আমি আমার খালাতো বোন কে আমার জিবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসি, আমার খালাতো বোন আমার চেয়ে সাত মাসের বড়, আমি ওকে তান্ত্রিক কে দিয়ে পাচ বছরের জন্য বিয়ে আটকে রাখতে চাই, তারপর আমি ওকে বিয়ে করতে চাই, ভাই বিয়ে করার পর খাটি তওবা করলে কি মাফ হবে,
3172 views

4 Answers

তান্ত্রিক দিয়ে কাউকে বিয়ে করা যায়না। কিছু হয়তো সাময়িক চমক থাকে যেটা কুফরী কালাম এর প্রভাব তনে সেসব শুধুই মায়া যার কোন অস্তিত্ব বাস্তবে নেই তাই পরামর্শ দিবো এসব থেকে ফিরে আসুন আপনি যদি সত্যিই ভালবেসে থাকেন তবে পারিবারিক ভাবে বিয়ের প্রস্তাব দিন। আর মাফ এর কথা বললে এখানে মেয়েটার হক নষ্ট করা হবে আর আল্লাহ তায়ালা মানুষের হক নষ্ট করলে যার টা নষ্ট হয়েছে সে মাফ করা পর্যন্ত হ্মমা করেন না

3172 views

এইভাবে কাউকে বিয়ে করা ঠিক হবে না। কাউকে যাদু করে বিয়ে করতে হলে অবশ্যই তাকে কুফরি করতে হবে। আর কুফরি হলো ঈমানের বিপরীত। আর যে ব্যাক্তি কুফরি করবে তার ঠিকানা হবে যে চিরকাল জাহান্নাম। আর আপনি তাকে কুফরি করার পরে যে তাওবা করলে আল্লাহ ক্ষমা করে দিবেন এটা কি গ্যারেন্টি আছে? আর জেনে শুনে গুনাহ করলে আল্লাহ ক্ষমা করে না।

3172 views

এটা বাস্তব যে, জাদু করতে পারে। জাদুর মাধ্যমে কারো ক্ষতিও করতে পারে। জাদুর মাধ্যমে এ ধরনের কারো ক্ষতি করার কেউ যদি চেষ্টা করে, সেটা করাও সম্ভব; অসম্ভব নয়। জাদুর একটা প্রভাব স্বীকৃত। এটি আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কোরআনের মধ্যে বলেছেন। কিন্তু এর মাধ্যমে মানুষের তাকদিরের পরিবর্তন হয় না। এটি খেয়াল রাখতে হবে, এর মাধ্যমে তার তাকদিরের পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। এটি জাদু। এর মাধ্যমে মানুষের কিছু ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে। একমাত্র আল্লাহু রাব্বুল আলামিনের হুকুমেই তা সম্ভব।কার বিয়ে কার সাথে হবে,এটা আল্লাহ ফয়সালা৷ কারো তাকদির পরিবর্তন যাদু দিয়ে সম্ভব নয়৷ আপনি বৈধ পন্থায় সব চেষ্টা করুন,তাকদিরে থাকলে পাবেন,না হয় পাবেন না৷এটি একটি কুফরি কাজ,কখনো করতে যাবেন না৷ যদি করেও পেলেন, এখনি তাওবাহ করুন,খাঁটি মনে৷ বিয়ের পর নয়,কেননা আপনি কখনো শিউর না যে,আপনার কাজ হবে৷ আর আপনার নিঃশ্বাস এরও বিশ্বাস নেই৷ কুফরি মৃত্যু নিশ্চয় আপনার কাম্য নয়৷ আল্লাহ হেফাজত করুক৷ 

3172 views

জেনে শুনে বা না জেনে জাদু টোনা করলেও ঈমান হারা হতে হয়।কারণ এটা পুরোপুরি শয়তান এর আরাধনা হয়ে যায়।আল্লাহর ফয়সালার উপর ভরসা না করে শয়তান এর আশ্রয় নেওয়া ই কুফুরী।আর কুফুরী কারি আল্লাহর সাথে শিরক্কারি।এসব কুফুরী কালাম এর কাছে যাওয়া হলে আল্লাহর সাথে শিরক করা হয়।আল্লাহ সব কিছু ক্ষমা করতে পারেন।কিন্তু তার সাথে শিরক কখনো ক্ষমা করেন না।(বি দ্রঃ তিনি অত্যন্ত দয়ালু,কেউ না জেনে শিরক করলে এরপর খাটি তওবা করলে তিনি মাফ করলেও করতে পারেন।)সুতরাং জেনে শুনে শিরক করা থেকে বিরত থাকুন।আর কাউকে অত্যধিক ভালোবাসা ও এক প্রকার শিরক(যে ভালোবাসা আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।শিরক করতে বাধ্য করে সেই ভালোবাসা ও শিরক।এই ব্যাপারে হকপন্থী শায়খদের বিস্তারিত আলোচনা আছে।এরকম নিজের জীবনের চাইতে বেশি ভালোবাসা উচিত আল্লাহ আর তার হাবিবকে।)সুতরাং সাবধান।আল্লাহ আপনাকে সহ আমাদের সবাইকে খাটি দ্বীন পালনে সাহায্য করুক এটাই কাম্য।

3172 views

Related Questions