7 Answers
প্রাকৃতিকভাবে ফর্সা হওয়ার ২টি পদ্ধতি- ১। ভেতর থেকে রঙ করুন উজ্জ্বল রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। প্রতিদিন এক গ্লাস উষ্ণ গরম দুধে আধা চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে পান করুন। এভাবে পান করতে না পারলে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। নিয়মিত হলুদ মেশানো দুধ পান করলে আপনার রঙ হয়ে উঠবে ভেতর থেকে ফর্সা। দুধে কাঁচা হলুদ বাটা না মিশিয়ে করতে পারেন আরেকটি কাজ। দেড় ইঞ্চি সাইজের এক টুকরা হলুদ নিন। তারপর টুকরা করে কেটে এক গ্লাস দুধে দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। দুধে গাঢ় হলুদ রঙ ধরলে পান করুন। এভাবে প্রতিদিন একবার পান করবেন। ২। রূপচর্চায় হলুদ শুধু দুধের সঙ্গে নয়, বাহ্যিক রূপচর্চায়ও হলুদ আপনার রঙ পরিষ্কার করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে কালচে ছোপ দূর করতে এ পদ্ধতি খুব কার্যকর। এর জন্য উপকরণ: দুধ ৩ টেবিল চামচ, লেবুর রস এক টেবিল চামচ এবং কাঁচা হলুদ বাটা এক চা চামচ যেভাবে ব্যবহার করবেন: দুধ, লেবুর রস ও হলুদ গুঁড়া এক সঙ্গে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ বা পেস্ট তৈরি করুন। সারা মুখে এ পেস্ট ভালোভাবে লাগিয়ে প্যাকটি শুকনা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। গরম পানি দিয়ে মুখ ধোবেন না এবং অন্তত ১২ ঘণ্টা রোদে যাবেন না। কার্টেসী- শেয়ার নিউজ২৪ ডট কম।
১.রোদ থেকে দুরে থাকুন, ২.ভালো ব্রান্ডের লোশন ইউজ করুন, ৩.আর বয়স বাড়ার সাথে সাথে এটা হওয়া সাভাবিক। ৪.নিয়মিত পানি পান করুন সঠিক মাত্রায়।
ভাই কোন রুপচর্চার দরকার নেই | এইসব কিছুদিন করার পর হঠাৎ বন্ধ করে দিলে ত্বকে নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দেয় | আমি জানি আমার পরামর্শ হয়তো আপনার ভালো নাও লাগতে পারে | তার পরেও একটি পরামর্শ দিলাম | মন চাইলে চেষ্টা করে দেখতে পারেন | আপনি যদি একজন মুসলমান হয়ে থাকেন তাহলে দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করুন | নামাজ আদায় করতে হলে আপনাকে ৫ বার ওযূ করতে হবে | এতে করে আপনার হাত,পা, মুখ এবং শরীরের আরো কিছু অংশও ৫ বার করে ধোয়া পরবে | যার ফলে আপনি থাকবেন পরিচ্ছন্ন এবং সুন্দর আর পরকালে ও হবেন জান্নাতি বাসিন্দা।
ফর্সা সুন্দর ও কোমল ত্বক চায়না এমন লোকের সংখ্যা নেই বললেই চলে। তাই আপনাকে একটু সচেতন ছোট ছোট দুই একটি রুপের পরিচর্চা করে নিজেকে সাজিয়ে নিন অপরুপ সুন্দর করে। আর মন কেড়ে নিন আপনার প্রিয় জনের আর এটা ধরে রাখুন বহুদিনের জন্য। আপনাকে শুধু এই লেখাটা অনুসরণ করলেই চলবে। প্রয়োজনীয় উপকরন : ১) ২ চা চামচ বেসন ২) পরিমাণমতো ভাল দুধ ৩) এক চিমটি পরিমান হলুেদর গুঁড়ো ৪) আপনার ত্বক তৈলাক্ত হলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ৫) সামান্য একটু মধু যেভাবে তৈরি করবেন: # সর্ব প্রথম আপনার ত্বক পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন প্রয়োজনে ফেসওয়াস ব্যাবহার করে সুন্দর করে পরিষ্কার করুন। #এবার একটি পাত্রের মধ্যে উপরের উপকরনগুলো মিশিয়ে নিন ভাল মতো করে । তবে মধু মেশাবেন না। #সুন্দর করে পেস্ট তৈরি করুন । প্রয়োজন মতো দুধ মিশিয়ে নিন। # এটিকে ঘন পেস্টের মতো করে ফেলুন তাহলে এটি ব্যবহার উপযোগি হবে। যেভাবে ব্যবহার করবেন : # তৈরিকৃত পেষ্টটি সমস্ত মুখমন্ডলে ভাল করে মেখে নিন # ঘারে ও গলায় মেখে নিন #অপেক্ষা করুন ২০ মিনিট # পেষ্টটি শুকিয়ে গেলে তা আস্তে আস্তে ঘষে ঘষে তুলুন # এবার পানি দিয়ে ভাল করে মুখ, গলা ও ঘার পরিষ্কার করে ফেলুন। # লক্ষ্য করুন আপনার মুখে আর হলুদের আভা আর নাই। # এবার রেখে দেয়া মধু হাতের আঙ্গুলে অল্প একটু করে নিয়ে মুখে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসেজ করতে থাকুন। # এভাবে ১০ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করুন। # এবার হালকা গরম পানি দিয়ে আপনার মুখটা সুন্দর করে ধুয়ে ফেলুন। # এরপর আপনার ত্বকে ৪/৫ ঘন্টা কোন প্রসাধনী বা অন্য কিছু ব্যবহার করবেন না। # সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২ দিন বা ১ দিন এভাবে ব্যাবহার করুন। # বেশি ভাল ফল পেতে রাতে করুন। # এভাবে ত্বকের যত্ন করুন মাত্র ৩০ মিনিট, সপ্তাহে ১ দিন বা ২ দিন আর হয়ে উঠুন লাবন্যময়ী সুন্দরী। # এরুপ ১ মাস পার হলে আপনি হবেন অকর্ষনীয় আর কোমল সুন্দর ত্বকের অধিকারী। এক মাস অতি বাহিত হওয়ার পর……… এবার দেখুন নিজেকে আর একমাস আগের ছবির সাথে মিলিয়ে দেখুন আপনার সৌন্দর্য্য । অবাক করার মত সুন্দর।
দই ,কলা,ডিম দ্বারা তৈরি এই প্যাক ব্যাবহারে আপনি পাবেন পার্লারের মতো ঊজ্জলতা। এগুলোর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাধারনত দেখা যায়না। অর্ধেক কলা ,দই ও ডিমের সাদা অংশ একত্রে মিশিযে ব্লেন্ড করে নিয়ে আলতো করে মুখে লাগান । তারপর ২০থেকে ২৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধূয়ে ফেলুন।
ফর্সা হওয়াটা নির্ভর করে মূলত আমাদের শরীরে থাকা হরমোনের তারতম্যের উপরে। যার শরীরে মেলানিনের পরিমাণ অনেক বেশি সে তত বেশি কালো হয়ে থাকে। আপনার শরীরে মেলানিনের পরিমাণ বেশি হতে পারে, এজন্য আপনার ত্বক কিছুটা কালো। এক্ষেত্রে আপনি সবজি জাতীয় খাবার, ফলমূল, পানি বেশি করে খেতে পারেন। যদিও এতে করে খুব একটা সমাধান পাবেন না তারপরও এই জাতীয় খাবার শরীরের ব্লাড সার্কুলেশন ঠিক রাখে। ফলে শরীর ও ত্বক সতেজ ও প্রাণবন্ত থাকে। ত্বকের কালোভাব থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই বাজারের কিছু রঙ ফর্সাকরী ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। এই ক্রিমগুলো ব্যবহার মোটেও উচিত না। কেননা এগুলোতে যে ধরনের উপাদান ব্যবহার করা হয় তা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক ক্ষতিকর। এগুলো আমাদের চামড়া পুড়ে ফেলে। তাই ভুলেও এগুলো ব্যবহার করবেন না। এর পরিবর্তে আপনি বাড়িতেই কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে পারেন। যেমন লেবু ও মধুর মিশ্রণে একটি প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বকের ময়লা কাটিয়ে গ্লোনেস বাড়িয়ে দেয়। তবে হ্যা ২-১ দিন ব্যবহার করে বাদ দেয়া যাবে না। ধৈর্য সহকারে প্রতিদিন ব্যবহার করবেন ভালো ফলাফল পাবেন। এছাড়া শসা, কাঁচা হলুদ, টমেটো, কমলার খোসা, আলুর রস, চালের গুড়া, বেসন ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। আর মানুষ কী বললো না বললো সেসব কথায় কান দিবেন না। তার চেয়ে বরং সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করুন যে আপনি সুস্থ স্বাভাবিকভাবে পৃথিবীতে আসতে পেরেছেন।