এই হতভাগা জিবনে শুধু হতাশা আর হতাশা।যেদিকে যাই শুধু আমাকে নিয়ে উপহাস করা হয়।এজন্য মোটরসাইকেল চালানো বাদ দিছি।আমার বয়স ১৭।ওজন ৪৮ কেজি মাত্র আর উচ্চতা ৫ ফিট ৬। স্কুলে যাইনা এখন বন্ধু ও স্যারের ইয়ারকিতে।আমি কি মানুষনা? কত চেষ্টা করলাম বাট ওজন বাড়েনা।আমারো কি তোমাদের মতো বাচতে ইচ্ছা করেনা? হায়রে মানুষ, কেউ আমাকে বুঝলিনা।হে বিধাতা, আমাকে কি শুধু অপমান ই দিয়েছো।।। জীবন যুদ্ধে আমি পরাজিত।হয়তো এ পৃথিবী আমার জন্য নয়।চোখের জ্বল মুছে লেখা কথাগুলো লেখলাম।কারো মনে আঘাত লাগলে আমাকে আভিশাপ দিতে পারেন। হয়তো আমি আজ চলে যাচ্ছি এ ভবের মায়া ছেড়ে।
3104 views

4 Answers

জীবনটা মাত্র শুরু,তো এই জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটানোটা কি বোকামি হয়ে যাবে না? ভাইয়া চেষ্টা কর,সফল হবে,আর নিজেকে কন্ট্রোল কর।ভালো কোন ডাক্তার এর সাথে যোগাযোগ করেন।

3104 views

ভাই আপনি নিচের রুটিনগুলা কিছুদিন পালন করেন আর বেশি বেশি খেতে থাকেন, এক মাসের মধ্যে সস্থ্য ভালো হবে দেখবেন : প্রধানত তিনটি কারণে দেহের ওজন কম হতে পারে: *chronic disease *eating disorders *lack of physical activity. রোগের কারণে যদি দেহের ওজন কম হয় তবে সে রোগের যথাযথ চিকিৎসা অবশ্যই করতে হবে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভুল খাদ্যাভ্যাস আর পর্যাপ্ত শারীরিক শ্রমের অভাবে দেহের ওজন বাড়াতে সফল হতে পারেন না। ওজন বাড়াতে তাই কিছু কৌশল মনে রাখতে হবে আমাদের: * ক্ষুধা লাগলেই খাবার খান: সহজে বহন করা যায় এমন খাবার সাথে রাখুন বাড়ির বাইরে থাকলে। সারা দিনের জন্য যখন কর্মপরিকল্পনা করবেন তখন কি ধরনের স্ন্যাক্স আপনি সাথে নিবেন তাও ঠিক করে রাখুন। কখনই এমন অবস্থা যেন না হয় যে, আপনি ক্ষুধার্ত কিন্তু আপনার সাথে খাবার নেই।Quick snacks হিসেবে সাথে রাখতে পারেন যেকান মৌসুমি ফল / juice /প্যাকেটজাত পনির ও ক্রাকার/ যেকোন ধরনের বাদাম ইত্যাদি। ৩-৪ ঘন্টা পর পর আপনাকে খাবার খেতে হবে, যদি ক্ষুধা নাও লাগে তবুও অল্প কিছু খেতে চেষ্টা করুন। *ক্যালরি পান করুন : high-calorie drinks পান করুন।Fruit juice, smoothies, milkshakes ও এমন products বেছে নিন যেগুলোতে ক্যালরি বেশি পরিমানে আছে।আপনার প্রধান খাবারের সাথে juice বা low-fat milk পান করুন। রাতে ঘুমাতে যাবার আগে smoothie বা milkshake পান করুন। * সকালের নাস্তা কখনই বাদ দিবেন না: সারা দিনের খাবারে মধ্যে সকালের নাস্তা খুবই গুরুত্ব পূর্ণ, তা ওজন কমানো বা বাড়ানো যাই হোক না কেন! যারা ওজন বাড়াতে চান তাদের জন্য এটি একটি ভাল সুযোগ ক্যালরি গ্রহনের। যদি সকালের নাস্তা বাদ দেন তবে প্রায় ৪০০ ক্যালরি গ্রহন থেকে বঞ্চিত হতে হয়!যদি প্রতিদিন সকালের নাস্তায় ৪০০-৫০০ ক্যালরি গ্রহন করা যায় তবে মাস শেষে প্রায় ৩ পাউন্ড ওজন বাড়াতে সক্ষম হবেন। *ছুটির দিনে খাবার : ছুটির দিনে আপনার খাবার সময়সুচি যেন ওলট পালট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। দুপুর পর্যন্ত ঘুমালে অনেক খানি ক্যালরি মিস হয়ে যায়। যদি late morning বা early afternoon পর্যন্ত ঘুমানো একান্ত দরকার হয় তবে খাবার সময়গুলোতে এর্লাম দিয়ে রাখুন।

3104 views

ব্যার্থতা ছড়া সফলতা সম্ভব না।আপনি কয়েকবার চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়েছেন তাই হাল ছেড়ে দিলেন এটা আপনার বড় মূর্খামী হবে।জীবন যুদ্ধে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে বেচে থাকতে হবে।আর মহান আল্লাহ যা দিয়েছেন তাই। নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করুন।তিনি যা করেন মঙ্গলের জন্যই করেন।

3104 views

স্বাস্থ্য প্রকৃতিগত ভাবে পাওয়া। চাইলেই যদি সব পাওয়া যেত তাহলে ইচ্ছেমত সবাই শরীরটাকে বদলে দিত, তবে হ্যা চর্চার মাধ্যমে সব অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়।নিয়মিত অনুশীলন, চেষ্টা ধৈর্য আপনার চাওয়াকে পাওয়াতে পরিণত করবে। যারা খুব শুকনা তারা মোটা হওয়ার উপায়গুলো জেনে নিন।০যদি নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান এবং রাতের ঘুম ঠিক রাখেন তাহলে আপনি তাড়াতাড়ি আপনার স্বাস্থ্য মোটা করতে পারবেন। না ঘুমাতে পারলে আপনার শরীর ক্যালরী ধরে রাখতে পারে না। রাতেতাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ করুন এবং তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ুন।০একটা নিদিষ্ট সময় ধরে খাবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক ঘন্টার মধ্যে সকালের নাস্তা শেষ করুন। সকালে প্রচুর পরিমাণে খেয়ে নিতে পারেন। হ্যাম বার্গার, ভাজাখাবার, চিকেন ব্রেস্ট খেলেও ক্ষতি নেই।০সফ্ট ড্রিংকস্ এবং ফ্যাটি খাবার খেলে স্বাস্থ্য মোটা হয়। এতে হাই-ইন্সুলিন থাকে। ইন্সুলিন হরমোন তৈরি করে। যার সাহায্যে শরীরে কার্বোহাইড্রেট,প্রোটিন এবং ফ্যাট জমে। যখন ফ্যাটি ফুডস্ খাবেন তখন পানি পানকরুন; সফ্ট ড্রিংকস্ নয়। এমনকি ডায়েট সফ্ট ড্রিংকস্ও নয়। এটা খেলে আপনি ফ্যাটি ফুড খেতে পারবেন না। ০এনার্জি ফুড খেলেও আপনি মোটা হবেন। শরীরে যদি এনার্জি ফুড না থাকে তাহলে শরীরে শক্তিই থাকে নামোটা হওয়া তো দূরের কথা। আপনি কখনো ব্যাটারিতে ল্যাপটপ কম্পিউটার চালাতে পারবেন না যদি প্লাগ না দেন। শরীরও তার ব্যতিক্রম নয়। ০টেনশনমুক্ত থাকুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে ক্ষুধা বেড়ে যায় টেনশন দূরে করে।০প্রচুর ফল খান। ফল পুষ্টিকর খাবার এতে প্রচুর ক্যালরি পাওয়া যায়। প্রতিদিন ফল এবং ফলের রস খান। ফলের তৈরি বিভিন্ন সিরাপ, কুবিথ, গাম, জ্যাম, জ্যালি খান এতে ফ্যাট আছে যা আপনার স্বাস্থ্য মোটা করবে।০এ্যালকোহল পান করলে শরীর মোটা হয়। এটা আপনার মাংশপেশীতে হরমোন তৈরি করে। আপনার শরীরে যখনঅতিরিক্ত ক্যালরির প্রয়োজন হয়দিনের শেষে সন্ধ্যার দিকে তখন এ্যালকোহল পান করুন। এ্যালকোহলেপ্রচুর ক্যালরি পাওয়া যায়। রাতে এ্যালকোহল পান করে তাড়াতাড়ি রাতের খাবার সেরে ঘুমিয়ে পড়ুন।০আপনি খুব দ্রুত মোটা হয়ে যাবেন। আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না কিভাবে এত দ্রুত মোটা হওয়া সজাইন

3104 views

Related Questions