একটি মাসআলা সম্বন্ধে?
4 Answers
দেখুন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে এই সব কিছু ছিলনা তবে বলা হয়েছে মেয়েদের পর্দা করে চলতে হবে । অর্থাৎ মুখ মন্ডল দুই হাতের কব্জি ছাড়া অন্যকোন শরীরের অঙ্গ দেখা যেন না যায়। এই নিয়ম মেনে চললে কোনো সমস্যা নেই । তবে বলা হয়েছে মুখ মন্ডল না দেখানো উত্তম ।
এ সমস্ত জায়গায় ছবি আপলোড করা সম্পূর্ণ হারাম। কারণ এই যে, নামাজ, রোজা, হজ্ব, যাকাত ইসলামে যেমন ফরজ, পর্দা পালন করাও অনুরুপ একটি ফরজ বিধান। সুতরাং বিনা ওজরে পর্দা লঙ্গন হয় এ ধরণের সকল প্রকার কাজই হারাম। বেগানা মহিলাদেরকে দেখা যেমন নাজায়িজ তেমনি তাদের ছবি দেখাও নাজায়িজ, ফেসবুকের ছবি হোক অথবা অন্যকোন ছবি হোক সর্বাবস্থায় তাদের ছবি দেখা নাজায়েজ। ফটো বা ছবি দেখার দ্বারা পাপের পাশাপাশী তা রিদয় যন্ত্রনার কারণ হয়ে দাড়ায়। উপরন্তুু দেখা ও কল্পনার দ্বারা চোখের যিনার গুনাহ হতে থাকে। তাই মেয়েদের ছবি ফেসবুকে আপলোড করা, দেখা কোন মতেই জায়িজ নয়।
ফেসবুকে মেয়েদের ছবি আপলোড করলে যত বেগানা পুরুষ আপলোডকৃত ছবি দেখবে তাদের সকলের সমপরিমাণ গোনাহ আপলোডকারীর আমল নামায় যোগ হবে।
[প্রমাণ : ফাতাওয়ায়ে রাহীমিয়া-৪/১০৬, কিফায়াতুল মুফতী ৫/৩৮৮, হিদায়া ৪,/৪৫৮, মিশকাত ২ /২৮০, সুরা নূর ১৮ /৩০
জিনা করা হারাম, যেহেতু আল্লাহ তাআলা নিষেদ করেছেন। তাই কোনো বেগানা নর-নারীর ছবি দেখা,প্রকাশ্যে দেখা করা,কারাপ দৃষ্টিতে দৃষ্টি নিক্ষেপ করা হারাম।
বেগানা মহিলা দেখা হারাম। নিম্নোক্ত আয়াতের উদ্দেশ্য অবৈধ ও হারাম পন্থায় কাম প্রবৃত্তি চরিতাৰ্থ করা এবং তার সমস্ত ভূমিকাকে নিষিদ্ধ করা। তন্মধ্যে কাম প্রবৃত্তির প্রথম ও প্রারম্ভিক কারণ হচ্ছে দৃষ্টিপাত করা ও দেখা এবং সর্বশেষ পরিণতি হচ্ছে ব্যভিচার। এ দুইটিকে স্পষ্টতঃ উল্লেখ করে হারাম করে দেয়া হয়েছে। তাই, ❖ Facebook. ❖ WhatsApp. ❖ Instagram. ❖ imo. ❖ YouTube. ❖ Google (Online) ইত্যাদিতে মেয়েদের ছবি আপলোড করা ভিডিও দেখা বা আপলোড দেওয়া জায়েজ নেই। বেগানা মহিলার প্রতি তাকিয়ে দেখতে নিষেধ যে কারণে করা হয়েছে, সে কারণে তার ছবি দেখাতেও রয়েছে। তাছাড়া মহান আল্লাহ বলেছেন, বিশ্বাসীদেরকে বল, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের যৌন অঙ্গকে সাবধানে সংযত রাখে; এটিই তাদের জন্য অধিকতর পবিত্র। ওরা যা করে, নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে অবহিত। (আন নূরঃ ৩০) এ নির্দেশ জীবিত, মৃত মূর্তি বা ছবি সর্ব প্রকার মহিলা দেখার ব্যাপারে ব্যাপক। (ইবনে বায)।