1 Answers
- কম ফাইবার এবং অতিরিক্ত ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। - অতিরিক্ত মাত্রায় সর্দি-কাশির, কোলিক বন্ধ করার ওষুধ, আয়রন সাপ্লিমেন্ট ইত্যাদি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। - মা বা নানির যদি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকে তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই তা বাচ্চার মধ্যে বংশানুক্রমিকভাবে চলে আসতে পারে। বিশেষ কিছু গোষ্ঠী বা সমষ্টির মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেশি দেখা যায়। - শিশুর যদি হাইপোথাইরয়েডিজম থাকে তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশুর জন্মের পর যদি স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে জেনে নেয়া যায় যে শিশুর থাইরয়েড সংক্রান্ত সমস্যা আছে কি না, তাহলে শুরুতেই কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করা সহজ হয়ে যায়। - যেসব শিশুদের ডাউনস সিন্ড্রোম (এক ধরনের ক্রোমোজোমাল ডিজঅর্ডার) আছে তাদের ক্ষেত্রে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেশি করে দেখা যায়। ডাউনস সিন্ড্রোম থাকলে পেশির শক্তি কমে যায় এবং শিশুর স্বাভাবিক হাঁটাচলায় প্রভাব পড়ে। এর ফলে কোলন ভালোভাবে কাজ করে না এবং স্টুল ঠিকমতো বের হতে পারে না। - হার্সপ্রাঙ্গ ডিজিজ থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। এই রোগ যদি ধরা না পড়ে তাহলে মেগা কোলনের মতো জটিল সমস্যা তৈরি হতে পারে। সাধারণ কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হার্সপ্রাঙ্গ ডিজিজের মধ্যে অনেক সাদৃশ্য আছে, ফলে অনেক সময় রোগ নির্ণয় করা মুশকিল হয়ে যায়। হার্সপ্রাঙ্গ ডিজিজ নয় বোঝার একটি বিশেষ উপায় হলো জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাচ্চার প্রথম স্টুল হয়েছে কি না, সেটা খেয়াল রাখা। নবজাত শিশুর ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে এই তথ্য থাকা জরুরি। - শিশু যদি কোনোরকম শারীরিক সমস্যা (সেরিব্রাল পালসি, স্পাইনা বিফিডা, হাইপোটোনিয়া) থাকে তা হলেও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা যায়। এছাড়া ইনটেস্টাইন সংক্রান্ত সমস্যা, ম্যালরোটেশন ইত্যাদি থেকেও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। লক্ষণ - স্টুল শক্ত হয়ে যায়। - স্টুলের সাথে রক্ত পড়তে পারে। নিয়মিত পেট পরিষ্কার হয় না। - বাথরুম করতে কষ্ট হয়, ব্যথা করে। - অনেক সময় পানির মতো পাতলা স্টুল হতে পারে। - পেট পরিষ্কার হতে অনেকক্ষণ সময় লাগে। - দুষ্টুমি বেড়ে যায়, মনঃসংযোগ কমে যায়। - শিশু খেতে চায় না। বমি হতে পারে। - খাওয়ার সাথে সাথে বাথরুম যেতে হয়। - বার বার বাথরুম পায়। - সয়লিং (হঠাত্ করে জামাকাপড় নোংরা করে ফেলা)। জটিলতা শারীরিক কষ্ট থাকলে শিশুরা অনেক সময় মানসিক অবসাদে ভোগে। ফলে তারা নিজেদের সবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে চায়। বন্ধুদের সাথে সহজভাবে মিশতে পারে না। অন্যদের তুলনায় নিজেকে কমজোরি মনে করে, হীনমন্যতায় ভোগে, ক্রমশ একলা হয়ে যায়। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে দেখা দেয় আরো জটিলতা। যেমন পাইলস, মেগা কোলন, ফিস্টুলা, ইনটেস্টিনাল অবস্ট্রাকশন, অবস্টিপেশন, পড়াশোনায় অনীহা, মন না বসা ইত্যাদি।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy