হঠাৎ কোনো কারন ছারাই বিষন্নতায় ভূগি?
নামঃ ফয়সাল লিঙ্গঃপুরুষ
পেশাঃ চাকুরী &পড়াশুনা (চলমান) বয়সঃ ২৪
আমি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে গুরুত্বপূর্ণে পদে কাজ করছি আর পড়াশুনাও করছি।একজন মানুষের আমার বয়সে যা কিছু আশা করে আমি তার থেকেও অনেক ভাল আছি।পড়াশুনা,ক্য
3 Answers
আপনি নিজেকে কাজের মধ্যে ব্যস্ত রাখুন। সেইসাথে ৫ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন। বিষণ্ণতা কাটানোর জন্য রিলেশনশিপ করতে হবে একথার কোনো মানেই নেই। আপনি নিজেকে কাজের মধ্যে ব্যস্ত রাখুন এবং বেশিবেশি মানুষের সাথে মিশুন।আপনি মেডিটেশন করুন নিয়মিত। যখন বিষণ্ণতা কাজ করবে তখন ধর্মীয় বই পড়ুন এবং নিজের মনকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে ফেলুন।
যেহেতু আপনি সপ্তাহে প্রতিদিন ই ব্যস্ত সময় পার করেন সেহেতু ছুটির দিন মানে শুক্রবার একটু বিনোদন মূলক কিছু করুন। কোথাও ঘুরতে যান বা বন্ধুদের নিয়ে বাইক রাইড এ বার হন বা পরিবার এর সাথে মনার সময় কাটান তাহলে উক্ত সমস্যাটা কিছু টা হলেও কমবে। একটা মানুষ সব সময় ভাল থাকে না কিন্ত তাকে ভালো থাকার চেষ্টা করতে হয়। রিলেশন এ যাওয়ার আগে সেই ব্যাক্তির সাথে একটু কথা বলে নিবেন যার রিলেশন ব্রেকাপ হয়েছে। তাহলে আর কখনো রিলেশন করতে ইচ্ছা করবে না। রিলেশন যদি করতে চান তবে সৃষ্টি কর্তা ও নিজের পরিবার এর সাথে করুন সম্পর্ক মজবুত হবে সমস্যার ও সমাধান হবে।
আপনি কিছু উপায় মেনে চলুন:
- হাসি : এটা আমার মতে বিষণ্ণতা দূর করার অন্যতম উপায়। হাসিখুশি থাকুন, যত কষ্টই হোক। মানুষের জীবনে কষ্ট থাকবেই, এমন কাউকে পাবেন না, যার জীবনে কষ্ট নেই। কাজেই হাসুন, বিষণ্ণতাকে দূর হবে।
- অগোছালো পরিবেশ পরিহার করুন: যারা অগোছালো, তাদের এই বিষণ্ণতা বেশি হয়, সেটা হতে পারে কর্মক্ষেত্রে, হতে পারে নিজের বাসায়। তাই সব কিছু সাজানো- গোছানো রাখতে চেষ্টা করুন।
- গভীরভাবে শ্বাস নিন : এটা অনেকাংশে বিষণ্ণতা দূর করতে সক্ষম। ধীরভাবে দীর্ঘশ্বাস নিন, সব চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন।
- ধ্যান করুন : নিয়ম করে ধ্যান করলে বিষণ্ণতা কমে যায়। গবেষকরা বলেছেন যে, ধ্যান মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, চিন্তা দূর করে।
- খেলাধুলা করুন : কাজের ফাঁকে কিছু সময় বাচ্চাদের সাথে খেলতে পারেন, কিংবা আপনার পোষা প্রাণীর সাথে সময় কাটান, বিষণ্ণতা আপনার কাছে আসবেনা।
- ইতিবাচক চিন্তা করুন : সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করবেন, কখনও নেতিবাচক কিছুকে কাছে আসতে দিবেন না।
-
সামাজিক কর্মকাণ্ড বাড়ান : আমরা সামাজিক জীব, বেঁচে থাকতে হলে আমাদের সবার সাথে মিশতে হবে। যারা হাসিখুশি থাকেন, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেন, পরিবার নিয়ে ঘুরতে যান , তাতে বিষণ্ণতা কম হয়। তাহলে আর কোন বিষণ্ণতা নয়, শুরু হোক সুস্থ- স্বাভাবিক জীবন।