2 Answers

****২ জন****

5438 views Answered

সর্বনিম্ন দুইজন হলেই জামায়াত করে নামাজ আদায় করা যায়। তবে নামাজে মুক্তাদীর সংখ্যা হিসাবে ইমাম ও মুক্তাদীর দাড়ানোর নিয়ম পদ্ধতি বিভিন্ন রকম। ১। ইমামের সাথে মাত্র একজন মুক্তাদী 'পুরুষ বা শিশু' হলে উভয়ে একই সাথে সমানভাবে দাঁড়াবে। ইমাম বাঁয়ে এবং মুক্তাদী দাঁড়াবে ডানে। এ ক্ষেত্রে ইমাম একটু আগে এবং মুক্তাদী একটু পিছনে আগাপিছা হয়ে দাঁড়াবে না। দুইজন সালাত আদায় করলে মুক্তাদী ইমামের ডান পাশে সোজাসুজি দাঁড়াবে। ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আমার খালা মায়মুনা (রাঃ) এর ঘরে রাত কাটালাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার সালাত আদায় করে আসলেন এবং চার রাকআত সালাত আদায় করে শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর উঠে সালাতে দাঁড়ালেন। তখন আমিও তাঁর বামপাশে দাঁড়ালাম। তিনি আমাকে তাঁর ডানপাশে নিয়ে নিলেন এবং পাঁচ রাকআত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর আরও দুই রাকআত সালাত আদায় করে নিদ্রা গেলেন। এমনকি আমি তাঁর নাক ডাকার শব্দ শুনতে পেলাম। তারপর তিনি 'ফজরের' সালাতের জন্য বের হলেন। (সহীহ বুখারী হাদিস নম্বরঃ ৬৯৭ হাদিসের মানঃ সহিহ) নাফে বলেন, একদা আমি কোন নামাজে আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) এর পিছনে দাঁড়ালাম, আর আমি ছাড়া তাঁর সাথে অন্য কেউ ছিল না। তিনি আমাকে তাঁর হাত দ্বারা তাঁর পাশাপাশি বরাবর করে দাঁড় করালেন। (মালেক, মুয়াত্তাঃ ১৫৪) ২। মুক্তাদী দুইজন বা তার বেশী হলে ইমামের পশ্চাতে কাতার বাঁধবে। জাবের (রাঃ) বলেন, একদা মহানবী (সাঃ) মাগরিবের নামাজ পড়ার জন্য দাঁড়ালেন। এই সময় আমি এসে তাঁর বাম দিকে দাঁড়ালাম। তিনি আমার হাত ধরে ঘুরিয়ে তাঁর ডান দিকে দাঁড় করালেন। ইতিমধ্যে জাব্বার বিন সাখার (রাঃ) এলেন। তিনি তাঁর বাম দিকে দাঁড়িয়ে গেলেন। তিনি আমাদের উভয়ের হাত ধরে ধাক্কা দিয়ে তাঁর পশ্চাতে দাঁড় করিয়ে দিলেন। (মুসলিম, আবূ দাঊদ, মিশকাতঃ ১১০৭) অবশ্য মহানবী (সাঃ) এর সাধারণ সুন্নাহ হলো, লোক তিন জন হলে একজন সামনে ইমাম এবং দুই জনে পিছনে কাতার বাঁধা।

5438 views Answered

Related Questions

Next steps