রাগ, অভিমান এবং ইমোশন এতো অস্বাভাবিক পর্যায়ে বৃদ্ধি পেয়েছে কেন?

নিজের বড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে তারপরও অভিমান কমে না,  জিবনের চলতি পথে অনেকের  সাথে ঝগড়া বিবাদ হতেই পারে কিন্তু বিষয় টা কেে ভুলে যেেতে পারিি না।ছোট খাটো বিষয়. খুব বড় মনে  হয়।
2618 views

2 Answers

প্রথমে মনে রাখবেন অতিরিক্ত কিছুই ভাল না। তেমনিভাবে অতিরিক্ত রাগ, অভিমান এবং ইমোশন আপনার অনেক ক্ষতি করতে পারে। অতিরিক্ত রাগ থেকে আমাদের মস্তিষ্কের সুক্ষ্ম নার্ভ গুলি বিক্ষিপ্ত হয়ে পরে ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।  আর অতিরিক্ত আবেগ ও অভিমানের ফলে আপনার মাঝে কাজ করবে একধরনের হতাশা যা আপনাকে জীবনে কখনোই ভাল কিছু করতে দিবে না।  ১.আপনি সব কিছুর বাস্তবতা মেনে নেয়ার চেষ্টা করবেন। ২.অতিরিক্ত ইমোশন ত্যাগ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হবেন,চেষ্টার মাধ্যমে আপনি অবশ্যই এটি কাটাতে পারবেন। ৩.আপনার সাথে যা ই হোক,তা মেনে নেয়ার চেষ্টা করুন। ৪.যেব্যাপারে আপনার খারাপ লাগছে সেই ব্যাপার থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিন। ৫. নিজেকে ব্যস্ত রাখুন যখন আপনার মাঝে রাগ অভিমান দেখা দিবে। ৬.আপনি যদি মানসিকভাবে স্থির থাকেন তাহলে মানসিক ভারসাম্যের বিপর্যয় ঘটবে না। ফলে আপনার রাগ,ইমোশন কমে যাবে। ৭.মেডিটেশন করতে পারেন।

2618 views Answered

বয়ঃসন্ধিকালে আবেগজনিত একটা পরিবর্তনের কারণে এরকম দেখা যায়। আপনি যদি টিনেজার হন তাহলে এটাকে স্বাভাবিক ধরে নিতে পারেন। ধীরে ধীরে নিজে চেষ্টা করলে বয়স বৃদ্ধির সাথে এটা চলে যাবে।  তবে আপনি যদি বয়ঃসন্ধিকাল পার করে আসা হন তাহলে এটা আপনাকে দুর্ভোগে ফেলবে। কারণ অতিরিক্ত আবেগ মানুষের জীবনের বড় একটা বাঁধা।  আমার ধারণামতে আপনার সাথে নইলে খুব ভালো নইলে খুব খারাপ কিছু ঘটেছে, যা আপনাকে প্রভাবিত করছে। যদি প্রকৃতপক্ষে এরকম কিছু ঘটে থাকে তাহলে সেই ঘটনাসংশ্লিষ্ট কিছুই আপনার আবেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।  নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারা অনেক বড় একটা ক্ষমতা কিন্তু এটি খুব সামান্য মানুষই পারে। আপনি যদি জিজের মাঝে এই গুণটির বিকাশ ঘটাতে চান অবশ্যই আপনাকে নিজের বিবেক নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। নিজেকে বোঝাটা কিন্তু অনেক কঠিন, নিজেকে বুঝতে হবে। প্রত্যেকটি ব্যাপারই আমাদের হাতে, আমরা যা করব তাই। সুতরাং কোনো কিছু নিয়ে বেশি না ভেবে যা হচ্ছে সেটাকে নিজের মনমতো করতে হবে।  আপনি পরিবারের সাথে বেশি সময় কাটান, বন্ধুবান্ধবদের সাথে আড্ডা দিন। তিন-চারদিনের ট্যুর দিয়ে আসতে পারেন। রোজা রাখুন, একসাথে ইফতার এবং সেহরি করুন। সবার সাথে গল্প করুন এবং উৎফুল্ল থাকুন। বইপড়া এবং গান শোনাটা কাউন্সিলর হিসেবে কাজ করে, এ দুটি করতে পারেন।  সর্বোপরি বেশি ভাববেন না, সব কিছুই আপনার নিয়ন্ত্রণে। 

2618 views Answered

Related Questions

Next steps