আমার ডানপায়ের বুড়ো আঙুলের নখের নিচে কিছুটা ফাকা। সেখানে ময়লা জমে, পরিষ্কার করলে ব্যথা কমে যায়। এ সমস্যা থেকে স্থায়ীভাবে উত্তোরণের উপায় কি? জানাবেন।
3046 views

3 Answers

বলে রাখা ভালো, কোন রোগের প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভালো ।।। আগে আপনি এটাকে প্রতিরোধ করুন------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------ নখকুনির ঘরোয়া প্রতিকারগুলো জেনে নেই আসুন। ------------------------------------------------------------------------------------ ১|উষ্ণ জলে ভিজানো উষ্ণ জলে কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখলে নখকুনির ব্যথা ও ফোলা কমে যায়। এজন্য একটি ছোট বোলে উষ্ণ গরম পানি নিন। এই পানিতে পা ডুবিয়ে বসে থাকুন ১৫-২০ মিনিট। দিনে ৩-৪ বার এটি করতে পারেন। -------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------2||নখের নীচে গজ দিয়ে রাখুন গরম জলে পা ডুবানোর পরে আক্রান্ত নখের নীচে তুলা বা গজ বা সুতির নরম কাপড় ঢুকিয়ে দিলে নখটি উপরের দিকে উঠে আসবে। উষ্ণ গরম পানিতে কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখার পরে ভালো করে পা মুছে নিন। তারপর ভোঁতা চিমটা দিয়ে আক্রান্ত নখটি সাবধানে উপরে উঠান এবং ত্বক ও নখের মাঝখানে সুতির কাপড়ের টুকরাটি ঢুকিয়ে দিন। ইনফেকশন প্রতিরোধের জন্য প্রতিবার পা ভেজানোর পরে কাপড়টি পরিবর্তন করে নিন। ------------------------- -----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------৩||| ইপসম লবণ ইপসম লবণের বৈজ্ঞানিক নাম ম্যাগনেসিয়াম সালফেট যা নখের অন্তরবৃদ্ধির চিকিৎসায় কার্যকরী। এটি আক্রান্ত নখের ত্বককে নরম হতে সাহায্য করে। যার ফলে মাংসের ভেতরে ঢুকে যাওয়া নখকে বের করা সহজ হয় এবং প্রদাহ ও কমে। এর জন্য উষ্ণ গরম পানিতে পূর্ণ একটি বোলে ১ টেবিলচামচ ইপসম লবণ মিশান। এই মিশ্রণে ২০ মিনিট পা ডুবিয়ে বসে থাকুন। তারপর মিশ্রণটি থেকে পা উঠিয়ে ভালো করে পা মুছে নিন। সপ্তাহে ৩/৪ বার এই প্রক্রিয়াটির পুনরাবৃত্তি করুন।_______,~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~এছাড়াও হাইড্রোজেন পারওক্সাইড, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান, লেবু, টি ট্রি ওয়েল, আপেল সাইডার ভিনেগার ও হলুদ ব্যবহার করা যায়। তবে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ করাই শ্রেয়। ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~তাই নখ সোজা ভাবে কাটুন, পায়ের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, বাহির থেকে আসার পর পা ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন, আরামদায়ক ও পায়ের মাপ মত জুতা পরুন, প্রতিদিন গোসলের সময় ঝামা পাথর দিয়ে পা ঘষুন যাতে পায়ের ত্বক শক্ত হয়ে না যায় এবং প্রতিদিন পরিষ্কার মোজা পড়ুন। . ,<><><><><><><><><><<><><><><<<<><><><{<{<><{<{<{<><{<><><><><><><><><><><><><><{<><{<{<><><{<><{<><><<{<>>= , সংগৃহীত ।।।><><>=>=<=>=<<=>>>><><><><>><>><>><><><{<{<{<{<{<{<><{<><><{<{<{<{><><><><}}}}}}}}]

3046 views

হাতে পায়ের নখের যত্ন নেয়ার সাথে সাথে নখকুনি সারানোর জন্য কিছু ঘরোয়া উপায় কাজে লাগাতে পারেন। দেখে নিন সেগুলো কি কি ও ঠিক কিভাবে আপনি সেগুলো ব্যবহার করবেন।
১. নারিকেল তেল
গোসল করার আগে বা রাতে শুতে যাওয়ার আগে আপনার হাতে ও পায়ের নখে ও তার চারপাশে ব্যথা হওয়া অংশে নারকেল তেল লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর হিমালয়া বা ওলে ফেস ওয়াশ দিয়ে ভালো করে আপনার হাত ও পায়ের নখ ও তার আশেপাশের অংশ ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনি আরাম পাবেন ও খুব তাড়াতাড়ি যন্ত্রণা সেরে যাবে।
২. অলিভ অয়েল
২ চা চামচ অলিভ অয়েল ও ২ চা চামচ পাতিলেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নখ ও তার আশপাশের অংশে হালকা করে ম্যাসাজ করুন। অলিভ অয়েল ঠাণ্ডা হয় তাই এটি খুব তাড়াতাড়ি যন্ত্রনায় আরাম দেয়। দিনে ৩ থেকে ৪ বার অলিভ অয়েল লাগালে আপনি ভালো ফল পাবেন|
৩. বেকিং সোডা
(ক) প্রথমে হালকা গরম জলে অল্প শ্যাম্পু মিশিয়ে হাত ও পায়ের নখ ধুয়ে নিন। একটি পরিষ্কার টাওয়াল দিয়ে হাত ও পায়ের পাতা ভালো করে মুছে নিন। এবার বেকিং সোডা ও জল মিশিয়ে পেস্ট মত বানিয়ে আপনার হাতে বা পায়ে যেখানে নখকুনি হয়েছে সেখানে লাগিয়ে রাখুন ১৫ থেকে ২০ মিনিট। এবার ঠাণ্ডা পানিতে পা ধুয়ে ফেলুন। এই পদ্ধতিতে দিনে ৩-৪ বার বেকিং সোডা ব্যবহার করলে আপনি আরাম পাবেন।
(খ) প্রথমে যেখানে নখকুনি হয়েছে সেই অংশটি পরিষ্কার করে টাওয়াল দিয়ে মুছে নিন। এবার ঠাণ্ডা পানিতে ২-৩ চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে সেই পানিতে পায়ের পাতা চুবিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট মত। এতেও আপনি আরাম পাবেন।
৪. অ্যাপল সিডার ভিনিগার
২ চামচ অ্যাপল সিডার ভিনিগার ও ২ চামচ পানি মিশিয়ে আপনার ব্যথা হওয়া অংশে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে শুকনো কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে নিন। প্রতিদিন ২-৩ বার ব্যবহার করুন যতদিন না নখকুনি পুরোপুরি সেরে যাচ্ছে।
৫. এপ্সাম লবণ
১ কাপ ভিনিগার, ১ কাপ এপ্সাম লবণ ও ৬ কাপ গরম পানি মিশিয়ে নিন। গরম ভাব কিছুটা কমে আসলে তাতে হাত বা পা যেখানে নখকুনি হয়েছে তা চুবিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। এরপর পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নিন। দিনে দুবার এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে আপনি খুব তাড়াতাড়ি আরাম পেয়ে যাবেন নখকুনি থেকে।
নখকুনি এদের মধ্যে যে কোনো একটি উপাদানের ব্যবহারে সহজেই সেরে যাবে। তবে অনেক সময় অতিরিক্ত বেশি ব্যথা বা ফুলে যাওয়া বিপদজনক হতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরী। তবে এই উপায়গুলি অবলম্বন যদি আপনি নিয়মিত ও সঠিক উপায়ে করেন সেক্ষেত্রে আপনি এই ধরনের সমস্যা খুব সহজেই এড়িয়ে চলতে পারবেন।

-সংগৃহীত

3046 views
আপনি নিম্নোক্ত কিছু কাজ করতে পারে
- 1. হাত বা পা উষ্ণ পানিতে শ্যাম্পু মিশিয়ে ভিজিয়ে রাখুন মিনিট দশেক।
- 2. রাত্রে ঘুমানোর আগে পায়ে ২ চা চামচ অলিভ অয়েল ও ২ চা চামচ পাতিলেবুর রস, পরিমাণমতো গোলাপ জল ভালো করে মিশিয়ে নখ ও তার আশপাশের অংশে হালকা করে ম্যাসাজ করুন
- 3. ময়দা ও পানি মিশিয়ে পেস্ট করুন এবং মিশিয়ে লাগিয়ে নিন এবং ১০-১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।
অতিরিক্ত বেশি ব্যথা বা ফুলে যাওয়া বিপদজনক হতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
3046 views

Related Questions