10 Answers
দুই লোক এর মধ্যে কথা হচ্ছে:
১ম লোক :আপনার নাম কী?
২য় লোক : আনিস
১ম লোক: হাতে কী?
২য় লোক: ইলিশ।
১ম লোক: বাবার নাম কী?
২য় লোক: ফিনিস।
১ম লোক:ভাই আপনি একটা জিনিস।
(1) এরই মধ্যে রাস্তায় পোস্টার পড়ে গেছে’—হরমুজ ভাই গর্বের হাসি দিয়ে বললেন। আমরা সবাই হতভম্ব, ‘কিসের পোস্টার?’ —কিসের আবার, ভোটের? তোদের কথায়ই তো নমিনেশন পেপার সাবমিট করলাম। কাল থেকে তোদের পালা। বরাবরের মতো সেদিনও হরমুজ ভাইকে ফিট দিয়ে রেস্টুরেন্টে বসে এটা-ওটা সাঁটাতে সাঁটাতে আড্ডা দিচ্ছিলাম। হরমুজ ভাইয়ের কথায় যেন হিরোশিমার আণবিক বোমা পড়ল আমাদের মধ্যে। ছিটকে পড়লাম হরমুজ ভাইকে ঘিরে থাকা আমরা চারজন। মোটু রাকিব চুইংগাম চিবোচ্ছিল, কথাটা শুনে গালের একপাশে রাখতে গিয়ে গিলে ফেলেছে। হাবলু সেই যে পুরি খেতে হাঁ করেছে, সে হাঁ আর বন্ধ হচ্ছে না। আমার আলুপুরি চায়ের কাপে চুবাতে গিয়ে পানির গ্লাসে ডুবিয়ে দিয়েছি। সারাক্ষণ পটপট করতে থাকা রোগা পটকা নিজামের মুখে বিশাল ট্রাফিক জ্যাম। ঠোঁট পর্যন্ত নড়ছে না। আমাদের অবস্থা দেখে হরমুজ ভাই বলল, ‘কী রে, এ রকম করছিস কেন? তোরাই না বললি, নমিনেশন ফরম কেনা আপনার কাজ, আর জিতিয়ে আনা আমাদের কাজ। ’ ‘তা তো অবশ্যই’—বলে পানি দিয়ে ভেজানো পুরিটাই চাবাতে শুরু করে দিলাম। গোটা কয়েক কাশি দিয়ে চুইংগাম বের করার ব্যর্থ চেষ্টার পর মোটুও তাল মেলাল, ‘এটা কোনো ব্যাপারই না আমাদের কাছে। ’ ‘আপনি নিশ্চিন্তে থাকেন’—হাঁ বন্ধ করে হাবলু স্লোগান তুলল, ‘আসছে সবার সুখের দিন’—আমরা সঙ্গে সঙ্গে তাল মেলালাম, ‘হরমুজ ভাইকে ভোট দিন। ’ হরমুজ ভাই তাঁর বোয়াল মাছের মতো মাথাটা খুশিতে ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে একটা ডাবল ডিমের মোগলাই অর্ডার করলেন। হরমুজ ভাই চলে যাওয়ার পর মন-মেজাজ খারাপ করে চারজন শরীফের টং দোকানে মিটিংয়ে বসলাম। মোটু রাকিব বিস্কুটের কাচের বয়ামের দিকে লোভাতুর দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, ‘এটা কী হলো? হরমুজ ভাই বেকুব জানতাম, তাই বলে এত বড় বেকুব?’ চিকনা নিজামের দিকে তাকিয়ে বললাম, ‘দোস্ত তোর বুদ্ধি আর জাহাজ কোনোটাই ডোবে না। প্লিজ! একটা বুদ্ধি বের কর। ’ কথা বলল হাবলু, ‘এখানে বুদ্ধির কী আছে? হরমুজ ভাই ইলেকশনে দাঁড়িয়েছে, স্লোগান হবে, মিছিল হবে। চিল্লাতে চিল্লাতে মানুষের বাড়ি বাড়ি যাব, মানুষ ভোট দেবে। ’ মোটু তার বিশাল থাবা হাবলুর ঘাড়ে বসিয়ে দিল, ‘তুই যে হাবলু, সারা জীবন হাবাই থাকবি। এটা তো সবাই করবে, তাতে মানুষ কেন হরমুজ ভাইকে ভোট দেবে? তা ছাড়া হরমুজ ভাই তো এলাকায় এমন কোনো অবদানও রাখেনি, যে তার কথা শুনে মানুষ ভোট দেবে? তবে আমরা তো জানি, তাঁর অবদান। আমাদের পেটের ৬০ শতাংশ খাবারই তো এই মানুষটার অবদান, তাঁর জন্য কিছু করা আমাদের কর্তব্য। ’ চিকনা নিজাম এবার কেশে উঠল, ‘তোরা একটু থামবি! আমার মাথায় একটা বুদ্ধি আসছে আসছে করছে। ’ এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে ওর জন্য বেশি আদা দেওয়া এককাপ রংচা অর্ডার করে ঘিরে বসলাম। আমাদের ক্রাইসিস মোমেন্টে যেকোনো চমক দেখানো বুদ্ধি ও-ই দেয়। ওর মাথায় বুদ্ধি আসছে আসছে করা অবস্থায় যদি এককাপ রংচা হাতে ধরিয়ে দেওয়া যায়, বুদ্ধিতে চমৎকার রং আসে। নিজাম চায়ে চুমুক দিতে দিতে বুদ্ধি উগড়াতে শুরু করল, ‘আমরা শেষ রাতে বের হব হরমুজ ভাইকে নিয়ে। ’ ‘শেষ রাতে ক্যান? চুরি করতে বাইর হমু নাকি?’ হাবলুর প্রশ্নে প্রচণ্ড বিরক্ত নিজাম ধমকে ওঠে, ‘আরে বাবা আমাকে কথা তো শেষ করতে দিবি। শেষ রাতে মানে ভোরের সময়। ওই সময়ে ঘুম থেকে উঠে মানুষের মন থাকে সবচেয়ে ভালো। একটা পবিত্র ভাব থাকে যে সময়। তা ছাড়া দিনের শুরুতে কোনো মানুষ মিথ্যা কথা বলে না। প্রতিশ্রুতি দিলে তা রাখার চেষ্টাও করে। ’ ‘কিন্তু সাতসকালে যদি আমরা স্ল্লোগান তুলি, মানুষ খেপে গিয়ে মারতে চলে আসবে না তো?’ হাবলুর এ প্রশ্নে আমাদের সবাইকে ওপরে-নিচে মাথা নাড়াতে দেখে নিজাম আর হাবলুকে বকা দেওয়ার সাহস না করে ভাবতে বসে গেল। হঠাৎ আর্কিমিডিস স্টাইলে দাঁড়িয়ে চিকনা বলে উঠল, ‘পেয়ে গেছি, আমরা যদি স্লোগানটাকেই কাজে লাগাই, তাহলেই তো হয়ে যায়। ’ আমাদের ঠোঁট উলটানো দেখে আবার বলা শুরু করল, ‘বুঝলি না তো? স্লোগান মানে কী? স্লো গান—মানে আস্তে আস্তে গান। আমরা যদি স্লোগানটাকে গানের সুরে গেয়ে যাই, তাহলেই তো হয়। ’ চিকনার অভিনব বুদ্ধিতে আমরা মুগ্ধ হয়ে সঙ্গে সঙ্গে সংসদে পাস করে দিলাম। ঠিক হলো আগামীকাল বিকেলের মধ্যেই স্ল্লোগান বানানোর ওস্তাদ কারিগর হাবলু স্লো গান নিয়ে হাজির হবে। বিকেলে রেস্টুরেন্টে বসে পুরো প্ল্যান শুনে হরমুজ ভাই আনন্দে কেঁদেই দিলেন। নান আর চিকেন গ্রিল আসতে আসতে এই প্ল্যানের নাম দিয়ে দিলেন ‘সাইকোলজিক্যাল এটাক প্ল্যান’। সবার সামনে যার সাংকেতিক নাম হবে প্ল্যান-এ। চিকেন গ্রিল শেষ করে কোল্ড ড্রিংসের গ্লাসে চুমুক দিতে দিতে সবাই মিলে ঠিক করে ফেললাম, আগামীকাল সকালেই শুরু হবে প্ল্যান-এ। অন্ধকার যখন আস্তে আস্তে ফর্সা হওয়া শুরু করেছে, ঠিক তখন তিন রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে আমরা পাঁচজন। সবার হাতে স্লো গানের একটা করে কাগজ। হাবলুর সঙ্গে সঙ্গে আমরাও গলা মেলালাম— ‘শোনেন শোনেন সর্বজন, শোনেন দিয়া মন হরমুজ ভাইয়ের গুণের কথা করিব বর্ণন। সত্মানুষ, ভালো ছেলে আমাদের হরমুজ ভাই চুরি, ডাকাতি বন্ধ করতে তাঁকে সবার চাই...’ এইটুকু গাইতে না গাইতেই পাড়ার সব নেড়ি কুকুর কোথা থেকে ছুটে এলো কে জানে! তার সঙ্গে সঙ্গে নাইটগার্ডের মুহুর্মুহু বাঁশি। একটু পরেই শোনা গেল চোর, চোর, ডাকাত, ডাকাত বলে চিৎকার। হাবলু বলল, ‘কী রে আওয়াজটা এদিকেই ধেয়ে আসছে না?’ হরমুজ ভাই তরমুজের মতো গড়াতে গড়াতে বলল, ‘আরে গাধার দল ভাগ। প্রাণে বাঁচলে প্ল্যান-বি নিয়ে ভাবা যাবে। ’ (2) একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস ও কমেন্ট- তিন্নি: শ্রাবণের অঝোর ধারা বৃষ্টিতে তোকে মনে করি, ভাদ্রের ঠা ঠা রোদ্রেও তোকে ভুলি না.... রুবি: আর কান্দিস না দোস্ত, এইবার তোর ছাতাটা ফেরত দিয়া যামুই যামু... (৩) মন্টুর মা: তোমার সঙ্গে আর কথা বলবো না! মন্টুর বাপ: ঠিক আছে, তাই সই! মন্টুর মা: কারণ জানতে চাইলে না! কেন আমি এমন সিদ্ধান্ত নিলাম? মন্টুর বাপ: নারীদের সিদ্ধান্তকেও সম্মান দিতে হয়! আমি তোমার সিদ্ধান্তকে সম্মান করছি। মন্টুর মা: তোমার মতো বিখাউজ আর একটাও নাই... (৪) যখন আপনার স্ত্রী আপনাকে এসে বলবে, আমার ভুলগুলো শুধরে দিও যদি তোমার নজরে পড়ে...এর জবাবে মুচকি হেসে শুধু সম্মতি জানান। খবরদার, বাহাদুরি দেখিয়ে তাকে শোধরানো শুরু করবেন না। মনে রাখবেন, এটা আপনার বউয়ের একটা ফাঁদ- মন্টুর বাপের উপদেশ (৫) এটি একটি ইংরেজদেশীয় গল্প। মহল্লার গির্জার সামনেই একটি মদের দোকান খোলা হলো। গির্জা কর্তৃপক্ষ খুব হতাশ হলো এমন ঘটনায়। তবে সৌজন্য আর ভদ্রতার খাতিরে কিছু বললো না। কিন্তু দুঃখজনক ঘটনা হলো অল্পদিনেই মদের দোকান জমে গেল। ক্রমশ বাড়তে থাকলো মাতালদের আনাগোনা। গির্জার লোকজন তবুও মুখ ফুটে কিছু বললো না। তবে এবার তারা সিদ্ধান্ত নিল, প্রতিদিনের প্রার্থনায় শুরিখানাটি যাতে ধ্বংস হয়, বন্ধ হয়ে যায়- তার প্রার্থনা করে যাবে সবাই। তো একদিন দেখা গেল সত্যি সত্যি আগুন লেগে মদের দোকানটি ভষ্মিভূত হয়ে গেল। গির্জার লোকজন খুশি হলো। মদের দোকানদার কিভাবে জানি জেনে গেল যে গির্জায় প্রতিদিন তার মদের দোকান ধ্বংসের প্রার্থনা করা হতো। সে গিয়ে মামলা ঠুঁকে দিল গির্জার বিরুদ্ধে। আদালতে বিচার শুরু হলো। কাঠগড়ায় একদিকে গির্জার প্রধান পাদ্রি আর অপরদিকে মদওয়ালা। বিচারক: ফাদার, মদওয়ালা বলছেন যে আপনাদের প্রার্থণার কারণে ঈশ্বর তার দোকান পুড়িয়ে দিয়েছেন! এটা কি সত্য? ফাদার: কোনো কালেই না, মান্যবর। ফাদারের জবাবে বিচারক হতাশ কণ্ঠে বললেন- তার মানে মদওয়ালার ঈশ্বরে যতটুকু বিশ্বাস আছে আপনাদের দেখছি তাও নেই..
একদা এক লোক অফিস যাচ্ছিল। (গাড়ি করে) অন্যদিকে একটি গাড়ি লোকটির গাড়িকে ধাক্কা মারল। পরের দিন লোকটি বাড়ি থেকে বের হতে চাইল না। বউ বলল বাড়ি থেকে বের হচ্ছ না কে? লোকটি বলল জানো না গাড়ির পিছনে কি লিখা ছিল? বউ বলল কী লেখা ছিল? লোক- আবার দেখা হবে। তাই যেতে ভয় হচ্ছে।
স্ত্রীর ছোঁয়ায় মাথা ব্যথা দূর মধু: কি ব্যাপার জদু, আজ চুপচাপ? জদু: হেই দুপুর থেকে মাথাটা ধইরা রইসে। মধু: বাম লাগিয়েছেন? জদু: হ, বাম লাগাইছি, ওষুধও খাইছি, মাথা ধুইয়া দেখছি, নাকে পানি টাইনা দেখছি। কিছুতেই কিছু হইতাছে না। মধু: আমারও একবার এই রকম মাথা যন্ত্রণা হচ্ছিল। কিছুতেই কমে না। শেষে বউয়ের কোলে মাথা রেখে শুলাম। বউ মিনিট পনেরো চুলে বিলি কেটে, শাড়ির আঁচলের বাতাস দিতেই সব যন্ত্রণা দূর হয়ে গেল। জদু: কন কি, তাই নাকি? মধু: তবে আর বলি কি? একেবারে ম্যাজিক। জদু: তা কখন গেলে আপনার বউরে বাড়িতে পাওয়া যাইব?
→ছেলে বড় হয়ে কী হবে? বল্টুর বাবাঃ- মাষ্টার সাহেব, আপনার কী মনে হয়, আমার ছেলে বড় হয়ে কী হবে? মাষ্টারঃ- মনে হয় মহাকাশচারী হবে? বল্টুর বাবাঃ- কেন? এত কিছু থাকতে ও মহাকাশচারী হতে যাবে কেন? মাষ্টারঃ বারবার বুঝিয়ে দেওয়ার পরও যখন পড়া জিজ্ঞেস করি, তখন দেখলে মনে হয় ও যেন আকাশ থেকে পড়ল। →শিক্ষক : মালয়েশিয়ার রাজধানী কোথায় বলতে পার? ছাত্র : কুয়ালালামপুর স্যার। শিক্ষক : অহ্ বেশি কথা বল না। আমি জানতে চাচ্ছি তুমি জান কি না। হ্যাঁ অথবা না। →মাসুদ : স্যার, আপনি আমাকে নিমাই বলে ডাকেন কেন? শিক্ষক : তুমি আমাকে প্রতিদিন নিমপাতা এনে দাও তাই। মাসুদ : তাহলে কাল থেকে আমি আপনাকে জামপাতা এনে দেব!
গোটা:ওই মোটা তুই ই যদি এত মোটা হোস ,তাহলে তোর দাদা কত মোটা ছিল? মোটা:আমার দাদা এত মোটা ছিল যে লুঙ্গি পড়লে গিট দিতে হয়নি,এমনিতেই আটকে থাকত।আর পরে এত চিকন হয়েছিল যে বাতাস আসলে তাকে খুজতে বেড়োতে হতো।
শ্বশুরবাড়িতে নতুন বউকে শাশুড়ি বলছে - । *শাশুড়ি: আজ থেকে তুমি আমার মেয়ে । এখন থেকে তুমি আমাকে মা বলে ডাকবে । *বউ: ঠিক আছে মা । - সারাদিন কাজ শেষে স্বামী বাসায় এসে কলিং বেল বাজানোর পর । - *শাশুড়ি: কে এসেছে ? *বউ: মা, ভাইয়া আসছে !
বাবা ছোটনকে ইংরেজী পড়াচ্ছেঃ মাই হেড মানে আমার মাথা।ছোটনঃ মাই হেড মানে বাবার মাথা।মাঃ আরে ধুর, মাই হেড মানে আমার মাথা।ছোটনঃ মাই হেড মানে মায়ের মাথা।ভাইয়াঃ কী যাতা বলছিস, মাই হেড মানে আমার মাথা।ছোটনঃ বুঝেছি।মাই হেড মানে পুরো গোষ্ঠির মাথা।
একটা ছাত্র পরীক্ষার আগের দিন টস করছে আর বলছে,যদি হেড পরে তাহলে আরামসে ঘুমাব।যদি টেল পড়ে তাহলে গেম খেলব।যদি খাড়া দাড়িয় থাকে তাহলে টিভি দেখব।আর যদি, সেটা নিচেই না পলে আল্লাহর কসম করে বলছি সারা রাত পড়ব।
আজ কাল মোবাইল টিপতে টিপতে এমন হইছে, পরীক্ষার সময় ক্যালকুলেটরেও ব্রাইটনেস খুঁজি।
কীচু খীচু মাণুশ বিষ্নয়ে অত বাণাম বুঁল কড়ে যে দেকলে ড়াগ দরে জায়।বুঁযিনা তাদের খেন ব্র্ল্ক করা অয় ণা।
পরীক্ষার আগের ফলাফলের আগের দিন ছাত্রদের মোনাজাতঃইয়া আল্লাহ,পরীক্ষার ফলাফলের আগে এই স্কুল তুমি ভেঙে ফেল।আমিন।
আমেরিকানরা:EXCUESE ME PLEASE আর বাঙালিরাঃএটা কী তোর বাপের রাস্তা?সাইড দে।
আমেরিকানরা:HOW CUTE DOG! আর বাঙালিরাঃকুত্তাটা এখনও যায়নি।ঢিল মার।
পল্টুঃ(বরিশালে গিয়ে)আচ্ছা এটাই কী বলিশাল? বল্টুঃজ্বী না।এটা ২০১৮ সাল।
ছাত্রঃ স্যার!একটা কথা বলব? শিক্ষকঃ বল । ছাত্রঃ স্যার সরম করে। শিক্ষকঃ আরে সরম কিসের। ছাত্রঃ স্যার,আপনার সরম করে না ? শিক্ষকঃ আমার সরম কিসের?আমার সরম করে না। ছাত্রঃ মারবেন নাতো? শিক্ষকঃ মারব কেন রে?বল। ছাত্রঃ জোরে বলব না আস্তে।শিক্ষকঃআরে জোরেই বল! ছাত্রঃ(চিৎকার করে). . স্যার আপনার প্যান্ট ছিরা দেখা যাচ্ছে. . . . .। শিক্ষকঃ হারামজাদা !!
বল্টু: আমাকে এখানে ধরে আনা হয়েছে কেন ?
পুলিশ: জোয়া খেলার জন্য ।
বল্টু:ওহ ! তাহলে আসেন খেলি !
ভিখারি: আমি অন্ধ । আমাকে সাহায্য করুন ।
পথচারী:আপনি যে অন্ধ তা কিভাবে বুঝব ?
ভিখাড়ি: ঐ যে একটি গাড়ি দেখছেন তা আমি দেখতে পাচ্ছিনা ।
?Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy