3 Answers
ব্রণ হয়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার । এটা সাধারণতঃ বয়ঃসন্ধিকালীন পীড়া । টিনেজারদের রোগটা বেশি হয় । তবে শ্রী বিনষ্টকারী এই ব্রণ যে কোন বয়সেই হতে পারে । রোগের কারনঃ- সাধারণভাবে আমাদের ত্বকের লোমকুপ (হেয়ার ফলিকল) থেকে প্রতিনিয়ত তৈলাক্ত পদার্থ (সেবাম) নিঃসরণ হতে থাকে যা ত্বককে মসৃণ রাখে । কোন কারনে ত্বকের লোমকুপ বাঁধাগ্রস্থ হলে সেবাম বের হতে পারে না । তখন ত্বকের ভেতরে তা জমে ব্রণের জন্য দায়ী এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়ার (P.Acne) জন্ম হয় যার ফলে ব্রণের সৃষ্টি হয় । রোগের লক্ষণঃ- ব্রণ সাধারণতঃ মুখে হয়ে থাকে । তবে কখনো কখনো শরীরের অন্য স্থানেও হতে পারে । যেমন – ঘাড় , বুক ও পিঠ প্রভৃতি । এটি ছোট ছোট ফোঁড়ার মত হয় । এতে প্রদাহ ব্যথা-জ্বালা হয় । চাপ দিলে সাদা মাজ বের হয় । অনেক সময় রক্ত পুঁজ বের হয়ে থাকে । সঠিক লক্ষণ ভিত্তিতে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করলে অবশ্যই ব্রণ ভালো হয়। আপনি একজন যোগ্যতা সম্পন্ন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন। ডাঃ মোঃ বেলায়েত হোসেন আলফা হোমিও কেয়ার http://www.alphahomeocare.com/
রূপচর্চার আর দশটা বিষয়ের চাইতে ব্রণের বিষয়টি সবসময়ই রূপসচেতন মানুষের কাছে একটু বাড়তি গুরুত্ব পেয়ে আসছে। কেননা এমনিতে কারো ত্বক উজ্জ্বল হোক কিংবা অনুজ্জ্বল যাই হোক না কেন ব্রণের সমস্যা যখন সেই ত্বকে যোগ হয় তখন রূপচর্চার চাইতে রূপের স্বাভাবিকতা ধরে রাখাটাই হয়ে ওঠে বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এ কারণে রূপ বিশেষজ্ঞের চেম্বার থেকে শুরু করে পত্রিকার পাতা অবধি সবখানেই ব্রণ মোকাবেলার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এর ফলে ব্রণ কেন হয় এবং কীভাবে ব্রণের সমস্যা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা যায় সেটি নিয়ে অনেকেই কমবেশি জানেন।
সাধারণত শুষ্ক এবং তৈলাক্ত দু ধরনের ত্বকেই কমবেশি ব্রণের দেখা মেলে। তবে আনুপাতিক হারে তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরাই ব্রণ সমস্যায় বেশি ভোগেন। এছাড়া ব্রণের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে সহজ-স্বাভাবিক আরও যেসব বিষয় মাথায় রাখতে হবে সেগুলো হলো—
♠ বেশি করে পানি খাওয়া।
♠ চুলে খুশকি থাকলে তা দূর করা।
♠ খাবারের তালিকায় শাকসবজির পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া।
♠ ভাজা-পোড়া খাবার এড়িয়ে চলা।
♠ নিয়মিত গোসল করা।
♠ পেটের সমস্যা থাকলে পেট পরিষ্কার রাখার উদ্যোগ নেওয়া।
♠ ভিটামিন ও মিনারেল-যুক্ত খাবার খাওয়া।
♠ পরিধেয় বস্ত্র ও তোয়ালে পরিষ্কার রাখা।
♠ দুশ্চিন্তা না করা।
♠ সম্ভব হলে মাসে একবার ফেসিয়ালের মাধ্যমে ত্বকের উপরিভাগ পরিষ্কার রাখা।
♠ তৈলাক্ত ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট লোশন ব্যবহার করা।

জায়ফল ইংরেজিতে নাটমেগ নামে পরিচিত, যার বৈজ্ঞানিক নাম মাইরিসটিকা ফ্রাগরেন্স । জায়ফলের মধ্যে “মেইস” নামক একটি উপাদান আছে, যা ফাংগাস এবং ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী। ব্রণের মূল কারণ হলো মুখের ত্বকে ব্যাকটেরিয়া এবং ফাংগাসের আক্রমণ। সুতরাং বুঝতেই পারছেন জায়ফল কিভাবে ব্রণের বিরুদ্ধে কাজ করে। কথা না বাড়িয়ে এবার জেনে নিই ব্রণের চিকিৎসায় জায়ফলের ব্যবহার।
-
প্রথমে একটি বাটিতে জায়ফল গুড়া, মধু এবং একটু দুধ নিন।

- এবার ভালোকরে এগুলো এমনভাবে মেশান যেন তা পেস্টের মতো হয়।
- এইরকম পেস্ট বানিয়ে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ব্রণে আক্রান্ত জায়গাগুলোতে ভালভাবে লাগান।
- পরদিন সকালে হালকা ভাবে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
- এভাবে প্রতিদিন ব্যবহারে আপনি নিজেই ফলাফল টের পাবেন।
“উক্ত পেস্টটিকে আপনি স্পট ক্রিম হিসাবে মুখের দাগ দূর করতেও ব্যবহার করতে পারেন”