষ বহন করে নিয়ে যাবে এবং সম্পূর্ণ রূপে সবংশে মারা যাবে। এটা লক্ষ্য রাখবেন যে ব্যবহৃত তরল মিষ্টি বস্তুটি এক বা দুই দিনের মধ্যে শুকিয়ে যাবে, সুতরাং পিঁপড়ারা যখন তা খাওয়া বন্ধ করবে তখন নতুন ভাবে মিষ্টি বিষ বদলে দিয়ে এটা নিশ্চিত হন যে তারা আসলেই চলে গেছে।
যে খানে পিঁপড়া হইছে। সে খানে আপনি কেরোসিন তেল দিয়ে রাখবেন তাহলে দেখবেন আর পিঁপড়া থাকবে না।