3 Answers
এটা সম্পূর্ণ বৈধ।আপনি যাকে টাকা দিয়েছেন সে টাকা দিয়ে ব্যবসা করছে।মানে ইসলামে ব্যবসাকে হালাল করা হয়েছে।আর মুনাফার টাকা আপনাকে সে খুশি হয়ে দেয় এজন্য কোন সুদ হবেনা।আপনি তা নিতে পারেন।
আপনি যদি তাকে হাওলাদ দিয়ে থাকেন তাহলে তার কাছ থেকে মুনাফার টাকা নেয়া ঠিক হবেনা। কারণ সেতো তোমার কাছ থেকে বিপদে পড়ে হাওলাদ নিয়েছে। আর সে আপনাকে মুনাফার টাকা দিবে বলেছে এটা হয়ত আপনাকে খুশি করার জন্য। . এখন যদি আপনি তাকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে বলেন যে ভাই আমার টাকা লাগবেনা।আপনি এই টাকা দিয়ে উপকৃত হলেই আমি খুশি হব। তাহলে সে আপনার উপর খুব খুশি হবে। . . আর যদি আপনি তাকে শেয়ার ব্যবসার জন্য টাকা দেন তাহলে তার লভ্যাংশ থেকে টাকা নেওয়া জায়েয হবে।
আপনি যদি তাকে এই টাকা হাওলাত তথা ঋণ হিসেবে দেন, তাহলে তার মুনাফা নেওয়া আপনার জন্য জায়েজ নেই। এটা সম্পূর্ণ সুদ। তবে এর মুনাফা নেওয়ার একটা পদ্ধতি ইসলামে আছে। আর তা হল- আপনি তাকে টাকাটা ঋণ হিসেবে না দিয়ে 'মুদারাবা' হিসেবে দিন। মুদারাবা ওই ব্যবসা, যা একজনের সম্পদ এবং আরেকজনের শ্রম দ্বারা হয়ে থাকে। তাই আপনি তাকে টাকা দিবেন, আর সে ব্যবসা করবে। আর আপনাদের মধ্যে নির্দিষ্ট একটা পার্সেন্টেজ হিসেবে চুক্তি হবে। যেমন, লাভের ৫০% আপনি নিবেন এবং ৫০% সে নিবে। এভাবে মুদারাবা ব্যবসার জন্য টাকা দিলে আপনার জন্য সেটার মুনাফা গ্রহণ করা জায়েজ হবে। অন্যথায় জায়েজ হবে না।