2 Answers
(১) ডাক্তার একদিন পাগলা গারদের এক ডাক্তার তিন পাগলের উন্নতি দেখার জন্য পরীক্ষা নিচ্ছিলেন। পরীক্ষায় পাস করতে পারলে মুক্তি, আর না করলে আরো দুই বছরের জন্য আটকানো হবে। ডাক্তার তিনজনকে সাথে নিয়ে একটা পানিশূন্য সুইমিং পুলের সামনে গিয়ে ঝাঁপ দিতে বললেন। প্রথম পাগল সাথে সাথেই ঝাঁপ দিয়ে পা ভেঙ্গে ফেলল। দ্বিতীয় পাগলটিও ডাক্তারের কথা মতো ঝাঁপ দিয়ে হাত ভেঙ্গে ফেলল। কিন্তু তৃতীয় পাগলটি কোনোমতেই ঝাঁপ দিতে রাজি হলো না। ডাক্তার আনন্দে চিৎকার করে উঠে বললেন, আরে, তুমি তো পুরোপুরি সুস্থ। তোমাকে মুক্ত করে দেব আজই। আচ্ছা বলো তো তুমি কেন ঝাঁপ দিলে না? জবাবে সে বললো, ‘আমি তো সাঁতার জানি না’। (২) ছাত্র স্যার ক্লাশে সবাইকে ক্রিকেট ম্যাচ নিয়ে রচনা লিখতে দিয়েছেন। সবাই মন দিয়ে লিখে চলছে। ৩-৪ মিনিট পরেই স্যার হঠাৎ দেখেন রন্টি জানালা দিয়ে উদাস নয়নে বাইরের মাঠের দিকে তাকিয়ে আছেন। স্যার রন্টিকে ঝাড়ি দিয়ে জানতে চাইলেন, ‘এই তুমি লিখছো না কেন?’ রন্টি: স্যার আমার লেখা হয়ে গেছে! স্যার: মানে? কই তোমার খাতা দেখি? রন্টি স্যারকে খাতা এগিয়ে দিলেন, স্যার দেখলেন খাতায় লেখা রয়েছে ‘বৃষ্টির কারনে ম্যাচ পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হলো।’ (৩) শুধু একটা ভুল বাবা: খোকা, পরীক্ষা কেমন দিলি? ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে। বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে? ছেলে: না, বাকি গুলোতো লিখতেই পারিনি। (৪)শ্রদ্ধা শিক্ষকঃ বলো তো জহির, শিক্ষকদের স্থান কোথায়? জহিরঃ কেনো স্যার, আমার পেছনে। শিক্ষক (রেগে গিয়েঃ শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করতে শেখোনি। তোমার কিছু হবে না! জহিরঃ কেনো স্যার, আমার বাবা তো প্রায়ই বলেন, তোর পেছনে অতো মাস্টার লাগালাম, তবু তুই পাশ করতে পারলি না? (৫) গরু স্যার ছাত্রকে প্রশ্ন করছে। স্যারঃ মিঠু, বলতো গরু আমাদের কি দেয়? মিঠুঃ গরু? গরু আমাদের গুঁতো দেয় স্যার!! (৬) ইচ্ছাপূরণ প্রথম বন্ধুঃ আমার জীবনে একটা ইচ্ছাও পূরণ হল না। তোর কোন ইচ্ছা পূরণ হয়েছে? দ্বিতীয় বন্ধুঃ হ্যা হয়েছে, ছোটবেলায় স্যারের হাতে চুল টানা খেতে খেতে ভাবতাম চুলগুলো না থাকলেই বুঝি ভালো হত। এখন দেখ, মাথায় একটাও চুল নেই। (৭)বুদ্ধিমান ছাত্র একদিন ক্লাসে শিক্ষক তার সোনার আংটিটা একটা গ্লাসের পানিতে ডুবিয়ে ছাত্রকে প্রশ্ন করলেন। শিক্ষকঃ বল তো, এই আংটিটাতে মরিচা ধরবে কি না? ছাত্রঃ ধরবে না স্যার। শিক্ষকঃ গুড, ভেরি গুড। আচ্ছা বলতো, কেন ধরবে না? ছাত্রঃ স্যার, আপনি জ্ঞানী লোক। যদি পানিতে রাখলে মরিচা ধরতো, আপনি কখনই আপনার সোনার আংটি পানিতে রাখতেন না। (৮)গানভক্ত প্রথম বন্ধুঃ জানিস, আমাদের বাসার সবাই বাথরুমে গান গায়! দ্বিতীয় বন্ধুঃ স-বা-ই ? প্রথম বন্ধুঃ সবাই, চাকর-বাকর পর্যন্ত। দ্বিতীয় বন্ধুঃ তোরা তাহলে সবাই খুব গানের ভক্ত! প্রথম বন্ধুঃ দূর, তা নয়, আসলে আমাদের বাথরুমের ছিটকিনিটা নষ্ট তো, তাই। (৯) লেখাপড়া গৃহশিক্ষকঃআমার সঙ্গে সঙ্গে বল, লেখাপড়া করে যে গাড়ি-ঘোড়া চড়ে সে। ছাত্রঃ স্যার, এই কথাটা ঠিক না। শিক্ষকঃ কেনো? ছাত্রঃ কারন, আপনি তো অনেক লেখাপড়া করেছেন! তাহলে আপনি রোজ পায়ে হেঁটে আমাকে পড়াতে আসেন কেন? (১০) ডাক্তার ও রোগী ডাক্তার রোগীকে ব্যবস্থাপত্র দিয়ে বললেন- ডাক্তারঃ আপনার খাবার সবসময় ঢাকা রাখবেন। রোগীঃ ঢাকা তো অনেক দূর। কুমিল্লায় রাখলে চলবে না?
হয়ে কিছু খুঁজছিল নিজের রুমে।
অকেক্ষণ বিষয়টি খেয়াল
করার পর বস তাকে ডাকলেন-
বস : কী খুঁজছো অমন করে?
মন্টুর বাপ : পানিফলের হালুয়া এনেছিলাম
স্যার, স্মরণশক্তি বাড়ানোয় খুব
কাজে দেয়।
বস : তো?
মন্টুর বাপ : কিন্তু এখন তো মনেই
করতে পারছি না
কোথায় রেখেছিলাম!
(২) শফিক : দোস্ত, জীবনে শান্তি জিনিসটা
আসলে কী, বলতো?
রফিক : বলতে পারছি না রে, দোস্ত।
শফিক : কেন!
রফিক : অল্প বয়সেই বিয়ে করে
ফেলেছিলাম তো...
(৩) স্বপ্না : দরোজার ওপাশে কে?
রিতা : আমি।
স্বপ্না : আমি কে?
রিতা : আরে বুদ্ধু, তুই স্বপ্না,
নিজেকেও চিনতে পারছিস না!
(৪) জেলখানায় পুরনো আর নয়া
দুই কয়েদিতে দোস্তি হয়ে গেল।
দুজনে গল্প করছে...
পুরনো কয়েদি : তোমার মতো ভাল মানুষ
ধরা খাইলা কেমনে?
নয়া কয়েদি : ব্যাংক লুটতে গেছিলাম।
তো টাকার বস্তা নিয়ে ওখানেই
গুণতে বসে যাই...
পুরনো কয়েদি : কী আশ্চর্য! এ কাজ করতে
গেলে গেলে কেন!
নয়া কয়েদি : কী করবো!
সামনেই দেখলাম লেখা:
কাউন্টার ত্যাগ করার আগে
টাকা গুণে নিন। পরে ব্যাংক
কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা
চলবে না...
(৫) শিক্ষক : বিদ্যুৎ বিভাগের মালিক কে,
বল দেখি মন্টু?
মন্টু : আমার মামা,
ম্যাডাম।
শিক্ষক : বলে কি ছেলে!
তোমার মামা মালিক হতে যাবে কেন?
মন্টু : কারণ, বিদ্যুৎ চলে গেলেই
বাবা চিৎকার করে বলে-
শালার কারেন্ট আবার গেল!
(৬) মন্টুর বাপ : কী পাকাচ্ছো এতো
মনোযোগ দিয়ে?
মন্টুর মা : আলুর দম করছি।
কিন্তু আলু তো গলছেই না!
মন্টুর বাপ : কিছুক্ষণ আলুর সঙ্গে
মধুমাখা সুরে গল্প করো...
সেই যে প্রথম দিকে
আমার সঙ্গে যেমন করতে!
মন্টুর মা : তবে রে... (হাতের চামচ
নিয়ে দৌড়ে যায় স্বামীর দিকে।
মন্টুর বাপ দৌড়ে পালায়)