প্রস্রাব ক্লিয়ার হচ্ছে ----পস্রাব করার পর পানি খরচ করার পর আবার মনে হচ্ছে পস্রাব আসতেছে। তখন দেখা যায় ফোটা ফোটা হয়ে প্রস্রাব আসতেছে তাতে করে অনেক সময় লেগে যায়।
আর দেরি করে ঘুম থেকে উঠলে প্রস্রাব হলুদ হয়, অনেক সময় প্রস্রাব হলুদ হলে জ্বালাপোড়া হয়। কি করব পরামর্শ দিলে উপকৃত হব।
4141 views

3 Answers

আপনি দৈনিক পর্যাপ্ত পানি পান করুন।তাহলে ইনশাল্লাহ সমাধান হবে।

4141 views

প্রশাবের সমস্যা ও প্রতিকার :- ঘুমোতে যাওয়ার আগে এবং ঘুম থেকে জাগার পর প্রস্রাব করতে হবে। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত। পানির পরিমাণ এত বেশি হওয়া উচিত যাতে দৈনিক কমপক্ষে দুই লিটার প্রস্রাব তৈরি হয় যা দিনে দুই থেকে তিন ঘন্টার মধ্যে প্রস্রাব করতে হবে। কখনো প্রস্রাব আটকে রাখা যাবে না। বাথরুম ব্যবহারের পরে টয়লেট টিস্যু পিছন থেকে সামনের দিকে না এনে সামনে থেকে পিছনের দিকে ব্যবহার করা, যাতে মলদ্বারের জীবাণু মূত্র পথে এসে সংক্রমণ করতে না পারে অথবা পরিষ্কার কাপড় ব্যাবহার করলে প্রতি বার তা সাবান দিয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং যদি দেখা যায় আপনার প্রস্রাবের রাস্তার জ্বালা যন্ত্রণা জীবাণু জনিত বলে সন্দেহ থাকে তাহলে আপনার চিকিত্সা সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বা আপনার উপসর্গ না যাওয়া পর্যন্ত কার ও সাথে যৌন সম্পর্ক করা উচিত নয়। কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

4141 views

বিশেষ করে গরমের দিনে এই সমস্যা বেশি হয়। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ার সমস্যাটি নারী পুরুষ উভয়ের হতে পারে। তবে নারীদের প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হওয়ার প্রবণতা বেশি। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে যে সমস্যা গুলো হতে পারে, তাহল- -প্রস্রাব গাঢ় হলুদ বা লালচে হয়ে যায়। -প্রস্রাবে বাজে গন্ধ আসে। -একটু পর পর প্রস্রাবের বেগ আসে কিন্তু পরিমাণে খুব কম হয়। -প্রস্রাব করার সময় জ্বালা পোড়া বা ব্যথা হয়। -তলপেটে বা পিঠে তীব্র ব্যথা হয়। -সারাক্ষণ জ্বর জ্বর ভাব অথবা কাঁপুনি দিয়ে জ্বর হওয়া। -বমি ভাব বা বমি হওয়া। কিছু ঘরোয়া উপায়ে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব। সেক্ষেত্রে প্রচুর পানি খেতে হবে। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা ইউরিন ইনফেকশন হলে কিংবা ঘন ঘন ইনফেকশন হওয়ার প্রবণতা থাকলে প্রতিদিন কম পক্ষে ২ থেকে ৩ লিটার পানি খাওয়া উচিৎ। তাছাড়া তরল জাতীয় খাবার, ইসুপগুলের ভুসি-মিছরির শরবত, অ্যালোভেরার শরবত, আখের গুঁড়, ফলের ফ্রেস জুস, ডাবের পানি বা লেবুর শরবত খেতে পারেন। বাসার বাইরে গেলেও সব সময় সঙ্গে পানি রাখুন। এক্ষেত্রে কর্যকরী সমাধান পেতে আরও খেতে পারেন ভিটামিন সি জাতীয় খাবার। ভিটামিন সি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সহায়তা করে। ভিটামিন সি মুত্রথলীকে ভালো রাখে এবং প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া ভাব কমাতে সহায়তা করে। আনারসে আছে ব্রোমেলাইন নামক একটি উপকারী এঞ্জাইম। গবেষণায় দেখা গেছে যে ইউরিন ইনফেকশনে আক্রান্ত রোগীদেরকে সাধারণত ব্রোমেলাইন সমৃদ্ধ অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয় এবং তা ইউরিন ইনফেকশন ভালো করে দেয় খুব দ্রুত। তাই ইউরিন ইনফেকশন হলে প্রতিদিন এক কাপ আনারসের রস খান। ইউরিন ইনফেকশন সাধারণত দুই দিনের বেশি সময় থাকে। আর এই সময়ে ইনফেকশন কিডনিতে ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই যত দ্রুত সম্ভব ইউরিন ইনফেকশন সারিয়ে ফেলা উচিত। বেকিং সোড়া দ্রুত ইউরিন ইনফেকশন সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। আধা চা চামচ বেকিং পাউডার এক কাপ পানিতে ভালো করে মিশিয়ে দিনে একবার করে খেলে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমে এবং ইউরিন ইনফেকশন দ্রুত ভালো হয়।

4141 views

Related Questions