5 Answers
কুরবানী একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি আদায় করা ওয়াজিব।
সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি এই ইবাদত পালন করে না তার ব্যাপারে হাদীস শরীফে এসেছে, ‘যার কুরবানীর সামর্থ্য রয়েছে কিন্তু কুরবানী করে না সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে।’-মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস : ৩৫১৯; আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব ২/১৫৫
কুরবানি করা ওয়াজিব।ত্যাগের স্মৃতি স্বরুপ মুসলমানের উপর কুরবানি করা ওয়াজিব করা হয়েছে।কুরবানি করার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়।
আলেমগণ কোরবানীর হুকুম নিয়ে মতভেদ করেন; কোরবানী করা কি ওয়াজিব নাকি সুন্নত?
একদল আলেমের মতে, কোরবানী করা ওয়াজিব।এটা আমাদের ইমাম আবু হানিফার মাযহাব এবং এক বর্ণনাতে ইমাম আহমাদের মত হিসেবেও উল্লেখ আছে। ইবনে তাইমিয়া এই মতটিকে গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন: এ মতটি ইমাম মালেকের মাযহাবের দুইটি অভিমতের একটি কিংবা তাঁর মাযহাবের সুস্পষ্ট অভিমত এটাই।
অপর একদল আলেমের মতে, কোরবানী করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। এটি ইমাম শাফেয়ির মাযহাব এবং প্রসিদ্ধ বর্ণনানুযায়ী ইমাম মালেক ও ইমাম আহমাদের মাযহাব।
[শাইখ উছাইমীনের ‘আহকামুল উদহিয়্যাহ ওয়ায যাকাত’ পুস্তিকা থেকে]
ঈদুল আযহার নামাজ পরা ওয়াজিব। যেহেতু কুরবানী ঈদুল আযহার অংশ।তাই কুরবানী করাও ওয়াজিব।