3 Answers

আগুন হচ্ছে দহন বিক্রিয়ার ফল। যেদিকে অক্সিজেনের পরিমান বেশি পাবে সেদিকেই আগুনের শিখা যাবে, আবার দহন বিক্রিয়ার সময় কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরি হয়, এটি সাধারন বাতাস থেকে একটু ভারি হলেও, উৎপন্নের স্থানে অতি গরম থাকায় খুবই প্রসারিত ও হালকা থাকে তাই সাধারন বাতাস থেকে হালকা হয়। এই হালকা গ্যাস উপরে উঠে যায়(পানির ভেতর থেকে হালকা জিনিস যেমন খাড়া উপরে উঠে যায় তেমন)। এবং বিক্রিয়া এতই তীব্র ঘটে পুর্ন ক্রিয়া শেষ হবার আগেই কার্বন কনা সহ উপরে উঠতে শুরু করে, ফলে কিছুটা পথ বিক্রিয়া চলে বলে আগুনের শিখা লম্বা দেখা যায়। একারনে আগুন উর্ধমুখী।

2669 views Answered

 যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় আগুন জ্বলে তাকে বলে দহন /  পোড়ানো । যখন যথেষ্ট তাপ থাকে তখনই অক্সিজেন আর জ্বালানীর বিক্রিয়ায় তৈরি হয় কার্বন ডাই অক্সাইড সহ অন্যান্য নানা গ্যাস। সাথে সাথে জ্বালানীর ভেতরের সঞ্চিত শক্তি বের হয়ে আসে আলো আর তাপ হয়ে। আর আমরা দেখি আগুন। এই তাপে কার্বন ডাই অক্সাইড আর অন্যান্য যেসব গ্যাস তৈরি হয় তারা উত্তপ্ত হয়।গরম হলে আয়তন বাড়ে। তখন ঘনত্ব কমে যায় বা গ্যাস হালকা হয়ে যায়। উঠতে থাকে উপরে। এই উত্তপ্ত গ্যাসের সাথেই উপরে উঠে যায় বেশিরভাগ তাপ। আর তাই উপরে জ্বলে আগুন, উপরে উঠে অগ্নিশিখা।

image


2669 views Answered

সব ধরনের জ্বালানিতেই থাকে কার্বন ও হাইড্রোজেন। সেটা হোক কাঠ, দিয়াশলাই কিংবা মোমের আগুন। এসব জ্বালানি জ্বলার সময় কার্বন বায়ুর অক্সিজেনের সঙ্গে মিলিত হয়ে কার্বন-ডাই অক্সাইড গ্যাস তৈরি করে। হাইড্রোজেনও অক্সিজেনের সঙ্গে মিশে তৈরি করে পানি। সঙ্গে তৈরি হয় অন্য আরও কিছু গ্যাস। প্রজ্জ্বলন প্রক্রিয়ায় এসব পদার্থ তাপ ও আলো উৎপন্ন করে। জ্বলন্ত এসব গ্যাসের সমন্বয়েই তৈরি হয় আলোক শিখা। পোড়া বা জ্বলার সময় যে গ্যাস তৈরি হয় তা স্বাভাবিক বায়ুর চেয়ে হালকা। ফলে আগুনের শিখা উপরের দিকে উঠে যায়।

2669 views Answered

Related Questions

Next steps