3 Answers
মোটা হতে আগ্রহী ? তাহলে টিপসগুলো দেখুনঃ সকালের নাস্তা পরিহার করুন শুনতে অবাক লাগলেও এই উপায়ে ওজন বাড়ানো যায় কিন্তু আপনি যখন বিশেষ করে সকালের নাস্তা পরিহার করবেন তখন শরীর ভাববে আপনি হয়তো সারাদিন না খেয়ে থাকবেন। তখন শরীর থেকে ক্যালরিগুলো ফ্যাট হিসেবে যোগ হয়। এবং এই পদ্ধতিটি থেকে আরও বেশি লাভ পেতে ১০-১২ ঘণ্টা না খেয়ে থাকুন, দুপুরে লাঞ্চের সময় একসাথে অনেক খাবার খেয়ে নিন। এই উপায়ে আপনার দেহ সব ক্যালরি দেহেই জমিয়ে রাখবে এবং ওজনও বৃদ্ধি পাবে। কম ঘুমান কম ঘুমিয়েও চাইলে আপনি মোটা হতে পারেন। কম ঘুমালে দেহ ক্লন্তি অনুভব করবে ও কম ঘুম হওয়ার কারণে মানসিকচাপ থাকবে। মানসিক চাপের কারণে অনেকেরই খাওয়ার পরিমাণ বেড়ে যায় এবং শুধু তাই নয় মানিসিক চাপের কারণে দেহে যে হরমোনের পরিবর্তন হয় এর জন্যও ওজন বেড়ে থাকে। এছাড়াও কম ঘুমালে আপনি খাওয়ার অনেক সময় পাবেন ওজন বাড়ানোর জন্য। তাই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার খেয়ে ঘুমাতে যেতে পারেন। তেলে ভাজা খাবার খান ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস, ফ্রাইড চিকেন, ফ্রাইড অনিয়ন রিংস ইত্যাদি, সবগুলোই খুব ভালো খাবার যারা ওজন বাড়াতে চান তাদের জন্য। তবে এই ধরণের খাবারগুলোতে থাকে প্রচুর পরিমাণে সেচুরেটেড ফ্যাট। সেচুরেটেড ফ্যাট শুধুই আপনার ওজন বৃদ্ধি করবে না সাথে সাথে দেহেও দেখা দিবে নানা ধরণের সমস্যা বিশেষ করে হার্টের সমস্যা হয়ে থাকে সেচুরেটেড ফ্যাটের কারণে। তবে আপনি যদি প্রিতিদিন আলুর ফ্রাই খেয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার ওজন বৃদ্ধি পাবে। পানি খাওয়া কমিয়ে দিন আপনি যদি সত্যিই মোটা হতে চান তাহলে পানি কম খান। কারণ অনেক সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়ার কারণে আপনার ওজন কমতে পারে। তাই পানি কম খেয়ে কোমল পানীয় খেতে পারেন আর এগুলো যদি না খেতে পারেন তাহলে বেশি মিষ্টি দিয়ে চা খান। ফাস্টফুড খান বেশি করে ওজন বাড়াতে খেতে পারেন ফাস্টফুড। এই খাবারগুলো শুধু আমাদের ওজনই বাড়ায় না ফাস্টফুডের খাবারগুলো বাস্তবেই অনেক সাহায্য করে ওজন বাড়াতে। তাই ওজন বাড়াতে চাইলে মাঝে মধ্যেই খেয়ে নিন ফাস্টফুড। ব্যায়ামকে একেবারেই না বলুন মোটা হওয়ার জন্য দেহে ক্যালরির প্রয়োজন। আর যদি আপনি ব্যায়াম করেন তাহলে দেহ থেকে ক্যালরি কমে যাবে তাই মোটা হতে চাইলে ব্যায়াম করা যাবেনা। কাছে কোথাও যেতে চাইলে না হেঁটে গাড়ি ব্যবহার করতে পারেন, সিঁড়ি দিয়ে না উঠে লিফট দিয়ে উঠুন এবং দীর্ঘ সময় ধরে টিভিও দেখতে পারেন। এইভাবে দেহের বাড়তি ক্যালরিগুলো দেহেই থেকে যাবে এবং ওজন বৃদ্ধি পাবে।
ওজন বাড়িয়ে নিতে চান তাহলে অবশ্যই খাদ্য তালিকায় রাখবেন এই ১৫ টি খাবার। ওজন বাড়বে কিন্তু তা হবে নিয়ন্ত্রিত এবং স্বাস্থ্যকর উপায়ে। ১) ডিম ডিমে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন এবং এ, ডি ও ই ভিটামিন। ডিমের কুসুমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি যা ওজন বাড়াতে সাহায্য করবে। সুতরাং খাদ্য তালিকায় রাখুন ডিম। ২) মাছ ও মাছের তেল দৈনিক ৯০০ মিলিগ্রাম মাছের তেল খান। মাছের তেল আলাদা করে না খেলে মাছ খান এতেও অনেকটা উপকার হবে। কারণ মাছের তেল ও মাছ ওজন বাড়ায় নিয়ন্ত্রিত উপায়ে যা দেহে ফ্যাট না জমিয়ে মাংসপেশি বৃদ্ধি করে। ৩) দই অতিরিক্ত চিনি এবং ফ্লেভার দেয়া দই নয়, অর্গানিক দই খান নিয়মিত। এতে করে দইয়ের ভালো ব্যাকটেরিয়া দেহের গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টিনাল স্বাস্থ্য ভালো করবে এবং মাংসপেশি উন্নত করতে সহায়তা করবে। ৪) তিল বীজ ফাইবার, প্রোটিন এবং ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎস তিল বীজ স্বাস্থ্যের জন্য ভালো এবং সেইসাথে মাংসপেশি গঠনেও সহায়তা করে। এতে ওজন বাড়ে। ৫) বাদাম স্বাস্থ্য বৃদ্ধির জন্য বাদাম রাখুন খাদ্যতালিকায়। বাদামে রয়েছে পলিআনস্যচুরেটেড ফ্যাট যা আপনার স্বাস্থ্য বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ৬) বাটার ও পিনাট বাটার প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ বাটার রাখুন খাদ্য তালিকায়। এই স্নেহ জাতীয় খাবার খুব দ্রুতই ওজন বাড়াবে। তবে প্রচুর পরিমাণ মাখন আবার আপনার হার্টে সমস্যা করতে পারে তাই খুব বেশি মাখন খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। আবার সকালের নাস্তায় পাউরুটিতে পুরু করে মাখিয়ে নিতে পারেন পিনাট বাটার। ১ টেবিল চামচ পিনাট বাটারে থাকে প্রায় ১৯২ ক্যালরি যা ওজন বাড়াতে সহায়তা করবে। ৭) চীজ এক চামচ চীজে থাকে প্রায় ৬৯ ক্যালরি। এবং দুধ থেকে তৈরি করা এই চীজে থাকে প্রচুর প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, চর্বি ও কলেস্টেরল যা বাড়াবে আপনার ওজন স্বাস্থ্যকর ভাবেই। ৮) পাউরুটি পাউরুটিতে রয়েছে ক্যালরি এবং প্রচুর পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট। এছাড়াও পাউরুটিতে যোগ করা সুগার ও সল্ট ওজন বাড়াতে সহায়তা করে। ৯) ভুট্টার রুটি ভুট্টার রুটি সকালে ও বিকেলের নাস্তায় রাখতে পারেন। ভুট্টাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট। এতে বাড়বে ওজন খুব দ্রুত। ১০) পাস্তা ও নুডুলস কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ পাস্তা ও নুডুলস উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার হিসাবে পরিচিত। আপনি প্রতিদিন পরিমাণ মত পাস্তা অথবা নুডুলস খেতে পারেন। তবে ইনস্ট্যান্ট নুডলস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ১১) ফলের জুস ফলের রস হচ্ছে ওজন বাড়ানোর সবচাইতে স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর উপায়। ফলের রসের সাথে যুক্ত চিনি আপনার ওজন বাড়াতে সাহায্য করবে। ১২) ভাত ভাতে সব চাইতে বেশি পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার পাওয়া যায়। এতে করে দেহের ওজন খুব দ্রুত বাড়তে থাকে। তাই প্রতিদিন ৩ বেলা ভাত খেয়ে দেখতে পারেন। ১৩) চিংড়ি মাছ চিংড়িতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ পুষ্টিকর ও প্রয়োজনীয় এসিড যা আপনার স্বাস্থ্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। ১৪) শুকনো ফল আপনি দ্রুত ক্যালোরি পেতে পারেন শুকনো ফল যেমন কিশমিশ, খেজুর ইত্যাদি খেয়ে। শুকনো ফলে পাকা ফলের মতই প্রচুর পরিমাণ ক্যালোরি থাকে। ১৫) স্বাস্থ্যকর চর্বি ও তেল খাদ্য তালিকাতে পরিমাণমতো তেল বা চর্বি রাখুন, তবে তা অবশ্যই স্বাস্থ্যকর তেল বা চর্বি, যেমন অলিভ অয়েল, ক্যানোলা অয়েল ইত্যাদি। এতে করে আপনার ক্যালোরির অভাব পুরন হয়ে যাবে।