3 Answers

হ্যাঁ অবশ্যই গিবত হবে। কারণ তার অজান্তেই আপনি কথাটা বলতেছেন। তার চেয়ে আপনি আপনার ভাইকে নিয়মিত নামাজ পড়তে বলতে পারেন। সেটাই উত্তম হবে।

2916 views

এখানে আপনার উদ্দেশ্য যদি ভাইকে নিচু করা হয় তাহলে তা গিবত হবে। আর যদি এই উদ্দেশ্য না হয়, যেমন আপনি একথা কোনো হুজুরকে জানাচ্ছেন, যেন আপনার ভাই ঠিক হয়। তা গিবতের পর্যায়ে পরে না।

2916 views

আবূ রুক্বাইয়াহ তামীম ইবন আওস আদ-দারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, দ্বীন হল কল্যাণ কামনা করার নাম।’’ আমরা বললাম, কার জন্য?’ তিনি বললেন, আল্লাহর জন্য, তাঁর কিতাবের জন্য, তাঁর রসূলের জন্য, মুসলিমদের শাসকদের জন্য এবং মুসলিম জনসাধারণের জন্য। -সহীহ মুসলিম, হা. নং ৫৫, সুনানে নাসঈ, হা. নং ৪১৯৭, ৪১৯৮, সুনানে আবু দাউদ, হা. নং ৪৯৪৪, মুসনাদে আহমাদ, হা. নং ১৬৪৯৩ অন্য হাদীসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, এক মুমিন অন্য মুমিনের আয়না এবং এক মুমিন অন্য মুমিনের ভাই। সে তার ভাইকে ধ্বংসের হাত হতে রক্ষা করে এবং পেচন থেকে তাকে হিফাযত করে। –মিশকাতুল মাসাবীহ তাই এক মুমিন অপর মুমিনের জন্য আয়না। অর্থাৎ এক মুমিন অপর মুমিনের বিপদ আপদকে নিজের বিপদ আপদ বলে মনে করে। যেভাবে সে নিজের কষ্টে ছটফট করে তেমনি সে অপর মুমিনের কষ্টেও ছটফট করবে এবং তা দূর করার জন্যে অস্থির হয়ে উঠবে। অপর এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, তোমাদের এক ভাই অন্য ভাইয়ের আয়না। অতেএব এক ভাই অন্য ভাইয়ের কষ্ট দেখলে তা দূরীভূত করবে। এভাবে তার মধ্যে কোন দুর্বলতা দেখলে তাকে নিজের দুর্বলতা মনে করে দূর করার চেষ্টা করবে। এটি মুসলিম ভাইয়ের জন্য কর্তব্য। আপন ভাই হলে তো দায়িত্ব আরো বেশি। তাই আপন ভাইয়ের ধর্মীয় বিষয়ে গাফলতি দেখে দু:খিত হয়ে কারো কাছে বলা এবং দু:খ লাঘব করা। কিংবা প্রয়োজনে সুপরামর্শ লাভ করার জন্য কারো সাথে শেয়ার করা ইসলামে বৈধ। কিংবা কারো মাধ্যমে বলিয়ে কাজ হলে তাকেও বলা যায়। এতে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কোনরূপ সমস্যা নেই। এমন ধ্যান থেকে বললে মোটেও গিবত হবে না। ধন্যবাদ।

2916 views

Related Questions