ফজর নামাজ সম্পর্কে?
4 Answers
না, তখন ফজরের নামাজ আদায় হবে না। তবে কাযা আদায় করতে পারেন। আল্লাহ মাফ করনেওয়ালা।
সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত ফজরের নামাজের সময়। সূর্যোদয়ের পরে ফজরের নামাজ পড়া যাবে না। সকাল ৭ টার আগে যেহেতু সূর্য উঠে যায় সেহেতু তখন নামাজ পড়লে নামাজ হবে না। তবে বিশেষ সমস্যার কারনে কাজা পড়া জাবে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল
ইচ্ছাকৃত ফজরের নামাযের সময় ঘুম থেকে না উঠে সকাল ৭ টায় ফজর নামায পড়লে তা আদায় হবে না। জনাব! ফজর শুরু হয় ভোরঃ ৩:৫৪ মিনিটে। এবং সুর্যদয়ঃ ৫:১৮ মিনিটে। আর ৭ টায় ফজর নামাযের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যায়। নামাযের সময় ঘুমিয়ে থাকলে বা ভুলে গেলে কি করতে হবে? আবূ কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক সফরে ছিলেন। তিনি একদিকে মনোনিবেশ করলেন এবং আমিও তার সাথে মনোনিবেশ করলাম। অতঃপর তিনি বলেনঃ লক্ষ্য কর। তখন আমি বলি এই একজন আরোহী, এই দুইজন আরোহী, এই তিনজন আরোহী এইরূপে আমরা গণনায় সাত পর্যন্ত পৌছাই। অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা আমাদের ফজরের নামাযের প্রতি দৃষ্টি রাখ। অতঃপর রাবী বলেন যে, তাদের কান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল (সকলে ঘুমিয়ে পড়েছিল) এবং রৌদ্রের তাপ গায়ে লাগার পূর্বে কেউই ঘুম হতে উঠতে পারেননি। ঘুম হতে বেলা উঠার পর জাগ্রত হয়ে তারা উক্ত স্হান ত্যাগ করে সামান্য দূর যাওয়ার পর অবতরণ করে অযু করেন। অতঃপরঃ বিলাল (রাঃ) আযান দেওয়ার পর তারা প্রথমে ফজরের দুই রাকাত সুন্নাত, অতঃপর দুই রাকাত ফরয নামায আদায় করে উক্ত স্থান ত্যাগ করেন। অতঃপর তারা পরস্পর বলাবলি করতে থাকেন, আমরা নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় না করে গুনাহ্গার হয়েছি। এতদ্শ্রবণে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ অনিচ্ছাকৃত ভাবে নির্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে কেউ যদি নামায কাযা করে তবে তা অন্যায় নহে। অবশ্য জাগ্রত থাকাবস্হায় ইচ্ছাকৃতভাবে নামায কাযা করলে অন্যায় হবে। অতএব তোমাদের কেউ যখন নামায আদায়ের কথা ভুলে যায় সে যেন স্মরণ হওয়া মাত্রই তা আদায় করে এবং পরবর্তী দিন উক্ত সময়ের নামাযটি তার নির্ধারিত সময়ে যেন আদায় করে। (সূনান আবু দাউদ, হাদিস নম্বরঃ ৪৩৭ হাদিসের মানঃ সহিহ)।