মাঝে মধ্যে প্রস্রাবে খুব জ্বালা যন্ত্রনা করে কি করবো?
3 Answers
মূত্রনালীতে গনোকক্কাস নামক রোগের জীবানু প্রবেশ করে এই জাতীয় রোগের সৃষ্টি করতে পারে। তবে এটি অন্য ধরনের ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস দ্বারাও ঘটতে পারে। আবার কখনো কখনো কোনো প্রকার সংক্রমণ ছাড়াও ঘটতে পারে যেমন - মূত্রনালীতে আঘাত পেলে বা কোনো প্রকার অপারেশন হলে প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে। গনোরিয়া, সিফিলিস ইত্যাদি রোগের কারণে এটি দেখা দিতে পারে। গনোরিয়া এক ধরনের যৌনবাহিত সংক্রমণ যা মূত্রনালীর প্রদাহ ঘটাতে পারে। গনোরিয়া ছাড়া অন্য যেকোনো কারণে মূত্রনালীর প্রদাহ হলে তাকে নন-গনোকক্কাল ইউরেথ্রাইটিস বলে। এটার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ক্লামাইডিয়া নামক ব্যাকটেরিয়া। এটা এক ধরনের যৌনবাহিত সংক্রমণ। কোনো কোনো পুরুষের একই সময়ে গনোরিয়ার জীবাণু এবং অন্য জীবাণু দ্বারা মূত্রনালীর প্রদাহ হতে পারে। যদি কারো মূত্রনালী পথে রস নিঃসরণ হয়, তাহলে হয়ত যৌনবাহিত রোগের সংক্রমণ রয়েছে মনে করতে হবে যা অন্যের মধ্যেও ছড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তার দেখানো উচিত, এমনকি উপসর্গ চলে গেলেও।
প্রসাবের যন্ত্রনা হয় ইউরিন বা প্রসাবের
সংক্রমণ থেকে। প্রসাবে কোন রকম
সংক্রমণ, ব্যষ্টিরিয়ার আক্রমণ, প্রসাবের
রাস্তা ক্ষত ইত্যাদি কারনে প্রসাবে জালা হতে
পারে।
অনেকের প্রদাহ, সিফিলিস, যৌন রোগে
আক্রান্ত হলেও জালা অনুভব হয়।
তাই একজন ইউরোলোজিস্ট বিভাগের
ডাক্তার প্রসাব পরীক্ষার মাধ্যমে নির্নয়
করতে পারবে।
রোগ চিন্হিত করলে অল্প ঔষধেই সেরে যাবে।
বিভাগঃইউরোলোজিস্ট