6 Answers
সব খাবারেই মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটে। তবে, দুধ সবচেয়ে উপকারী। দুধে খাদ্যের সব কয়টি উপাদান বিদ্যমান বলে, এটি মেধার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়াঃ মাছ, ডিম, সবুজ শাকসবজিও রয়েছে।
আপনি মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। বড়দের মুখে শুনেছি, মিষ্টি খেলে মাথা ঠান্ডা থাকে ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়।
বর্তমান যুগে বুদ্ধি ছাড়া চলা বড় দায়। তাই বুদ্ধি বাড়াতে দরকার পুষ্টিকর খাবার। কারণ, বুদ্ধিমান হতে গেলে দরকার মস্তিষ্কের পুষ্টি। যেহেতু, বুদ্ধিই বল বা শক্তি। সঠিক হেলদি ডায়েট আপনার মস্তিষ্ককে উর্বর করতে পারে। এক্ষেত্রে, শুধুমাত্র হেলথ ড্রিংকেই আটকে থাকলে চলবে না। দরকার অন্য কিছুর। তাই চলুন জেনে নিই, বুদ্ধির বীজকে কীভাবে বড় বৃক্ষে পরিণত করা যায়- তৈলাক্ত মাছ : স্যামন, ম্যাকরেল, সারডিন, কডের মতো সামুদ্রিক মাছে আছে প্রচুর ফ্যাটি অ্যাসিড। এই ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্ক, চোখ ও স্নায়ুতন্ত্র গঠনে ভূমিকা রাখে। সপ্তাহে দু’দিন এই রকম মাছ খেতে পারলে মস্তিষ্ক ঘটিত সমস্যা কম হবে। ব্রেনও পুষ্ট হবে। পাতাওয়ালা সবজি : সবুজ রঙের পাতাওয়ালা সবজি শরীরের পাশাপাশি মস্তিষ্ককেও পুষ্ট করে। প্রতিদিন সবুজ পাতাওয়ালা সবজি খেলে স্মৃতি বিলুপ্তির মতো ঘটনা ঘটবে না। বিশেষকরে পালং শাক, ব্রকোলি খাওয়া খুব উপকারি। কারণ, এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ফলিট, বিটা-ক্যারোটিন ও ভিটামিন- সি। ডিম : সুস্বাস্থের জন্য সপ্তাহে ছয়টি ডিম খাওয়া খুব জরুরি। প্রতিদিন খাবার প্লেটে একটি করে সেদ্ধ ডিম রাখা জরুরী। তবে ডিমের শুধু সাদা অংশ খেলেই হবেনা। খেতে হবে ডিমের কুসুমও। এরমধ্যে থাকে আয়রন। এই উপাদান লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি করে। যা, মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সাহায্য করে। এছাড়া ভিটামিন বি-১২ ও আয়োডিন স্মৃতি শক্তি জোরদার করে। তাই নিজেকে সজাগ ও মনযোগী করে তুলতে চাইলে রোজ পাতে একটি করে ডিম রাখুন। গ্রিন টি : মস্তিষ্কের প্রায় ৭০ শতাংশ জুড়ে পানি থাকে। এই পানি ব্রেণকে আদ্র রাখে বলেই ব্রেণ এত নিখুঁত কাজ করে। তাই যখনই ক্লান্ত লাগবে, এক কাপ গ্রিন টি পান করে নিন। নিমেষে চনমনে হয়ে উঠবেন। সেইসঙ্গে স্মৃতি শক্তির উন্নতি ঘটবে। নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বয়সকালে ডিমেনশিয়া না হওয়া থেকে রক্ষা করবে। ডার্ক চকোলেট : ওবেসিটি-র ভয়ে যারা চকোলেট খাওয়া একপ্রকার ছেড়ে দিয়েছেন, তাঁদের জন্য রইল সুখবর। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন- ডার্ক চকোলেট ব্রেনের জন্য খুব উপকারী। এর ফ্ল্যাবনয়েড উপাদান কগনিটিভ স্কিলের উন্নতি ঘটায়। এছাড়া মস্তিষ্কে নিউরোন তৈরি করে যা নতুন বিষয় মনে রাখতে সাহায্য করে। এমনকি মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে ডার্ক চকোলেট।
মেধা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন পুষ্টি আর সেই পুষ্টি পাবেন আপনি সেই পুষ্টিকর খাবার থেকে।তাই আপনার পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।আপনি দুধ ডিম সবুজ শাকসবজি ফল মধু আর বিশেষ করে বাদাম খান প্রতিদিন ৫ টি করে।এতে আপনার মেধা বাড়বে।আর আপনার সব ধরণের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
মেধা বৃদ্ধির জন্য যে খাবারগুলো উপকরি তার তালিকায় রাখতে পারেন,এদুটিকেও৷
★কুমড়োর বীজ★বাদাম
কুমড়োর বীজ-
শরীরে জিঙ্কের মাত্রা যত বাড়তে থাকে, তত ব্রেন পাওয়ার বাড়ার পাশাপাশি বুদ্ধির ধারও বাড়াতে শুরু করে। আর কুমড়োর বীজের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এই খনিজটি। তাই তো বুদ্ধির জোড় বাড়াতে এই প্রকৃতিক উপাদনটি খাওয়া পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।
বাদাম-
এটি মস্তিষ্কের সমন্বয় সাধনের ক্ষমতা বাড়ায়৷ সহজলভ্য এই খাবারে আছে ভিটামিন ই, যা হচ্ছে আরো একটি এন্টি-অক্সিডেন্ট। খুব সহজেই পাওয়া যায় এই বাদামকে প্রতিদিন রাখুন খাবার তালিকায়।
প্রতিদিন এই খাবার গুলোর সুষম পরিমাণে খেলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বেড়ে যাবে বহু গুণ!
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy