3 Answers
ইসলাম স্বভাবজাত ধর্ম। মানুষের পরিচ্ছতা ও সৌন্দর্য এবং সুস্থতা ও কমনীয়তার নেয়ামত রক্ষায় ইসলামে অনেক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। যার কারণে ইসলাম মানুষের শরীরের অবাঞ্ছিত লোম, নখ ইত্যাদি বিনা ওজরে চল্লিশ দিন পর কাটাকে মাকরূহ তাহরীমি বা গোনাহর কাজ বলেছে।
নাভীর নিচের লোম পরিস্কার করা থেকে মূল উদ্দেশ্য হলো পরিচ্ছন্নতা- সেটা ক্ষুর দিয়ে হোক বা অন্য কিছু দিয়ে। (ফতওয়ায়ে আলমগিরী)
লোম পরিস্কার করার উপায় : আসল উদ্দেশ্য যেহেতু লোম পরিস্কার করা তাই যেসব উপায় গ্রহণের মাধ্যমে লোম পরিস্কার হবে সেসব উপায়ই গ্রহণ করা জায়েয আছে। সুতরাং ব্লেড, ক্ষুর, কাঁচি, ক্রীম, পাউডার সবই ব্যাবহার করা জায়েয আছে। অবশ্য পুরুষের জন্য এক্ষেত্রে ব্লেড বা ক্ষুর ব্যবহার করা উত্তম। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ইমানের অঙ্গ।তাই পরিষ্কার থাকার জন্য পরুষের লিঙ্গে যে চুল গজায় তা কাটা জায়েয।বলা হয় চল্লিশ দিনের মধ্যে একবার হলেও ঐ চুলগুলো কাটতে হবে।
ইসলামে পুরুষ মহিলারর গোপনাঙ্গের চুল কাটার বিধান স্বভাবজাত সুন্নাত। ইবনু বায (রহঃ) এটা সুন্নাতের মুআক্কাদাহ বা ওয়াজিব। ইসলামে প্রতি সপ্তাহে নাভীর নিচ থেকে গোপণাঙ্গসহ অবাঞ্ছিত লোমগুলো পরিষ্কার করতে হবে। আর অন্তত ৪০ দিনের মধ্যে একবার কাটা আবশ্যক। ৪০ দিনের পরেও অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার না করা মাকরূহে তাহরীমী। যা মারাত্মক গুনাহের কাজ। আনাস বিন মালিক (রাঃ) বলেন, রাসূল (সাঃ) আমাদের জন্য গোঁফ খাটো করা, নখ কাটা, বগলের পশম উপড়িয়ে ফেলা ও নাভীর নীচের পশম পরিষ্কার করার জন্য নির্দিষ্ট সীমারেখা বেঁধে দিয়েছেন, আমরা যেন তা চল্লিশ রাতের বেশি ছেড়ে না রাখি। (মুসলিমঃ হা/২৫৭, আবূ দাউদঃ ৪২০০) ব্লেড, ক্ষুর বা কাঁচি দ্বারা গোপনাঙ্গের লোম পরিস্কার করা পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য জায়েয। অনুরূপভাবে হেয়ার রিমুভার জাতীয় ক্যামিক্যাল দ্বারা পরিস্কার করাতেও শরীয়তের কোন বাধা নেই। তবে পুরুষের জন্য চেঁছে ফেলা এবং মহিলাদের জন্য উপড়িয়ে ফেলা মুস্তাহাব। (কিতাবুল ফিকহ আলাল মাযাহিবিল আরবাআঃ ২/৪৫)
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy