কোনো ছাত্র যদি ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটসাপ ইত্যাদিতে আসক্ত হয়ে যায়, তাহলে এরা এই ভুল পথ ত্যাগ করবে কীভাবে?
2967 views

5 Answers

তাদের কে এগুলোর খারাপ দিক জানাতে হবে এবং বোঝানোর সময় স্নেহের সাথে বোঝাতে হবে।এবং মোবাইল নিয়ে নিতে হবে। তাদের পড়াশুনায় মনোযোগ দিতে হবে।মা , বাবাই পারে তাদের সন্তানকে মানুষের মত মানুষ করতে।

2967 views

তাদের জন্য আলাদা একটি রুটিন তৈরি করতে হবে ।  রুটিন- 

বই                                                   ইন্টারনেট 

সকালে ৪-৩ ঘন্টা ও বিকালে  ২-৩ ঘন্টা বই 
ও ৫ টার দিকে খেলা ধুলা করা।
         ৩০ মি. থেকে ১ ঘন্টা              মোবাইল দেখা।


2967 views

  ইন্টারনেট ব্যবহার কমাতে হবে।অথবা স্মার্ট ফোন ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

2967 views

প্রথমত SSC পাশ করা ছাড়া একজন ছাত্রের কখনো মোবাইল নেওয়া উচিত না।আর যদি সে বাড়ি থেকে দুরে কোথাও থাকে তবে তো ফোন নিতেই হয়।কিন্তু ফোন নিলেও এসবের প্রতি আসক্ত হওয়া উচিত নয়।আর যদি আসক্ত হয়েই যায় তবে তাকে পড়াশোনায় ব্যাস্ত থাকতে হবে,রুটিনের বেশি ফোন চালানো যাবে না।এরপরও যদি না হয় তবে ফোন রুট করে ফেসবুক ডিলিট করে দিতে পারে।

2967 views
স্মার্ট ফোনের আসক্তি থেকে বাঁচার ৫টি উপায় বর্ণনা করা হলো-

১. অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন:  অপ্রয়োজনীয় সব নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন, বিশেষ প্রয়োজন থাকলে ব্যতিক্রমের তালিকা আপডেট করে কেবল তাদের নোটিফিকেশনই চালু রাখুন।  ফেসবুকের নোটিফিকেশন বন্ধ করতে চাইলে এর নিজস্ব সেটিংসে যেতে হবে।

২. নিয়মিত ডিটক্স করুন:  আপনি যখন বাথরুমে যাচ্ছেন বা খাবার খাচ্ছেন সে সময়ে স্মার্টফোনটি আপনার কাছ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন। এমনকি প্রতি শনিবার এটি বন্ধ রাখার চেষ্টাও করতে পারেন। ফোনের সংস্পর্শে না থাকাটা আপনার মস্তিষ্ককে রিসেট করতে সাহায্য করবে।
৩. সময় নির্ধারণ করুন:  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো আমাদের প্রতিদিনের অনেকটুকু সময় কেড়ে নেয়। এক্ষেত্রে ফেসবুক বা ই-মেইলে বা যেকোনও মাধ্যমের তাৎক্ষণিক বার্তা পড়ার জন্য দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখুন। ওই নির্ধারিত সময়ের বাইরে আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনও চেকইন এবং স্ক্রলিং করবেন না। পাশাপাশি আপনার ফোনের ফেসবুক অ্যাপটি মুছে ফেলার চেষ্টা করুন। শুধু একটি কম্পিউটার থেকে ফেসবুক ব্যবহার করুন।
৪. অটোপ্লে বন্ধ রাখুন:  ইউটিউব ও নেটফ্লিক্স-এর মতো যা যা আছে সেগুলো প্রায়ই একটি ভিডিও দেখার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী ভিডিওটি বা সমগোত্রের ভিডিও শো করে। এসব কাজে ব্যাঘাত ঘটায়। আপনার স্মার্টফোনে এসব সাইটের অটোপ্লে অপশন বন্ধ রাখুন।
৫. অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করুন: হিউম্যান টেকনোলজি সেন্টার নামের একটি সংস্থার তথ্যানুযায়ী বিছানাতে কখনোই স্মার্টফোন রাখা উচিত নয়। স্মার্টফোন নিরবচ্ছিন্ন ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। ফোন থেকে যে নীল আলো বের হয় তা আমাদের শরীরের মেলাটোনিন অবমুক্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আর এই মেলাটোনিন রাতে ঘুমাতে সাহায্য করে।  সুতরাং, রাতে ঘুমানোর সময় আপনার ফোনটি বিছানা থেকে একটু বেশিই দূরে রাখুন এবং অ্যালার্ম দেওয়ার প্রয়োজন হলে আলাদা অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করুন।
2967 views

Related Questions