3 Answers
কোরবানির গোশত এক-তৃতীয়াংশ গরিবদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে, এক-তৃতীয়াংশ আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের দিতে হবে এবং এক-তৃতীয়াংশ নিজের পরিবারের জন্য রাখতে হবে। প্রয়োজনের অধিক সবটুকু বিলিয়ে দেওয়াই যথার্থ। তবে প্রয়োজন বেশি থাকলে পুরোটাও রাখা যায়। বিশেষ কোনো ব্যক্তির জন্য অথবা বিশেষ কোনো উদ্দেশ্যে অল্প পরিমাণে দীর্ঘ সময়ের জন্যও সংরক্ষণ করে রাখা যাবে। সামর্থ্যবানের জন্য কোরবানি করা ওয়াজিব; তবে গোশত খাওয়া ওয়াজিব নয়। কোনো অসুবিধা না থাকলে কোরবানির গোশত খাওয়া ও খাওয়ানো সুন্নত।
হ্যাঁ, যাকে খুশি তাকে দিতে পারেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন, অতঃপর তোমরা তা হতে ভক্ষণ কর এবং নিঃস্ব অভাবগ্রস্তদেরকে ভক্ষণ করাও। (সূরা হাজ্জঃ ২৮ আয়াত)
অর্থাৎ, আর উঁটকে করেছি আল্লাহর প্রতীকসমূহের অন্যতম; তোমাদের জন্য তাতে মঙ্গল রয়েছে। সুতরাং সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান অবস্থায় ওগুলির উপর (নহর করার সময়) তোমরা আল্লাহর নাম নাও। অতঃপর যখন ওরা কাত হয়ে পড়ে যায় তখন তোমরা তা হতে আহার কর এবং আহার করাও ধৈর্যশীল অভাবগ্রস্তকে ও যাচ্ঞাকারী অভাবগ্রস্তকে। এইভাবে আমি ওদেরকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছি; যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। (সূরা হাজ্জঃ ৩৬ আয়াত)
প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'কুরবানীর গোশত' তোমরা খাও, জমা কর, এবং দান কর। তিনি আরো বলেন, তা খাও, খাওয়াও এবং জমা রাখ।
উপরিউক্ত আয়াত বা হাদীসে খাওয়া, হাদিয়া দেওয়া ও দান করার কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ বিবৃত হয়নি। তবে অধিকাংশ উলামাগণ মনে করেন যে, সমস্ত গোশতকে তিন ভাগ করে এক ভাগ খাওয়া, এক ভাগ আত্মীয়-স্বজনকে হাদিয়া দেওয়া এবং এক ভাগ গরীবদেরকে দান করা উত্তম।
কেউ চাইলে সে তার কুরবানীর সমস্ত গোশত বিতরণ করে দিতে পারে। আর তা করলে উক্ত আয়াতের বিরোধিতা হবে না। কারণ, ঐ আয়াতে নিজে খাওয়ার আদেশ হল মুস্তাহাব বা সুন্নত। সে যুগের মুশরিকরা তাদের কুরবানীর গোশত খেত না বলে মহান আল্লাহ উক্ত আদেশ দিয়ে মুসলিমদেরকে তা খাবার অনুমতি দিয়েছেন। অবশ্য কেউ কেউ খাওয়া ওয়াজেবও বলেছেন। সুতরাং কিছু খাওয়াই হল উত্তম।
কুরবানীর গোশত হতে কাফেরকে তার অভাব, আত্মীয়তা, প্রতিবেশি অথবা তাকে ইসলামের প্রতি অনুরাগী করার জন্য দেওয়া বৈধ। আর তা ইসলামের এক মহানুভবতা।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy