আমি ইনস্টিটিউট হোস্টেল এ থাকি। সেখানে আমরা ১ রুমে ৬ জন থাকি। আমরা সবাই ই ফ্রেন্ডলি কিন্ত একটা মেয়ের ব্যাবহার ভিশন খারাপ লাগে আমার। সে রুমে আমাদের সাথে চলে,,আমাদের মত করে থাকে কিন্ত ক্লাস রুমে গেলে সে আমাদের চেনে না। মানে ক্লাস রুমে যাওয়ার পর সে কেমন জানি একটা হয়ে যায়। সব সময় সব কাজে সে মাথা ঘামাবে,,,,কোন প্রয়জনে যদি তাকে ডাকা হয় তাহলে সে এমন ভাব দেখাবে যে আমাদের চেনেই না এই বিষয় টা ভিশন খারাপ লাগে। 

আমি বরাবরই লেখা পড়াতে কাঁচা আমার রেজাল্ট  ও ভাল না কিন্ত সে লেখা পড়াতে অনেক ভাল তাঁর রেজাল্ট ও বেশ ভাল যে কারণে আমি তাঁর কাছে মানুষ ই না। সে মনে করে এটা।


মাঝে মাঝে অনেক কাঁন্না আসে।

ইচ্ছা করে চলে আসি লেখা পড়া বাদ দিয়ে।

কিন্ত পারি না।


বুঝতে পারছি না কিভাবে নিজেকে ওর সামনে উপযুক্ত করে গড়ে তুলব।

2808 views

2 Answers

অনেকগুলো ফ্যাকটরের মধ্যে দুটো বিষয় গুরুত্বপূর্ন। ছাত্রজীবনে কারও কাছে প্রিয় হতে গেলে দুটো জিনিসের দিকে গুরুত্ব দিতে হয়। পড়াশুনায় মনযোগী এবং স্বনির্ভরতা মানে আপনাকে প্রতিদিন নিজে নিজে নোট করে পড়তে হবে। নিজের নোটসহ শিক্ষকের নোট সংগ্রহে রাখতে হবে। এতে কেউ চাইলে আপনি সাহায্য করতে পারবেন। যেহেতু নিজে করছেন তাই সবাই আপনাকে গুরুত্ব দেবে। আর নিজের পড়াশোনা ভাল হবে। ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে গেয়ো যোগী ভিখ পায়না টাইপের। অর্থাৎ ছেলে-ছেলে মেয়ে-মেয়ে গুরুত্ব কম পায়। এক্ষেত্রে একটি কাজ করুন আপনার যে ব্যক্তিগত কথা গুলো গুরুত্বের নয় সেই রকম কিছু গল্প তার সাথে বলে সির্ধান্ত চান। মানুষের স্বভাব কারও বাস্তবতা শোনা ও উপদেশ দেয়া। দেখবেন সে ব্যক্তিগত গল্প শুনে ধীরে ধীরে নিজেও নিজের জীবনের কথা বলবে। আমরা জানি এসব কেউ কাউকে বলেনা,  একান্তই বিশ্বস্ত হলেই তবে। (তবে হ্যা যা একান্তই গুরুত্বের তা বলা থেকে বিরত থাকুন) দেখবেন সমস্যা কেটে যাচ্ছে।

2808 views

আপনি লেখাপড়ার মনযোগী হন।নিজের নোট ও বিদ্যালয়ের স্যার যা করায় তা নোট সংগ্রহ করে রাখবেন।আপনি কেউ চাইলে সাহায্য করতে পারেন।নিজের পড়াশোনা ভালো করতে হবে ক্লাসে উপস্হিত থাকতে হবে এত্রে রেজাল্ট ভালো হবে।

2808 views

Related Questions