আমি পড়তে বসলে । আমি ঠিকভাবে পড়তে পারিনা । পড়ালেখায় মন বসাতে পারিনা ।এবং কোন পড়া কিংবা কবিতা মনে রাখতে পারিনা । আমি কিভাবে আমার পড়া লেখায় মনদিব । কি করলে আমার সবকিছু মনে থাকবে ?
2958 views

7 Answers

নিয়মিত মেডিটেশন করতে হবে। সেই সাথে আপনাকে প্রয়োগ করতে হবে মনোযোগ বাড়ানোর কিছু সহজ কৌশল। মনোযোগের একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আগ্রহ। পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী। দুনম্বর হলো, বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন। এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে ১ ঘন্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন। পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন। আরেকটা কাজ করবেন- একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন। কিন্তু এ বিরতির সময় টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যা হয়তো ৫ মিনিটের নামে দুঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে। মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে। টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব নির্দিষ্ট মাত্রায় থাকা উচিত। পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন। আর সবশেষে, যদি টার্গেটমতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারেন, তাহলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, তা যত ছোটই হোক।

2958 views

আপনি যোগব্যায়ামের আশ্রয় গ্রহণ করতে পারেন। পড়তে বসার আগে কিছুক্ষণ মেডিটেশনে বসুন। মনোযোগ তৈরী হবে। সাথে সুষম খাবার খাবেন। যোগব্যায়াম আপনার মনোযোগ বৃদ্ধি করবে আর পড়ার জন্যে শরিলে শক্তি যোগাবে উপযোগী সুষম খাবার। আর মেডিটেশনের সময় সবধরনের বাহ্যিক চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন। মনোযোগ আসবেই। শুধু মনে রাখবেন আপনাকে পড়তে হবে এবং পড়া বুঝে মুখস্থ করতে হবে। তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট।

2958 views

আপনাকে পডাশোনায় আরও সিরিয়াস হতে হবে।পডাশোনা করলে কি হবে আর না করলে কি হবে তা ভালভাবে উপলব্ধি করতে হবে।পডার সময় শব্দ করে করে পডতে হবে।এতে পডা মনে থাকে।কোনো পডাই না বুঝে মুখস্ত করা যাবে না।না বুঝলে স্যারদের সাহায্য নিন।সকালের দিকে পডাশোনাটা বেশি কার্যকরী হয়। পডার সাথে সাথে সেগুলো লেখারও অভ্যাস করতে হবে।

2958 views

স্মৃতিশক্তি লোপ পেলে ধর্মীয় বিধান মতে বেশী করে কুরআন শরীফ পড়তে হয়। প্রাকৃতিক ভাবে মুক্তি পেতে চাইলে প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় কালোজিরা ও মধু খাবেন।ইহা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।আপনি রোগমুক্তি পাবেন ইনশাআল্লাহ।

2958 views

মুরব্বি, শিক্ষক, অভিভাবক সবাই একটা কথা বলেন ‘মন দিয়ে পড়। মনের কলিতেও তারই প্রতিধ্বনি হয়েছে’ মন দিয়ে লেখাপড়া, মন দিয়ে খেলা, সব কাজে মন দিতে করো নাকো হেলা। আসলে এই মনই সকল কাজের মূল। যেখানে যে কাজে মন নেই সে কাজটাই মাটি। ধরুন পড়ার টেবিলে বসে আছেন, পড়ছেন কিন্তু পড়ায় মন নেই। আপনার পড়া কখনেই আয়ত্ত হবে না। তাই পড়াশোনায় মন বসানোটা আবশ্যক। কয়েকটি টিপস অনুসরণ করা যেতে পারে। আপনি কী আসলেই অমনোযোগী আপনার পড়াশোনায় মন নেই মানে হচ্ছে আপনি অমনোযোগী। এ জন্য প্রথমেই নিজেকে প্রশ্ন করুন আমি কি সত্যিই অমনোযোগী? আপনার মন যদি সায় দেয় আমি অমনোযোগী নই, তো আপনি পড়ুন। একজন ছাত্র হিসেবে অমনোযোগটা খারাপ এটা যখন আপনি বুঝতে পাছেন। আপনি যখন মনোযোগী ছাত্র হিসেবে নিজেকে ভাবছেন তো মন দিয়েই পড়ুন। কারণ চিহ্নিত করুন ধরা যাক আপনার সত্যিই পড়ায় মন বসে না, আপনি অমনোযোগী। এ জন্য প্রথমেই কারণ চিহ্নিত করুন ‘কেন আপনার পড়ায় মন বসে না? কারণ থাকতেই পারে। সে কারণগুলো চিহ্নিত করে সমাধান করুন। এমন হতে পারে আপনার ঘুম আসে বা আপনার শারীরিক দুর্বলতা আছে। আপনি তার জন্য ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। হতে পরে বেশিক্ষণ পড়তে পড়তে অমনোযোগী হয়ে যান, তখন একটু পর পর পাঁচ মিনিট বিশ্রাম নেন। হতে পারে একটা ঘটনায় আপনি মুষড়ে পড়েছেন, সে ঘটনা দ্রুত মিট করুন। ব্যস! এবার মনোযোগী হোন। মন বসাতে প্রেষণা প্রেষণা মানে অনুপ্রেরণা। আপনি যে পড়ছেন কেন পড়ছেন তা আপনার কাছে স্পষ্ট থাকা চাই। ধরা যাক আপনি পরীক্ষায় পাসের জন্য পড়ছেন, এটা আপনি জানেন কিন্তু পাস করলে কী হবে জানেন না। আপনাকে ভাবতে হবে ভালো পাস করলে আমি পুরস্কার পাবো, বড় ক্লাসে উঠব, বাহবা পাবো এভাবে সব পরীক্ষায় ভালো পাস করলে অনেক বড় হবো এ অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে পড়ুন, মন আসবে। টার্গেট করে পড়ুন পড়ায় মন বসাতে টার্গেট করে পড়ুন। সাময়িক টার্গেট। ধরুন কাল ক্লাসে একটা পরীক্ষা। রাতে পড়তে বসলেন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলুন পরীক্ষায় আমি ভালো নাম্বার পাবোই, পড়তে শুরু করুন মন আসবে। কিংবা আপনি পড়তে চান না সবাই আপনাকে বকে। একটা জিদ ধরুন, এবার আমি সবাইকে দেখিয়ে দেবো, পরীক্ষায় ভালো পাস করলে, এ জিদই আপনার মনকে নিঃসন্দেহে পড়াশোনায় বসাবে। টার্গেটের ক্ষেত্রে কম করবেন কেন? বেশিই করুন। ঝামেলা মুক্ত হয়ে পড়ুন পড়তে বসতে নানা ঝামেলা মাথায় নিয়ে বসলে মন না বসারই কথা। আপনি সব ঝামেলাকে ঝেড়ে ফেলে, নিরিবিলি জায়গায় পড়ুন, তখন আপনার চিন্তা একটাই পড়া আর পড়া। আপনার ‘এক মন’ শুধুই পড়া। সুতরাং মন বসবে না কেন? পড়ছেন যেহেতু মন দিয়েই পড়ুন আপনি পড়ার জন্য সব প্রস্তুতি নিয়ে টেবিলে বসেছেন। এর অর্থ এখন পৃথিবীর সব কাজ আপনার কাছে অর্থহীন, আপনার একমাত্র কাজ পড়া। আপনি টেবিলে যতক্ষণ বসে আছেন পড়ার জন্য। বসে আছেন। সুতরাং আপনি পড়ছেন যেহেতু অত্যন্ত নিবিষ্ট মনে পড়ুন। কারণ এখন নিবিষ্ট মনে না পড়ার তো কোনো মানে নেই। এটা তো ঠিক আপনি মনোযোগ দিয়ে এক ঘণ্টা পড়লে আর অমনোযোগী হয়ে পাঁচ ঘণ্টা পড়লেও তা কাভার হয় না। আপনার মনোযোগ দিয়ে পড়ার মাধ্যমে যে পড়াটা আপনার মাথা ঢুকে গেছে তা আপনি কখনোই ভুলবেন না। আপনার গড়িমসি কিংবা পড়তে বসি বসি করে নিজেকেই ফাঁকি দিচ্ছেন। মনে রাখবেন কেউ জোর করে আপনাকে পড়াতে পারবে না আপনার নিজের তাগিদ যদি না থাকে।

2958 views

একটা টিপস অনুসরন করুন, নিয়মিত মেডিটিশন করুন। এটি একটি পরীক্ষিত উপায়।

2958 views

আমার মনে হয় আপনি মানসিক দুশ্চিন্তাই ভুগছেন। সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করুন। আপনি যদি মুসলিম হন প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরুন। মনে প্রশান্তি ফিরে পাবেন। আল্লাহর ইবাদত ছারা অাপনি কোনো কিছুতেই সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবেন না। 
মেডিটেশন করতে পারেন।
রাতে কিছু সসময়  নিজের সম্পর্কে সমালোচনা করুন।

সারাদিন কি করছেন কি করেননি ভাবুন।

আপনি কি? আপনি কি করছেন?  কি করা উচিত? সারাদিন বাজে কাজে কত সময় নষ্ট করছেন? আপনার অবস্থান কোধায়? আপনার পরিবারের অবস্থা কি? আপনার পিতা-মাতা কি আপনার প্রতি সন্তুষ্ট? ক্যারিয়ারে অাপনি নিজেকে কোন পর্যায়ে দেখতে চান? সে অনুযায়ী আপনি কতটা কাজ করছেন?এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর খুজুন, এগুলো নিয়ে ভাবুন।

নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করুন। কারণ সুস্থ দেহে সুস্থ মনের বাস। প্রতিদিনের কাজের একটা রুটিন করতে পারেন।
শরীরের প্রতি যত্নশীল হন।
তাহলে অাশা করা যায় অাপনি সব কাজে মনোযোগী হতে পারবেন।

আপনার জীবনের সফলতার চাবিকাঠি আপনি নিজেই।
ভালো থাকবেন। 

2958 views

Related Questions