2 Answers
গোসল ফরজ হলে গোসল না করে নামায,তাওয়াফ,কুরআন তেলাওয়াত ও স্পর্শ করা এবং মসজিদে গমণ করা নিষেধ। এছাড়া জিকির-আযকার করা, দরুদ শরীফ পড়া, ওযীফা পড়া, বিভিন্ন দোয়া পড়া, ঘরের কাজ করা, পানাহার ইত্যকার কোনো কাজই নিষেধ নয়।
ফরজ গোসল না করেও খাওয়া দাওয়া করা যায়। যার উপর গোসল ফরজ হয়েছে তিনি গোসল না করেও খাওয়া দাওয়া করতে কোনো নিষেধ নেই। তবে এমতাবস্থায় আগে গোপনাঙ্গ ধুয়ে নেয়ার পর উভয় হাত ধুয়ে অজু করে পানাহার করাই উত্তম। এমনকি গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও গোসল না করেই সেহরি খাওয়া যাবে। তবে ফজরের ওয়াক্ত থাকতেই গোসল করে সময় মতো নামাজ আদায় করে নিতে হবে। সব সময়ই মনে রাখতে হবে, গোসল ফরজ হওয়া সত্ত্বেও বিনা ওজরে গোসল না করে অপবিত্র অবস্থায় এক ওয়াক্ত নামাজের সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়া মারাত্মক গোনাহ। পানাহারের প্রয়োজনে অপবিত্র ব্যক্তির ওযু করা প্রসঙ্গেঃ হুমায়দ ইবনু মাসআদাহ ও আমর ইবনু আলী (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাবাত অবস্থায় যখন আহার করতে অথবা নিদ্রা যেতে ইচ্ছা করতেন তখন তিনি অজু করতেন। আমর ইবনু আলী (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেছেন, সালাতের অজুর মত অজু। (সূনান নাসাঈ, হাদিস নম্বরঃ ২৫৫, ইবনে মাজাহঃ ৫৮৪, ৫৯১, আস-সহিহাহঃ ৩৯০ হাদিসের মানঃ সহিহ)। (এছাড়া আরো রেফারেন্সঃ সহীহ মুসলিমঃ ৩০৫ বুখারীঃ ১৮২৯, ১৯২৬, মুসলিমঃ ১১০৯)
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy