4 Answers
শুধুমাত্র দুই-একটি কারনে যে ক্যান্সার হয়ে থাকে তা কিন্তু নয়, অনেক কারণে ক্যান্সার হতে পারে।
-
ক্যান্সার বা কর্কটরোগ হচ্ছে টিউমার বা অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন সংক্রান্ত রোগসমূহের সমষ্টি। ক্যান্সার সারানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। তবে প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে এই রোগ সারানোর সম্ভাবনা অনেকাংশ বেড়ে যায়। ২০০ প্রকারেরও বেশি ক্যান্সার রয়েছে। প্রত্যেক ক্যান্সারই আলাদা আলাদা এবং এদের চিকিৎসা পদ্ধতিও আলাদা আলাদা।
-
ক্যান্সারের কারণঃ যেসব কারণে ক্যান্সার হয়ে থাকে, নিম্নে তা উল্লেখ করা হলোঃ
-
বয়সঃ সাধারণত বয়স যত বাড়তে থাকে, ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও তত বাড়তে থাকে। কারণ, এ সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এক হিসেবে দেখা যায়, যত মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়, তাদের শতকরা ৭০ ভাগেরই বয়স ৬০ বছরের উপরে।
-
খাবার এবং জীবনযাপনের ধারাঃ খাবার এবং জীবনযাপনের ধারার সাথে ক্যান্সারের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যেমনঃ ধূমপান বা মদ্যপানের সাথে ফুসফুস, মুখ, কণ্ঠনালী, যকৃৎ বা লিভারের ক্যান্সারের যোগাযোগ রয়েছে। তেমনিভাবে পান, সুপারি, জর্দা, অতিরিক্ত লবণ ইত্যাদি খাবারের সাথেও ক্যান্সারের যোগসূত্র রয়েছে। যারা সাধারণত শারীরিক পরিশ্রম কম করে, তাদের মধ্যেও ক্যান্সারের প্রবণতাটা বেশি।
-
পারিবারিক কারণঃ ক্যান্সারের সাথে জিনগত সম্পর্ক রয়েছে। এই কারণে, পরিবারের কারো যদি ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা থাকে, তাহলে অন্যদেরও ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকখানি বেড়ে যায়।
-
পরিবেশ এবং পেশাগত কারণঃ রাসায়নিক পদার্থের সাথে ক্যান্সারের অনেক বড় একটা সম্পর্ক রয়েছে। যেমনঃ মেসোথেলিওমিয়া-তে (এক ধরনের দূর্লভ ক্যান্সার, এতে ফুসফুসের চারপাশ এবং পেটের দিকের কোষগুলো আক্রান্ত হয়) আক্রান্তদের ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই এসবেস্টস ধাতুর সংস্পর্শে আসার কারণে এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। সাধারণত জাহাজ তৈরির শিল্পের সাথে যারা জড়িত, তাদের এই ধাতুর সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাটা বেশি থাকে। এই কারণেই, অনেক দেশে এই ধাতুর ব্যবহার নিষিদ্ধ। একইভাবে রঙের কারখানা, রাবার বা গ্যাসের কাজে যারা নিয়োজিত, তারা এক ধরনের বিশেষ রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে আসার কারণে মুত্রথলির ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। পরবর্তীতে অনেক দেশে এসব রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারও নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। পরিবেশগত কারণের অন্যতম একটা হচ্ছে সূর্য। রোদে বেশিক্ষণ থাকার কারণে ত্বকের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তেজস্ক্রিয়তার কারণেও বিভিন্ন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
-
ক্যান্সার প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায়ঃ
-
হাদীসে এসেছে, "কালোজিরাতে মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের ঔষধ রয়েছে"। গবেষণা বলছে, কালোজিরাতে 'ক্যারোটিন' নামক ক্যান্সার প্রতিরোধক উপাদান রয়েছে। তাই ক্যান্সার যাতে না হয়, সেজন্য নিয়মিত কালোজিরা খান। আবার ক্যান্সার যাতে ভালো হয়ে যায়, সেজন্যও নিয়মিত কালোজিরা খান।
- রঙিন খাবার ও অনিয়ন্ত্রিত খাদ্য গ্রহণ থেকে দূরে থাকবেন।
-
সতেজ ফলমূল বেশি খান, কারণ ফলমূল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
-
কখনো ধূমপান বা মদ্যপান করবেন না।
-
পান, সুপারি, জর্দা এবং অতিরিক্ত লবণ খাবেন না।
-
নিয়মিত শারীরিক বা কায়িক পরিশ্রম করবেন।
-
রাসায়নিক পদার্থ, রঙ, রাবার, গ্যাস ইত্যাদি থেকে দূরে থাকবেন।
-
সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সূর্যের রোদ থেকে দূরে থাকবেন।
-
শরীরে টিউমার বা অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন দৃষ্টিগোচর হলে, অতিসত্বর একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন।
-
আর হ্যাঁ অবশ্যই নিয়মিত কালোজিরার ভর্তা দিয়ে ভাত খেতে ভুলবেন না কিন্তু। ধন্যবাদ।
সাধারণত বয়স যত বাড়তে থাকে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও তত বাড়তে থাকে, কারণ এ সময়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এক হিসেবে দেখা যায় যত মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় তাদের শতকরা ৭০ ভাগেরই বয়স ৬০ বছরের ওপর।
খাবার এবং জীবনযাপনের ধারার সাথে ক্যান্সারের গভীর সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছে গবেষকরা। যেমন, ধুমপান বা মদ্যপানের সাথে ফুসফুস, মুখ ও কণ্ঠনালীর এবং যকৃৎ বা লিভারের ক্যান্সারের যোগাযোগ রয়েছে। তেমনই ভাবে পান-সুপারি, জর্দা, মাংস, অতিরিক্ত লবণ, চিনি ইত্যাদি খাবারের সাথেও ক্যান্সারের যোগসূত্র রয়েছে। যারা সাধারণত শারীরিক পরিশ্রম কম করে তাদের মধ্যেও ক্যান্সারের প্রবণতাটা বেশি।
ক্যান্সারের সাথে জিনগত সম্পর্ক রয়েছে বলেও প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই কারণে পরিবারের কারো যদি ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা থাকে তাহলে অন্যদেরও ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকখানি বেড়ে যায়।
রাসায়নিক পদার্থের সাথে ক্যান্সারের অনেক বড় একটা সম্পর্ক রয়েছে। যেমন, মেসোথেলিওমিয়া-তে (এক ধরনের দূর্লভ ক্যান্সার, এতে ফুসফুসের চারপাশ এবং পেটের দিকের কোষগুলো আক্রান্ত হয়) আক্রান্তদের ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই এসবেস্টস ধাতুর সংস্পর্শে আসার কারণে এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। সাধারণত জাহাজ তৈরির শিল্পের সাথে যারা জড়িত তাদের এই ধাতুর সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাটা বেশি থাকে। এই কারণেই অনেক দেশে এই ধাতুর ব্যবহার নিষিদ্ধ। একইভাবে রঙের কারখানা, রাবার বা গ্যাসের কাজে যারা নিয়োজিত তারা এক ধরনের বিশেষ রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে আসার কারণে মুত্রথলির ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। পরবর্তীতে অনেক দেশে এসব রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারও নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। পরিবেশগত কারণের অন্যতম একটা হচ্ছে সূর্য। রোদে বেশিক্ষণ থাকার কারণে ত্বকের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তেজস্ক্রিয়তার কারণেও বিভিন্ন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।