2 Answers

আসলে আমাদের ঘুমের মাঝেই রয়েছে ৩টি পর্যায়। দুঃস্বপ্নের মুহূর্ত হল র‌্যাপিড আই মুভমেন্ট (REM)অর্থাৎ ঘুমন্ত পর্যায়ের শেষ তৃতীয়াংশ। প্রথম পর্যায় হলো স্লিপ অনসেট, দ্বিতীয় পর্যায় পড়ে লাইট স্লিপ, তারপর তৃতীয় এবং চতুর্থ পর্যায় নিয়ে হয় ডিপ স্লিপ বা র‌্যাপিড আই মুভমেন্ট স্টেজ। এই পর্যায়েই মূলত দুঃস্বপ্নগুলো দেখা হয়। শুধুমাত্র অধিক দুশ্চিন্তা থেকেই নয়, অধিক অসচেতনতা থেকেও দুঃস্বপ্নের উৎপত্তি ঘটে। জীবনের কোনো বিষয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললেও এমন দূঃস্বপ্ন ঘুরে ফিরে দেখতে পারেন।নেতিবাচক চিন্তার প্রভাবেও আমরা দূঃস্বপ্ন দেখি।

2814 views Answered

যেহেতু (ইসলাম) ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে 'স্বপ্নের ব‍্যাখ‍্যা' দেওয়া হয়, সেহেতু এই প্রশ্নে বা এই বিভাগে (ইসলাম) ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই স্বপ্নের ব‍্যাখ‍্যা দিতে হবে। মানুষ ২ ধরণের স্বপ্ন দেখে। ১। ভালো স্বপ্ন। ও ২। খারাপ স্বপ্ন। ভালো স্বপ্ন আল্লাহ দেখায় বা আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে। আর খারাপ স্বপ্ন শয়তান দেখায় বা শয়তানের পক্ষ থেকে আসে। ভালো স্বপ্ন দেখলে মানুষ ভয় পায় না, আনন্দিত হয়। আর খারাপ স্বপ্ন দেখলে মানুষ ভয় পায়, টেনশনের মধ‍্যে পড়ে যায়। তাই ভালো স্বপ্ন দেখলে 'আলহামদুলিল্লাহ্' বলে আল্লাহর প্রশংসা আদায় করতে হবে। আর খারাপ স্বপ্ন দেখলে 'আসতাগফিরুল্লাহ্' বলে আল্লাহর সাহায‍্য কামনা করতে হবে। নিয়মিত এশার নামাজ পড়ে আল্লাহর নাম নিয়ে ঘুমালে ও ঘুম থেকে আল্লাহর নাম নিয়ে ওঠে ফজর নামাজ আদায় করলে, শয়তান মানুষকে কখনো খারাপ স্বপ্ন বা ভয়ংকর স্বপ্ন দেখাতে পারে না। যে ব‍্যক্তি পরহেজগার বা সবসময় ভালো চিন্তা-ভাবনা করে, সে ঘুমের মধ‍্যে ভালো স্বপ্ন দেখতে পায়। আর যে ব‍্যক্তি সবসময় শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বা খারাপ চিন্তা-ভাবনা করে, সে ঘুমের মধ‍্যে খারাপ, ভয়ংকর বা আজে-বাজে স্বপ্ন দেখতে পায়। ধন‍্যবাদ।

2814 views Answered

Related Questions

Next steps