7 Answers

হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী যে আপনার সাথে এগুলো করেছে সে মুনাফিকের পর্যায়ে পড়ে। মুনাফিকের যে শাস্তির বিধান আল্লাহ রেখেছেন সেই শাস্তি আল্লাহ তাকে দিতে পারেন। এ ধরনের চরিত্র যেন কারো না হয় সেই কামনা করা উচিত একই সাথে কোন অবস্থাতেই কোন মানুষকে বদদোয়া করা উচিত নয়। কারণ এতে বদদোয়াকারী এবং যাকে করা হলো কারও কোন উপকার হয় না। রবং দু'জনেরই ফায়দা হবে এ কথা বললে যে, হে আল্লাহ তুমি তাকে সমস্ত দোষ থেকে মুক্ত করে দাও। কোন মানুষকে জাহান্নাম থেকে ফেরানো উচিত। ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়া উচিত নয়। আপনার সাথে এ ধরনের আচরণকারী যদি শাস্তিও পায় তাতে আপনার কোন উপকার হবে না। তাই ইসলামের নিয়ম বদদোয়া করা নয়। রাসূল (সঃ) ইসলামের ঘোরতর শত্র ছাড়া সাধারণত কাউকে বদদোয়া করতেন না। তাই আপনার দোয়ায় লোকটি ভালো হয়ে গেলে অনেক লোক তার তির হাত থেকে বেঁচে যেতে পারে

3911 views

আপনি তাকে ক্ষমা করাটাই উত্তম হবে । আল্লাহ তাকে আশা করি ইহজগতেও এটার প্রতিদান দিবে ।

3911 views

তার কোন ক্ষতি হোক এভাবে বলা ইসলামের দিক থেকে ঠিক না। তাকে বুঝাতে হবে। সে যদি না বুঝে তাহলে আর কিছুই করার নেই। সে যদি আসলেই পাপি হয় তার শাস্তি একদিন তাকে অবশ্যই পেতে হবে।

3911 views

হ্যা হতে পারে।

3911 views

আলাহ তায়ালা বলেছেন যে মানুষকে খমা করে আলাহ তাকে খমা করে দেয় । তাই আপনার উচিত তাকে খমা করে দেওয়া ।

3911 views

"হে আল্লাহ তুমি তার বিচার কর। আমাকে যত দুঃখ দিয়েছে তার চাইতে অধিকদুঃখ তাকে দাও"-- এভাবে না বলে আপনার বলা উচিৎ ছিল এটা বলা যে - আল্লাহ তুমি তাকে হেদায়াত কর। ইহজগতে তেমনভাবে না হলেও পরকালে খুবই কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা আছে তার জন্য।

3911 views

আল্লাহর কাছে কোনোকিছু চাইতে হয়না, তিনি সবকিছু দেখেন এবং তিনি শ্রেষ্ঠ বিচারক। কেউ আপনার সাথে অন্যায় করলে আল্লাহ অবশ্যই তার শাস্তি প্রদান করবেন, ইহজগতে তার কিছুইনারে না হলেও পরকালে অবশ্যই সে ভয়ানক আজাব ভোগ করবে।

3911 views

Related Questions