2 Answers

দেখুন,অতিরিক্ত স্নায়বিক উত্তেজনার কারণে অনেকসময় হাতে ঘাম হয়ে থাকে। আরও নানা কারণে হাত ঘেমে থাকে। যেমন পারকিনসন্স ডিজিজ, থাইরয়েডে সমস্যা, ডায়াবেটিস, জ্বর, শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা, মেনোপোজের পর প্রভৃতি। অনেক সময় শরীরে ভিটামিনের অভাব থাকলে হাত-পা অতিরিক্ত ঘামতে পারে। আবার মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও জেনেটিক কারণে হাত ঘামে। অতিরিক্ত গরমেও হাত ঘামার সমস্যাটি দেখা দিতে পারে। যদি অতিরিক্ত এবং সব সময় হাত ঘামে তাহলে ডাক্তার দেখাবেন।

2583 views Answered

হাত ও পা ঘামা একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু সেই ঘামার মাত্রা যদি অতিরিক্ত পরিমাণে হয় তাহলে অনেক সময় একটু বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। এ ধরনের সমস্যাকে বলা হয় হাইপার হাইড্রোসিস।


 হাত ও পা ঘামার প্রাথমিক কারণ হিসেবে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। তবে অতিরিক্ত স্নায়ুবিক উত্তেজনা, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, জেনেটিক কারণে হাত-পা ঘামে। এছাড়াও কিছু শারীরিক সমস্যা যেমন-পারকিনসন্স ডিজিজ, থাইরয়েডের সমস্যা, ডায়াবেটিস, জ্বর, শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা, মেনোপোজের পর ইত্যাদি কারণে হাত-পা ঘামতে পারে। 

হাত-পা কেন ঘামে তার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো বের করা যায়নি ।তবে বংশগতভাবে এ রোগ থাকা, শরীরের ভেতরের ভারসাম্যহীনতা, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা প্রভৃতি কারনে হাত-পা ঘামতে পারে


আগে চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সঠিক ডায়াগনসিস করে কারণ খুঁজতে হবে। পরে চিকিত্সা করতে হবে। 


এক্ষেত্রে করণীয়:


 সাধারণত অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করলে হাত পায়ের ঘামা কমে যায়। এছাড়াও আয়োনোফোরেসিস নামক বিশেষ থেরাপি নিলে হাত-পা ঘামা কমে যায়। এসব পদ্ধতি ছাড়াও বিশেষ ধরনের নার্ভের অস্ত্রোপচারের মাধ্যমেও হাত-পা ঘামা কমানো যায়। 

 এছাড়া সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে। এতে শরীরে তাপমাত্রা ঠিক থাকবে। ধূমপান, অ্যালকোহল ও ক্যাফেইন যতটা সম্ভব পরিহার করতে হবে। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। মানসিক চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে। পানি সমৃদ্ধ তাজা ফল ও শাক সবজি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে।


 তবে হাত-পায়ের ঘাম রোধে যাই করা হোক না কেন, এর আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

তথ্য সূত্র:এখানে >>>>


2583 views Answered

Related Questions

Next steps