শয়তানের ওসাওয়াসা থেকে বাচতে চাই ?
1 Answers
দুইবার কেন যতই তওবা করেন আপনার তওবা কবুল হবেনা। যতক্ষন আল্লাহর নিকট বিশুদ্ধ তওবা না করেছেন।
উলামা সম্প্রদায়ের উক্তি এই যে, প্রত্যেক পাপ থেকে তওবা করা তা চিরতরে প্রত্যাবর্তন করা অবশ্য-কর্তব্য। তওবা কবুলের জন্য তিনটি শর্ত রয়েছে।
১। পাপ সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে।
২। পাপে লিপ্ত হওয়ার জন্য অনুতপ্ত ও লজ্জিত হতে হবে।
৩। ঐ পাপ আগামীতে দ্বিতীয়বার না করার দৃঢ় সঙ্কল্প করতে হবে। সুতরাং যদি এর মধ্যে একটি শর্তও লুপ্ত হয়, তাহলে সেই তওবা বিশুদ্ধ হবে না।
পাপ থেকে তওবাহ করা ওয়াজিব। আংশিক পাপ থেকে তওবাহ করলে সেই তওবাহ হকপন্থী আলেমগণের নিকট গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হবে এবং অবশিষ্ট পাপ রয়ে যাবে। তওবা ওয়াজিব হওয়ার ব্যাপারে কুরআন ও হাদীসে প্রচুর প্রমাণ রয়েছে এবং এ ব্যাপারে উম্মতের ঐকমত্যও বিদ্যমান।
আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ অর্থাৎ হে ঈমানদারগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তওবা প্রত্যাবর্তন কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। (সূরা নূরঃ ৩১)
অর্থাৎ তোমরা নিজেদের প্রতিপালকের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর, অতঃপর তার কাছে তওবা কর। (সূরা হূদঃ ৩)
তিনি আরো বলেছেনঃ হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তওবা কর বিশুদ্ধ তওবা। (সূরা তাহরীমঃ ৮)
গুপ্ত অভ্যাস হাত বা অন্য কিছুর মাধ্যমে বীর্যপাত, স্বমৈথুন বা হস্ত মৈথুন করা কিতাব, সুন্নাহ ও সুস্থ বিবেকের নির্দেশ মতে হারাম।
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। তবে নিজেদের পত্নি অথবা অধিকারভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে অন্যথা করলে তারা নিন্দনীয় হবে না। আর যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে তারাই সীমালঙ্ঘনকারী। (সূরা মুমিনূনঃ ৫-৭)
শয়তানের কুমন্ত্রনা হচ্ছে অন্যায় কাজের ওয়াদা করা, সত্যকে অস্বীকার করা এবং কল্যাণ অর্জন থেকে নিরাশ করা। সুতরাং তোমরা যখন অন্তরে ফিরিস্তার ইলহাম অনুভব কর তখন আল্লাহর প্রশংসা কর এবং আল্লাহর কাছে কল্যাণ কামনা কর।
আর যখন শয়তানের ওয়াসওয়াসা অনুভব কর তখন আল্লাহর কাছে শয়তানের কুমন্ত্রনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা কর এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর।
নাবী (সাঃ) বলেছেন যখন তুমি তার উপস্থিতি অনুভব করবে তখন আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর এবং তোমার বাম দিকে তিনবার থুথু নিক্ষেপ কর।
[নিয়মিত তা'বুজ পাঠ করুন]