1 Answers
পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেনে-
আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে হায়েয (ঋতু) সম্পর্কে। বলে দাও, এটা অশুচি। কাজেই তোমরা হায়েয অবস্থায় স্ত্রীগমন থেকে বিরত থাক। তখন পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হবে না, যতক্ষণ না তারা পবিত্র হয়ে যায়। যখন উত্তম রূপে পরিশুদ্ধ হয়ে যাবে, তখন গমন কর তাদের কাছে, যেভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে হুকুম দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং অপবিত্রতা থেকে যারা বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন। -সূরা বাকারা, ২২২
অপর দিকে মহনবী সা. ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি কোন ঋতুমতী স্ত্রী (মাসিক অবস্থায়) সঙ্গম করে অথবা কোন স্ত্রীর মলদ্বারে সহবাস করে, অথবা কোন গনকের কাছে উপস্থিত হয়ে (সে যা বলে তা) বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি মুহাম্মাদ (সঃ) এর উপর অবতীর্ণ কুরআনের সাথে কুফরী করে।” (অর্থাৎ কুরআনকেই সে অবিশ্বাস অ অমান্য করে। কারণ, কুরআনে এক সব কুকর্মকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। -জামে তিরমিযী; হা. নং ১৩৫, সুনানে ইবনে মাযা; হা. নং ৬৩৯
উক্ত আয়াত ও হাদীসের আলোকে একথা নির্দিধায় বলা যায় যে, স্ত্রীর সাথে ঋতু অবস্থায় যৌন মিলন করা হারাম। সুতরাং তা কোনক্রমেই করা কোন মুসলমানের জন্য বৈধ হবে না। আর হাঁ, এজন্য কোন কাফফারা দিতে হবে না; তবে মহান আল্লাহ তাআলা ক্ষমা প্রার্থনার উপদেশ দিয়েছেন। তাই তাওবা করা উচিত।