2 Answers

নাহ্, পূণরায় আপনার বিসমিল্লাহ বলার প্রয়োজন নেই। আপনি পড়া শুরু করতে পারেন।

2638 views

কোন কাজ শুরু করার সময় বিসমিল্লাহ বলে শুরু করা। (বুখারীঃ ৫৩৭৬) অর্থাৎ যেকোন কাজ শুরু করার সময় প্রথমেই বিসমিল্লাহ বলে শুরু করতে হবে। কাজের মাঝে বিসমিল্লাহ বলার আর প্রয়োজন নেই। যদিও আবার পড়েন তাতেও কোন সমস্যা নেই। স্বাভাবিকের মধ্যে কোন ব্যতিক্রম দেখলে কিংবা আশ্চর্য ধরণের কোন কথা শুনলে সুবহানাল্লাহ বলা। (বুখারীঃ ৬২১৮) নেয়ামত পেয়ে শুকরিয়া আদায় করতে হয় আলহামদুলিল্লাহ বলে। আর সুবহানাল্লাহ এর অর্থ হচ্ছে- সকল পবিত্রতা আল্লাহর। অর্থাৎ সুবহনাল্লাহ বলতে হয়ঃ ❖ আল্লাহর মহিমা শুনে। ❖ সুন্দর ফল ও ফুল দেখে। ❖ দৃষ্টিপাত বৈধ এমন সুন্দর জিনিস দেখে। ❖ ভাল কথা শ্রবন করে। ❖ আশ্চার্যজনক কোন কথা শুনে ইত্যাদি ক্ষেত্রে বলতে হয় সুবহানাল্লাহ। জনাব! কুরআন তেলায়াত এর সময় আল্লাহর নেয়ামতের আয়াত পড়ে আয়াত শেষে যদি সুবহানাল্লাহ বলেন আবার বিসমিল্লাহ বলে তেলোয়াত আরম্ভ করতে হবে না। যদি শুরুতেই বিসমিল্লাহ বলে থাকেন। স্মরণ কর! যখন তোমাদের প্রতিপালক ঘোষণা করেন, যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর তাহলে আমি অবশ্যই তোমাদের জন্য 'আমার নিয়ামত' বৃদ্ধি করে দেব, আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও 'তবে জেনে রেখ, অকৃতজ্ঞদের জন্য' আমার শাস্তি অবশ্যই কঠিন। (সুরা ইবরাহিম আয়াতঃ ৭) অর্থাৎ আল্লাহ জানিয়ে দিলেন যদি তোমরা আমার নেয়ামত পেয়ে শুকরিয়া আদায় কর তাহলে আমার নেয়ামত ও কৃতজ্ঞাতর পুরস্কার আরো বাড়িয়ে দেব। আর যদি কুফরী কর তথা নেয়ামত অস্বীকার কর, দাবী কর এটা আমার যোগ্যতায় পেয়েছি, আমার বাপ-দাদাদের থেকে পেয়েছি, আল্লাহর নেয়ামত বলতে কিছু নেই, আমার প্রচেষ্টা বা বাপ-দাদা না থাকলে এসব হতো না তাহলে জেনে রেখ, আল্লাহর শাস্তি বড় কঠিন। তাই মানুষের উচিত নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা ও ভাল-মন্দ সর্বাবস্থায় আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করা।

2638 views

Related Questions