এছাড়াও পৃথিবীতে যে ৫ বার মাস ডিস্ট্রাকশন হয় ওগুলোও উল্লেখ নেই,নিশ্চয় কোনো কারণ আছে।তাহলে ডাইনোসোরের কথা যেগুলো আমরা পড়ি সবই গুজব?
2887 views

4 Answers

বললে তো কত কিছুই বলা যেতো। পৃথিবীতে দুই লক্ষ নবী রাসূল এসেছিলো। অথচ পবিত্র কোরআনে মাত্র ২৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাহলে তো এটাও একটা প্রশ্ন যে, কেনো সবার নাম উল্লেখ করা নেই। আল্লাহ যেটা ভালো বুঝেছেন, সেটাই বলেছেন। তাড়াছা আল্লাহ তায়ালা ডাইনোসোরের চেয়েও আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস নিয়ে আলোচনা করেছে। আকাশ এবং পৃথিবীর সৃষ্টির, সব রহস্যের কথা বলে দিয়েছেন। এগুলো নিয়ে আগে চিন্তা করুন।

2887 views

কোরঅান হল সম্পূর্ণ জীবন ব্যাবস্থার নীতিমালার বই।এটা ইতিহাস বা সাইন্সের বই নয়।তারপরও এই বইতে কিছু ইতিহাস,সাইন্স,ভূগোল ইত্যাদি দেওয়া হয়েছে।এবং তাই দেওয়া হয়েছে যতটুকু জানা বা বুঝা অপরিহার্য।তার মানে এটা নয় যে এই বইতে সকল ইতিহাস,সাইন্স দেওয়া থাকতে হবে।অার যা থাকবে না তা মিথ্যা বা গুজব।এজন্যই অাল্লাহ বলেন,যে অামার সৃষ্টি নিয়ে তোমরা গভীর ভাবে চিন্তা কর।

2887 views

যুগে শেষে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি  বছর পূবে একটি বিধ্বংসী  প্রাকৃতিক বিপযয় ডাইনোসদের পৃথিবীর থেকে সম্পৃুণ  বিলুপ্ত করে দেয়। ডাইনোসর যখন পৃথিবীতে জীব জীবজন্তু একে ওপর কে হত্যা করে ফেলতো তখন  আল্লাহ এই প্রাণি কে বিলুপ্ত করে দেয়। প্রথিবিতে অনেক প্রাণি আছে সবীয় আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। আর বড় একটা  প্রানির ব্যাপারে কোরআনে  বা হাদিসে  কোথায় বলা নেই কেন আসুন আমারা তাঁর উত্তর খুঁজি  কুরআন ও হাদিসে  মনে রাখতে হবে কুরআন কোনো বিজ্ঞানের বই নয়  এতে রয়েছে ভিবিন্ন চিহ্ন বা আয়াত  বা নিদর্শন থেকে অন্তনিহিত মম বের করতে হবে আল্লাহ প্রতে ্যক জীবকে  পানি  দারা সৃষ্টি করেছে।  কোরআনে যে ডাইনাসোর কথা বলতে হবে তা কোনো প্রয়োজন নেই ।  প্রথিবীতে অনেক প্রানি আছে এই সব প্রাণি কথা কুরআনে নেই আল্লাহ  এই প্রথিবিতে অনেক প্রাণি সৃষ্টি করেছেন ।             

2887 views

আল কোরআন ( القرآن‎‎) এর আলোচ্যে বিষয় হলো মানব জাতি।  ডাইনোসর আলোচ্যে বিষয় নয়, তাই আল- কোরআন (القرآن‎‎) এ ডাউনোসরের কথা উল্লেখ নাই। পবিত্র এই মহাগ্রন্থের মুল উদ্দেশ্য হলো মানব জাতিকে এমন পথ প্রদর্শন করানো যাতে সে দুনিয়া ও পরকালে শান্তিপূর্ণ ভাবে থাকতে পারে। 


আমরা যদি এই পবিত্র মহাগ্রন্থের অবতীর্ণ হবার কারণ একটু ঝালিয়ে নেই তবেই বিষয়টা বুঝতে পারব- 



নিষিদ্ধ বৃক্ষের ফল ভক্ষনের পরে আদম (আঃ) ও হাওয়া (আঃ) কে বেহেশত হতে দুনিয়ায় পাঠানোর প্রাক্কালে আল্লাহ  তায়ালা বলে দিয়েছিলেন যে, “তোমরা সকলেই এখান হতে নেমে পড়। অতঃপর তোমাদের কাছে আমার পক্ষ হতে জীবন বিধান যেতে থাকবে। পরন্তু যারা আমার জীবন বিধান অনুসারে চলবে, তাঁদের ভয় ও চিন্তার কোন কারণ থাকবেনা। (অর্থাৎ দুনিয়ার জীবনের সমাপ্তিতে তাঁরা আবার অনন্ত সুখের আধার এ বেহেশতেই ফিরে আসবে)। আর যারা তা অস্বীকার করে আমার নিদর্শন সমুহকে মিথ্যা সাব্যস্ত করবে, তাঁরা হবে জাহান্নামের অধিবাসী এবং সেখানে তাঁরা অনন্তকাল থাকবে”। (সূরা বাকারা, আয়াত নং ৩৮-৩৯)


 আল্লাহ্ তায়ালার উক্ত ঘোষণা মোতাবেকই যুগে যুগে আদম সন্ততির কাছে আল্লাহ্র তরফ হতে হেদায়েত বা জীবন বিধান এসেছে। এই জীবন বিধানেরই অন্য নাম কিতাবুল্লাহ। যখনই কোন মানবগোষ্ঠী আল্লাহর পথকে বাদ দিয়ে নিজেদের মন গড়া ভ্রান্ত পথে চলতে থাকে, তখনই কিতাব নাযিল করে আল্লাহ্ মানুষকে সঠিক পথের সন্ধান দিয়ে থাকেন।

(বুঝতেই পারছেন আসলে বিষয়টি কেন এরকম)
2887 views

Related Questions