4 Answers
মৃতের পরিবারে যদি জানাযার নামাজ পড়ানোর মত যোগ্য ব্যক্তি থাকে, তাহলে অবশ্যই পরিবারের যোগ্য ব্যক্তিটি জানাযার নামাজ পড়াবে। যোগ্য ব্যক্তি না থাকলে ইমাম সাহেব পড়াবেন।
নিঃসন্দেহে মৃতের সন্তান বা অভিভাবক বেশি হকদার কিন্তু তারা অক্ষমতা প্রকাশ করলে ইমাম পড়াবে।
মৃত ব্যাক্তির জানাযা পড়ানোর অধিক হকদার নেতা(যার অধিনে এলাকা পরিচালিত হয়) অতপর মৃতের অভিভাবক।অতপর ইমাম। যদি মৃতের অভিভাবক এবং নেতা ব্যতিত অন্য কেউ জানাযার নামায পড়ে।তাহলে মূতের অভিভাবক পূনরায় জানাযা নামায পড়তে পারবে।
জানাযায় ইমামতি করার অগ্রাধিকার বিষয়ে শরহুল বেকায়াতে এভাবে এসেছে। و الأحق بالإمامة السلطان ثم القاضى ثم أمام الحى ثم الولى على ترتيب العصبات অর্থ, (জানাযায়) ইমামতি করার বেশি অগ্রাধিকার পাবে বাদশা তার অনুপস্থিতিতে অগ্রাধিকার পাবে বিচারক তার অনুপস্থিতিতে অগ্রাধিকার পাবে গ্রামের ইমাম তার অনুপস্থিতিতে অগ্রাধিকার পাবে অভিভাবক আসাবাদের বন্টননীতি অনুযায়ী।১ম খন্ড পৃষ্ঠা নং ২০৭ এর পার্শ্ব টিকায় আছে, و الأحق يعنى أن الأحق بالإمامة فى صلاة الجنازة السلطان أن حضر لأنه قائم مقام النبى صلى الله عليه وسلم والنبى اولى بالمؤمنين من انفسهم بنص القرآن فإن لم يحضر فالقاضي لأنه صاحب ولاية عامة فإن لم يحضر فامام المحلة فى الصلوات الخمس و تقديمه على الولى مندوب بشرط أن يكون افضل من الولى و الا فالاولى هو الولى অর্থ, অর্থাৎ জানাযা নামাযে ইমামতি করার বেশি হকদার বাদশা যদি তিনি উপস্থিত হন। কারণ তিনি নবী আলাইহিস সালামের স্থলাভিষিক্ত আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমস্ত মুমিনের জিবনের চেয়ে উত্তম।একথা কুরআন দ্বারা প্রমাণিত। যদি তিনি অনুপস্থিত থাকেন তাহলে বিচারক অগ্রাধিকার পাবে, কারণ তার সাধারণ কর্তৃত্ব রয়েছে। যদি তিনিও অনুপস্থিত থাকেন মহল্লার মসজিদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ইমাম অগ্রাধিকার পাবে।এর পরে অভিভাবক।তবে অভিভাবকের উপর ইমামের অগ্রাধিকার মুস্তাহাব তবে শর্ত হল অভিভাবকের তুলনায় ইমাম উত্তম হওয়া।উত্তম না হলে অভিভাবকই অগ্রাধিকার পাবে। কানযুদ দাকায়িক কিতাবের পার্শ্ব টিকায় আছে। অর্থ, বাদশা থেকে উদ্দেশ্য হল এমন ব্যক্তি যার কর্তৃত্ব রয়েছে মানুষের উপর। পৃষ্ঠা নং ৫১ আরো দেখতে পারেন, ফতোয়ায়ে শামী ৩য় খন্ড পৃষ্ঠা নং ১১৯ কিতাবুল মাসায়েল ২য় খন্ড পৃষ্ঠা নং ৮২