সিগারেট ও কয়েল?

আমরা জানি সিগারেটে নিকোটিন থাকায় তা স্বাস্থ্য এর জন্য ক্ষতিকর। । আমাদের ব্যবহৃত মশার কয়েল ও স্বাস্থের জন্য প্রচুর ক্ষতিকর।এর কারণে ক্যন্সার হতে পারে। তবে ইসলামে ধুমপান হারাম।মশার কয়েল ও কি হারাম???
2875 views

3 Answers

ধুঁয়া খাওয়া হারাম কারণ তা আগুন হতে সৃষ্ট। কিন্তু কয়েল তো খাওয়া হয়না।তাই একে হারাম বলা যায় না। ধুমপান বিষয়ে দেখুনঃগোলজারে সুন্নাত পৃঃ৫ মূল কিতাবে।

2875 views Answered

বিড়ি সিগারেট খাওয়ার ফলে মুখ বা লেবাসে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। তা খাওয়া মাকরুহে তাহরিমী এবং তাঁর দুর্গন্ধ নিয়ে মসজিদে বা জামাআতে আসাও অবৈধ। মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কাঁচা পিঁয়াজ রসুন ও লীক পাতা খায়, সে যেন অবশ্যই আমাদের মসজিদের নিকটবর্তী না হয়। কেননা, ফিরিশতাগণ সেই জিনিসে কষ্ট পান, যাতে আদম সন্তান কষ্ট পায়। ইসলামে যে সকল নীতির মাধ্যমে বিড়ি-সিগারেটকে হারাম করা হয়, তার কিছু নিম্নরুপঃ- (ক) এতে রয়েছে অনর্থক অর্থ অপচয়। আর ইসলামে অপচয় হারাম। (খ) এতে রয়েছে স্বাস্থ্যগত ক্ষতি। আর যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, ইসলামে তা হারাম। (গ) বেশি পরিমাণ পান করলে, তাতে জ্ঞানশূন্যতা আসতে পারে। আর যাতে নেশা, মাদকতা ও জ্ঞানশূন্যতা আসে, ইসলামে তা হারাম। (ঘ) এতে দুর্গন্ধ আছে। এর দুর্গন্ধে অধূমপায়ীরা কষ্ট পায়। সুতরাং তা পবিত্র জিনিস নয়। আর ইসলাম পবিত্র জিনিস খাওয়াকে হালাল এবং অপবিত্র জিনিস খাওয়াকে হারাম ঘোষণা করেছে। তবে মশার কয়েল হারাম নয়। সিগারেট এর দুর্গন্ধে আদম সন্তান কষ্ট পায় কিন্ত মশার কয়েলে পায় না।

2875 views Answered

এই হাদিসটা দ্বারা সিগারেটের হুকুম সম্পর্কে বলা আছে। কেউ কেউ বলেন সিগারেট খাওয়া মাকরুহ কেউ বলেন হারাম। নবী (সা.) হাদিসের মধ্যে এরশাদ করেছেন যে, ‘যে এ দুটি জিনিস খেল, সে আমাদের মসজিদের কাছে আসবে না।’ একটা হলো কাঁচা পেঁয়াজ। আরেকটা হলো যেগুলোর মধ্যে গন্ধ আছে, রসুন জাতীয়, এর মধ্যে গন্ধ আছে। এই গন্ধযুক্ত জিনিস কেউ যদি খায় অথবা পান করে মসজিদে প্রবেশ করে থাকে, । যেহেতু এর মাধ্যমে মসজিদের মুসল্লিরা সবাই কষ্ট পাবে। দুর্গন্ধময় একটা পরিবেশ মসজিদের মধ্যে সে তৈরি করবে। আল্লাহর ঘরের পবিত্রতার যে পরিবেশ আছে, সেটি নষ্ট হবে। তাই অনুরুপভাবে কেউ যদি সিগারেট খেয়ে সরাসরি মসজিদে প্রবেশ করে তবে  তা হারাম।  পক্ষান্তরে মশার কয়েল ধরালে সে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষ যদি মসজিদে যায় তবে তার দ্বারা অন্য কোন মানুষ কষ্ট পাবে না । তাই সিগারেটের মতো মশার কয়েলের হুমুম নয়। তবে যেহেতু মশার কয়েলে ক্ষতিকর উপাদান আছে তাই আমাদের উচিৎ এটা ব্যাবহার না করে এর বিকল্প ব্যাবহার করা। একটু গন্ধ হলেও তা হারাম হবে না কেননা তা খাওয়া বা নেশা করা হচ্ছে না।

2875 views Answered

Related Questions

Next steps