ট্যাটুর জন্য কি আমার কোন নামায কবুল হবেনা?
3 Answers
আপনি এই উল্কিটি মুছে ফেলুন । আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন । ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন।আশাকরি ইবাদতে ইনশাআল্লাহ কোনো সমস্যা হবে না। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করবেন।
♥♥বিসমিল্লাহির-রহমানির-রহীম ♥♥ এই বিষয়ে নবী (সা.)-এর একটি হাদিসে এসেছে, হজরত ইবনে উমার (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে নারী পরচুলা লাগিয়ে দেয় এবং যে পরচুলা লাগাতে বলে, আর যে নারী অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে উল্কি বা ট্যাটু আঁকে বা আঁকতে বলে তাদেরকে অভিশাপ করেছেন। (সহীহ বুখারী) এমন আরও একটি হাদিস মুসলিম শরীফে এসেছে যেটা হজরত আল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বর্ণনা করেছেন। এছাড়া স্বাভাবিক শারীরিক সৌন্দর্য নষ্ট করে শরীরে সৌন্দর্য সৃষ্টি করা ইসলামে নিষিদ্ধ। যেমন, অনেকে আলাদা চুল লাগায়, ভ্রু কেটে ফেলে কিংবা শরীরে ট্যাটু লাগায় ইত্যাদি সকল কাজই ইসলামে নিষিদ্ধ। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহপাক ইরশাদ করেছেন, আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি সর্বোত্তম কাঠামোয়। (সূরা-তীন, আয়াত-৪) পবিত্র কুরআনে আল্লাহপাক ইরশাদ করেছেন, যখন আল্লাহ ও তার রসূল কোনো বিষয়ের ফায়সালা দিয়ে দেন তখন কোনো মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীর সেই ব্যাপারে নিজে ফায়সালা করার কোনো অধিকার নেই। আর যে কেউ আল্লাহ ও তার রসূলের নাফরমানী করে সে সুস্পষ্ট গোমরাহীতে লিপ্ত হয়। (সূরা-আহযাব, আয়াত-৩৬) সুতরাং মানুষ হিসেবে আমাদের কর্তব্য হলো আল্লাহ ও তার রাসূলের (সা.) আদেশ পালন করা। আর আমাদের রাসূল (সা.) যেহেতু আমাদেরকে ট্যাটু লাগাতে নিষেধ করেন তাই আমাদেরকে অবশ্যই ট্যাটু লাগানো থেকে বিরত থাকতে হবে। আল্লাহ আমাদেরকে সকল প্রকার গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকার তৌফিক দান করুন। আমীন।
ট্যাটু নানা বিচিত্রের হয়ে থাকে। যদি আপনার ট্যাটু এ ধরনের হয় যে, তা ভেদ করে পানি আপনার চামড়ায় প্রবেশ করতে সক্ষম তাহলে আপনার ট্যাটু আাঁকার গুনাহ হলেও নামায হবে। আর যদি উক্ত ট্যাটু বেধ করে চামড়ায় পানি না পৌঁছে তাহলে আপনার শরীর (গোসল ফরয হয়ে থাকলে) নাপাক বলে গণ্য হবে। তবে হ্যাঁ, উক্ত ট্যাটু আঁকার পর ফরয গোসলের জুরুরত না হলে শরীর পবিত্র বলে গণ্য হবে। তবে হ্যাঁ, উজুতে ধুতে হয় এমন স্থানে ট্যাটুটি আঁকা হলে এবং পানি শরীর পর্যন্ত না পৌঁছাতে পারলে উক্ত ট্যাটু বিলিন না হওয়া পর্যন্ত আপনার শরীর নাপাক ধরা হবে। তাই আপনি যথা সম্ভব উক্ত ট্যাটু রিমোভ করেন। এবং এ ধরনের কাজ আর না করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করেন। আল্লাহ আপনাকে কবূল করুন। আমীন। ধন্যবাদ।