2 Answers
বিদেশে চিংড়ির রপ্তানি বাজার অনেক ভালো । এটা export করে আমরা অনেক বিদেশি মুদ্রা ইনকাম করতে পারি । আর দাম ও বেশি পাই । এজন্য একে সাদা সোনা বলা হয় ।
মূলত বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী অন্যতম প্রধান খাত বলা জানা যায়।বর্তমানে বাংলাদেশ চিংড়ি রপ্তানী করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে ।বস্তুত ধূসর, বাদামি, সাদা বা গোলাপি রঙের এই চিংড়িমাছ কে তাই সাদা সোনা নামে আখ্যায়িত করা হয়।সহজ ভাষায় দেশের চিংড়ি শিল্পের ব্যাপক উৎকর্ষের ফলে চিংড়িকে সাদা সোনা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।চিংড়ি চাষ বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতির একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্র। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক চাহিদা ও উচ্চ বাজারমূল্য বর্তমানে চিংড়িকে বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানী পণ্যে পরিনত করেছে। যে কারণে চিংড়িকে বলা হয়ে থাকে “সাদা সোনা”। সত্তর দশক থেকে শুরু করে নব্বই দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত দেশে চিংড়ি চাষের ক্রমবিকাশ পরিলক্ষিত হয়েছিল।