2 Answers
না, মেয়েদের জন্য ঈদের সালাত এর বিধান নেই। মেয়েদের উপর থেকে যেসব সালাত রহিত করা হয়েছে তা হলোঃ-
- জুমুআর সালাত।
- ঈদের সালাত।
- ইস্তিসকা (বৃষ্টি প্রার্থনার সালাত)
ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করা এবং জুমার নামাজে অংশগ্রহণ করা নারীদের জন্য ওয়াজিব নয়।আর এটাই হচ্ছে বিশুদ্ধ অভিমত। এই মাসয়ালার মধ্যে শুধুমাত্র দুজন আলেম দ্বিমত পোষণ করেছেন। বাকি সব ওলামায়ে কেরামদের ঐকমত্যে ঈদের নামাজে নারীদের অংশগ্রহণ করা ওয়াজিব নয়। সুতরাং যদি তাঁরা অংশগ্রহণ না করেন, গুনাহগার হবেন না। ঈদের জামাতে নবী (সা.) শুধু অনুমোদন দিয়েছেন তা নয়, নবী (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন। এতে বোঝা যায়, নবী (সা.) গুরুত্ব দিয়েছেন। নবী (সা.) থেকে উম্মে আতিয়া (রা.) বর্ণনা করেছেন, ‘নবী (সা.) আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে করে আমরা নারীদের ঈদের জামাতে অংশগ্রহণের জন্য সহযোগিতা করি।’ তাহলে বোঝা গেল, এটি অত্যন্ত মুয়াক্কাদ, মানে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। যদিও ওয়াজিব বা বাধ্যতামূলক করা হয়নি, কিন্তু তাগিদ দেওয়া হয়েছে। হাদিসে এসেছে, উম্মে আতিয়া রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন : আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সা. আদেশ করেছেন আমরা যেন মহিলাদেরকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাতে সালাতের জন্য বের করে দেই ; পরিণত বয়স্কা, ঋতুবতী ও গৃহবাসিনী সহ সকলকেই। কিন্তু ঋতুবতী মেয়েরা (ঈদগাহে উপস্থিত হয়ে) সালাত আদায় থেকে বিরত থাকবে তবে কল্যাণ ও মুসলিমদের দোয়া প্রত্যক্ষ করতে অংশ নেবে। তিনি ( উম্মে আতিয়া) জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল ! আমাদের মাঝে কারো কারো ওড়না নেই। (যা পরিধান করে আমরা ঈদের সালাতে যেতে পারে) রাসূলুল্লাহ সা. বললেন : সে তার অন্য বোন থেকে ওড়না নিয়ে পরিধান করবে। (বর্ণনায় : সহীহ মুসলিম হাদীস নং ৮৮৩) গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ) অধ্যায়ঃ ১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين) হাদিস নম্বরঃ ৯৭৪ কিন্তু নারীদের জামাতে অংশগ্রহণের কোনো ব্যবস্থাই করা হয় না। যেখানে ব্যবস্থাপনা নেই সেখানে তো আর নারীরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। অংশগ্রহণ করলে হয়তো তাঁর পর্দা লঙ্ঘিত হবে অথবা কোনো কারণে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সালাত আদায়ের চেয়ে তাঁর ক্ষতিই বেশি হবে।