2 Answers

যদি পানির সংকট না থাকে বা অন্য কোন জটিল সমস্যা না থাকে তবে তৎক্ষণাৎ আপনাকে ফরজ গোসল করার পর নামায আদায় করতে হবে । তা না হলে নামায হবে না ।

3093 views Answered

এ বিষয়ে অবগত হওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।  ধৈর্য ধরে পরিপূর্ণ শেষ করো অনুরোধ জানাচ্ছি।  

শাইখ আব্দুল আযিয বিন বায (রহঃ) বলেন:


যদি আপনার পক্ষে গরম পানি সংগ্রহ করা সম্ভব হয় কিংবা আপনি গরম করতে পারেন কিংবা প্রতিবেশি বা অন্য কারো থেকে কিনে নিতে পারেন তাহলে সেটা করা আপনার উপর আবশ্যকীয়। কেননা আল্লাহ্‌ বলেন: “তোমরা সাধ্যানুযায়ী আল্লাহ্‌কে ভয় কর।”[সূরা তাগাবুন, আয়াত: ১৬] তাই আপনার কর্তব্য হচ্ছে পানি কেনা বা গরম করা কিংবা অন্য যেভাবে শরিয়তের বিধান মোতাবেক ওজু করা যায় সেটা করা। যদি আপনি অপারগ হন এবং ঠাণ্ডা অতি তীব্র হয়, পানি ব্যবহারে বিপদ ঘটার আশংকা থাকে, পানি গরম করা বা আশপাশে কারো থেকে গরম পানি কেনার কোন উপায় না থাকে সেক্ষেত্রে আপনার ওজর গ্রহণযোগ্য এবং তায়াম্মুম করাই আপনার জন্য যথেষ্ট। যেহেতু আল্লাহ্‌ বলেছেন: “তোমরা সাধ্যানুযায়ী আল্লাহ্‌কে ভয় কর” এবং তিনি আরও বলেছেন: “পানি না পাও তবে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করবে: তা দ্বারা মুখমণ্ডল ও হাত মাসেহ করবে।”[সূরা মায়েদা, আয়াত: ৬]


যে ব্যক্তি পানি ব্যবহারে অক্ষম সে ব্যক্তির হুকুম যে ব্যক্তি পানি পায়নি তার হুকুমের অনুরূপ।[মাজমুউ ফাতাওয়া বিন বায (১০/১৯৯-২০০)]


আপনি আপনার শরীরের যতটুকু ধৌত করতে পারেন ততটুকু ধৌত করা আপনার উপর আবশ্যকীয়। যেমন- হাতদ্বয়, পাদ্বয় ইত্যাদি ধৌত করা; যদি এতে আপনার কোন ক্ষতির আশংকা না থাকে। এরপর আপনি তায়াম্মুম করবেন। 


আমরা আল্লাহ্‌র কাছে আপনার আশু রোগমুক্তির জন্য দোয়া করছি। আপনি যে রোগে আক্রান্ত হয়েছেন সে রোগ যেন আপনার গুনাহমুক্তির কারণ হয় এবং আপনার মর্যাদা বৃদ্ধির মাধ্যম হয় সে দোয়া করছি।


আল্লাহ্‌ই সর্বজ্ঞ।

3093 views Answered

Related Questions

Next steps