3 Answers
অ্যাজমা বা হাঁপানি । দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ এবং সংবেদনশীলতায় স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় যাকে বলে হাঁপানি বা অ্যাজমা । যখন মানুষের লাংগস বা ফুসফুস যথেষ্ট পরিমাণ বাতাস টানতে পারে না, তখন শরীরে বাতাসের অভাব দেখা দেয়। আর এটাকেই আমরা এজমায় আক্রান্ত হওয়া বুঝি। যেসব কারণে হতে পারে এ রোগ: ১।ধুলোবালি, ২। ফুলের রেণু, ৩। পোকা মাকড়, ৪। ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রম, ৫। কিছু ওষুধ (যেমন এসপিরিন, বিটাব্লকার), ৬। আবেগ (দুঃখের, ভয়ের কিংবা আনন্দের কারণে হতে পারে), ৭। ধূমপান, ৮। পোষা প্রাণী। ৯। ঠাণ্ডা এবং ভাইরাস, ১০। পশু-পাখীর লোম ইত্যাদি
এজমা (Asthma) শব্দের অর্থ শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি রোগ। ঘন ঘন শ্বাস ত্যাগ ও গ্রহণ, শ্বাসপ্রশ্বাসের কষ্টজনিত রোগকে এজমা বলে। দূষিত বায়ুর কারণে এজমা, শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি রোগ হয়। সূত্রঃ বাংলা ইংরেজি ডিকশনারী।
দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ এবং সংবেদনশীলতায় স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় যাকে বলে হাঁপানি বা অ্যাজমা ।
বিশেষ কোনো পদার্থের প্রতি শ্বাসতন্ত্রের অতি সংবেদনশীলতা হলো হাঁপানির মূল কারণ। এটি হতে পারে ঠান্ডা হাওয়া, ধুলাবালু, সামান্য পরিশ্রম, জীবাণু, পোষা প্রাণীর লোম, ওষুধপত্র, এমনকি বাতাসে উড়তে থাকা ফুলের রেণু, তুলার কণা যেকোনো কিছু। এ ধরনের জিনিসের সংস্পর্শে এলে আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসতন্ত্রের পেশিগুলো সংকুচিত হয়ে যায়, নিঃসৃত হতে থাকে নানা রাসায়নিক। শ্বাসনালি সরু হয়ে আসে, শুরু হয় শ্বাসকষ্ট। যাঁদের পরিবারে হাঁপানির ইতিহাস আছে, অথবা নানা ধরনের অ্যালার্জি আছে, তাঁদের হাঁপানি হওয়ার ঝুঁকি বেশি।