2 Answers

হল শক্তির প্রাথমিকসূর্য উৎস। সূর্যের আলো থেকে পরিষ্কার, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মেলে। এই উৎস সব সময় অক্ষত থাকে অর্থাৎ সৌরশক্তি অনিঃশেষ। সারা দিন ধরে সূর্যের আলো পাওয়া যায়। কয়লা এবং গ্যাসস সব সময় ক্ষয় হতে থাকে। ফলে এই উৎস দু’টি পুনর্নবীকরণযোগ্য নয়। ফুরিয়ে গেলে এগুলি আর পাওয়া যায় না। মানুষ এখন পরিষ্কার, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিই বেশি ব্যবহার করতে চাইছে। যেমন, সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, ভূ-তাপশক্তি প্রভৃতি। এগুলিকে ‘সবুজ শক্তি’ বলা হয়। দিনের বেলা এই শক্তি আমরা বাড়ির কাজে ব্যবহার করতে পারি। এই শক্তি জামাকাপড় ও ফসল শুকনো করার কাজে ব্যবহৃত হয়। ঘর গরম রাখার ব্যাাপারেও এই শক্তিকে ব্যবহার করা যেতে পারে। এর সম্ভাবনা প্রচুর। সুবিধা এটি দীর্ঘস্থায়ী, প্রাকৃতিক উৎস থেকে নির্গত ও অবাধ। প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। পরিবেশ দূষণ করে না। কোনও গ্রিন হাউস গ্যা স নির্গত করে না। সূর্যের আলোয় আলোকিত স্থানে সৌরশক্তি বিকেন্দ্রীকৃত ভাবে উৎপাদন করা যায়। অর্থাৎ শক্তিক্ষেত্রে সমাজ স্বনির্ভর হতে পারে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হল রাজনীতি ও দামের তোয়াক্কা না করে এই শক্তির ব্যবহার সম্ভব। কয়লা বা প্রাকৃতিক তেলের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির ক্ষেত্রে যা অসম্ভব। সৌরশক্তি জীববৈচিত্র ও অরণ্যকে ধ্বংস করে না, বেশির ভাগ জীবাশ্ম জ্বালানি যা করে থাকে। অসুবিধা এটি ঋতু ও আবহাওয়ার উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। ফলে সব সময় ব্যবহার করা যায় না। এই শক্তি কার্যকর ভাবে ব্যবহার করতে চাইলে গোড়ায় বেশি বিনিয়োগ করতে হয়। রাতে সৌরশক্তি পাওয়া যায় না। তবে ব্যাাটারি ব্ািনঙ্কে শক্তি সঞ্চয় করে তা রাতে ব্যবহার করা যেতে পারে। সৌরশক্তি সঞ্চয় করে রাখার প্রযুক্তি এখনও সম্ভাবনাময় হয়ে ওঠেনি। সোলার প্যাঞনেলগুলি খুবই ভারী, বিশেষ করে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন চিরাচরিত সিলিকন মোড়কের সৌর ইউনিটগুলির ক্ষেত্রে এই অসুবিধা বেশ ভাল ভাবে বোঝা যায়। সৌরশক্তি কার্যকর ভাবে ব্যবহারের প্রযুক্তি সৌরশক্তি থেকে বিদ্যু

4320 views

বাস্তুতন্ত্রের জীবসমূহ যে শক্তি পায় মূলত উৎপাদক থেকে আসে। কিন্তু বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, উৎপাদকের খাদ্য তৈরিতে প্রধান ভূমিকা সূর্যের। সূর্যের আলোর উপস্থিতিতেই মূলত উদ্ভিদ গ্লুকোজ তৈরি করে। দেখা যাচ্ছে, শক্তি প্রথম সূর্য থেকেই আসে। তাই সূর্যকেই সকল শক্তির মূল উৎস বলা হয়।

4320 views

Related Questions