2 Answers

মুসল্লিদের সংশোধন করে দেয়া ( সজোরে বলা)। 

2979 views

নামাজ ফাসিদ বা মাকরূহ হবে এমন কোন কাজ ইমাম যদি ভুলে করতে থাকে, তখন মুক্তাদী ইমামকে তাসবীহ বা তাকবীর বলে লুকমা দেয়া জরুরী। নামাজ আদায়কালে ইমাম ভূল করলে এ ব্যাপারে সতর্ক করতে হলে পুরুষ মুসল্লীরা তাসবীহ বলবে এবং মহিলা মুসল্লীরা হাততালি দিবে। আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন। পুরুষদের জন্য তাসবীহ এবং মহিলাদের জন্য তাসফীক তথা হাততালি। হারমালাহ তার বর্ণনায় আরো বলেছেন, ইবনু শিহাব বলেছেন, আমি কিছু সংখ্যক বিশেষজ্ঞ আলিমকে দেখেছি তারা তাসবীহ বলতেন এবং ইশারা করতেন। (সহীহ মুসলিম হাদিস নম্বরঃ ৮৪০ হাদিসের মানঃ সহিহ) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ পুরুষদের জন্য তাসবীহ এবং নারীদের জন্য হাততালি। (সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস নম্বরঃ ১০৩৪ হাদিসের মানঃ সহিহ) উক্ত বর্ণিত হাদীসে সালারত অবস্থায় 'ঈমামের ভূল হলে' পুরুষের জন্য সতর্ক করার বিষয় নির্ধারিত করা হয়েছে তাসবীহকে আর তাসবীহের মাঝে আল্লাহু আকবার, সুবহান আল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ সবই শামিল। তাই ইমাম কোন ভূল করলে তাকে যে কোন প্রকারের তাসবীহ বলে সতর্ক করা যায়। আল্লাহু আকবারও বলা যাবে, অন্য কোন তাসবীহও বলা যাবে। তবে স্বাভাবিকভাবে নামাজের মাঝে আল্লাহু আকবার বললেই যেহেতু ইমাম বুঝে নেয় যে, তার ভুল হয়েছে। এজন্য আল্লাহু আকবার বলতে পারেন। অন্য হাদিসে এসেছে কেউ যদি নামাজে কোন সন্দেহযুক্ত বস্তু দেখে তাহলে সে যেন তাসবীহ পাঠ করে। কেননা, যখন তাসবীহ পাঠ করা হয়, তখন সেদিকে মনোযোগ নিবিষ্ট হয়। আর হাতে তালি দেয়া তো মহিলাদের জন্য। (সহীহ বুখারী, হাদীসঃ৬৮৪, ৬৫২) ফরজ নামাজের প্রথম দুই রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়ার পর অন্য একটি সুরা মিলানো ওয়াজিব। যদি আপনি বা ইমাম ভূল করে ফরজ নামাজের প্রথম দুই রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়ার পর অন্য কোনো সুরা না পড়েন, তাহলে আপনাকে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে।

2979 views

Related Questions