2 Answers
তিন ব্যক্তির নামাজ কবুল হয়না। হাদিসে বর্ণিত আছে, আবূ উমামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছে, তিন লোকের সলাত কবূল হয় না। প্রথম হলোঃ কোন মালিক-এর নিকট থেকে পলায়ন করা গোলাম যতক্ষণ তার মালিক-এর নিকট ফিরে না আসে। দ্বিতীয়ঃ ঐ মহিলা, যে তার স্বামীকে অসন্তুষ্ট রেখে রাত কাটাল। তৃতীয় হলোঃ ঐ ইমাম, যাকে তার জাতি অপছন্দ করে। (তিরমিযী, হাদীস নং ৩৬০)।
প্রথমেই বলি পবিত্রতা ছাড়া অর্থাৎ অপবিত্র ব্যক্তির নামাজ কবুল হয় না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তির হাদস হয় তার সালাত নামাজ কবুল হবে না, যতক্ষন না সে অজু করে। হাজরা-মাওতের এক ব্যাক্তি বলেন, হে আবূ হুরায়রা! হাদস কী? তিনি বলেন, নিঃশব্দে বা সশব্দে বায়ু বের হওয়া। (সহীহ বুখারী হাদিস নম্বরঃ ১৩৭ হাদিসের মানঃ সহিহ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন দাস পালিয়ে যায়, তখন তার নামাজ কবুল হয় না। (সহীহ মুসলিম হাদিস নম্বরঃ ১৩৪ হাদিসের মানঃ সহিহ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি গণকের নিকট এসে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করে, তার চল্লিশ দিনের নামাজ কবুল করা হয় না। (রিয়াযুস স্বা-লিহীন হাদিস নম্বরঃ ১৬৭৮ হাদিসের মানঃ সহিহ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মুআজ্জিনের আজান শুনে বিনা কারণে মসজিদে উপস্হিত হয়ে জামাআতে নামাজ আদায় করবে না তার অনত্র আদায়কৃত নামাজ আল্লাহর নিকটে কবুল হবে না। সাহাবীরা ওজর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যদি কেউ ভয়ভীতি ও অসুস্থতার কারণে জামাআতে হাজির হতে অক্ষম হয় তবে তার জন্য বাড়ীতে নামায পড়া দুষণীয় নয়। (ইবনু মাজাহ, সূনান আবু দাউদ হাদিস নম্বরঃ ৫৫১ হাদিসের মানঃ সহিহ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ হে মুসলিম দল! সে ব্যক্তির নামাজ হয় না, যে ব্যক্তি রুকূ ও সিজদাতে নিজ পিঠ সোজা করে না। (আহমাদ, মুসনাদ, ইবনে মাজাহ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ প্রাপ্ত বয়সী মহিলারা ওড়না ছাড়া নামাজ আদায় করলে তা আল্লাহর নিকটে কবুল হবে না। (সূনান আবু দাউদ হাদিস নম্বরঃ ৬৪১ হাদিসের মানঃ সহিহ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি মদ পান করে চল্লিশ ভোর পর্যন্ত তার নামাজ কবুল হয় না। সে তওবা করলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন। সে যদি পুনরায় তা পান করে তবে আল্লাহ তাআলা চল্লিশ ভোর পর্যন্ত তার নামাজ কবুল করবেন না। যদি তওবা করে আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন। আবার যদি সে তা পান করে তবে চল্লিশ ভোর পর্যন্ত তার নামাজ কবুল করবেন না। কিন্তু সে যদি তওবা করে তবে আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন। চতুর্থবার আবার সে যদি তা পান করে তবে চল্লিশ ভোর পর্যন্ত তার নামাজ কবুল করবেন না এবং তওবা করলেও আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন না। পরন্তু তাকে ‘নাহরে খাবাল’ থেকে পান করাবেন। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহ-কে বলা হল, হে আবূ আবদুর রহমান নাহরে খাবাল কি? তিনি বললেন, জাহান্নামীদের পূজের নহর। (সূনান তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৮৬৮ হাদিসের মানঃ হাসান)
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy