3 Answers

মোরগ-মুরগির রোগ......................... 1.রানীক্ষেত ইহা মোরগ-মুরগির ভাইরাস জনিত একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। সকল বয়সের মোরগ-মুরগি এ রোগে আক্রান্ত হয়। লক্ষণঃ হলুদাভ রংয়ের বা চুনা পানির মত সাদা পাতলা পায়খানা হয়। হাঁচি-কাশি থাকে, মুরগি ঝিমার ও মুখ হা-করে শ্বাস-প্রশ্বাস ত্যাগ করে। ঘাড়, পাখা ও পায়ের অবসতা দেখা দেয়। তীব্র প্রকৃতির ক্ষেত্রে হঠাৎ মৃত্যু ঘটে। 2.গামবোরো গামবোরো ভাইরাস জনিত একটি মারাত্মক রোগ যা মোরগ-মুরগির শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। সাধারনতঃ ২ হতে ৮ সপ্তাহ বয়সের বাচ্চা এ রোগে বেশী আক্রান্ত হয়। লক্ষণঃ আক্রান্ত মোরগ-মুরগি সাদা পাতলা পায়খানা করে। মলদ্বার ভিজা ও মলযুক্ত থাকে। মলদ্বারের সন্নিকটে অবস্থিত বারসা নামক গ্রস্থি ফুলে যায়। মোরগ-মুরগি তার নিজ মলদ্বার ঠুকরায়। পায়ের গিরা ফুলে যায় এবং খুঁড়িয়ে হাঁটে। কাঁপুনি হয় এবং অতি ক্লান্তিতে মাটিতে শুয়ে পড়ে। শরীরে পানি স্বল্পতা দেখা দেয় এবং পিপাসা বৃদ্ধি পায়। মৃত্যুহার ৪০-৬০% হতে পারে। 3.মোরগ মুরগির বসন্ত ইহা সকল বয়সের মোরগ মুরগির ভাইরাস জনিত একটি সংক্রামক রোগ। লক্ষণঃ এ রোগে আক্রান্ত মোরগ মুরগির ঝুটি, কানের লতি, চোখ, ঠোঁট ও মুখের ভিতর গুটি বা ফোসকা দেখা যায়। সাধারণতঃ শরীরের পালকহীন স্থানেই এসকল গুটি বেশী হয়। বয়স্ক মুরগির চেয়ে বাচ্চা বেশী আক্রান্ত হয় এবং এ রোগে মুরগির বাচ্চার মৃত্যুর হার বেশী। মুরগির ডিম উৎপাদন হ্রাস পায়। 4.ম্যারেকস্‌ এ রোগের কারণ এক প্রকার ভাইরাস। এ রোগটিকে অনেক সময় ফাউল প্যারালাইসিস বলা হয়। সাধারণতঃ বিদেশী জাতের মুরগি এ রোগে বেশী আক্রান্ত হয়। লক্ষণঃ এ রোগে বিভিন্ন অঙ্গের স্নায়ুতন্ত্র অক্রান্ত হয়ে পক্ষাঘাতের সৃষ্টি করে। পায়ের স্নায়ুতে পক্ষাঘাত হলে খুঁড়িয়ে হাঁটে। ডানার পক্ষঘাতে ডানা ঝুলে পড়ে। মাংশপেশী আক্রান্ত হলে মাথা নিচ দিকে ঝুলে পড়েতে দেখা যায়। রোগ দীঘস্থায়ী হলে মুরগির দৈহিক ওজন হ্রাস পায় ও ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়। অনেক সময় ডাইরিয়াও দেখা যায়। 5.ইনফেকসাস ল্যারিংগোট্র্যাকিয়াইটিস এই রোগের জীবাণু এক প্রকার ভাইরাস। ইহা একটি সংক্রামক ও মারাত্মক ছোঁয়াচে প্রকৃতির রোগ। সাধারণতঃ শ্বাসযন্ত্রই এ রোগে আক্রান্ত হয়। লক্ষণঃ মুরগির শ্বাসযন্ত্রে ঘড় ঘড়, সাঁ সাঁ শব্দ ও কাশি এ রোগের প্রধান লক্ষণ। ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস, কফ ও হাঁচি হয় এবং শ্বাস প্রশ্বাসে কষ্ট হয়। শ্বাস গ্রহণকালে মুরগির হাঁপানো ভাব হয় এবং বড় হা করে মাথা ও ঘাড় উপরের দিকে উঠাতে থাকে। অপরদিকে শ্বাস ত্যাগকালে মুখ বন্ধ করে নীচের দিকে নামিয়ে দেয়। চোখ ভেজা থাকে। নাক দিয়ে রক্ত মিশ্রিত শ্লেষ্মা বের হয়। মাথার ঝুটি ও কানের লতি বেগুনী রংয়ের হয়। বেশী মারাত্মক হলে রোগ দেখা দেয়ার দু-একদিনের মধ্যেই শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মুরগি মারা যায়।

2907 views

প্রতি বৎসর বিভিন্ন রোগে বহু মোরগ-মুরগি মারা যায়। এ সকল রোগের মধ্যে প্রধান হচ্ছে রানীক্ষেত, মুরগির বসন্ত, মুরগির কলেরা, গামবোরো, ইনফেকসাস ব্রংকাইটিস, রক্ত আমাশয় বা ককসিডিওসিস ইত্যাদি।

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন৷

2907 views

মোরগ-মুরগির রোগসমূহ:
১.
ডাক প্লেগ

২. ডাক ভাইরাস হেপাটাইটিস

৩. হাঁস-মুরগির কলেরাএটি ব্যাকটেরিয়াজনিক অতি সংক্রামক একটি রোগ।
৪.
ফাউল টাইফয়েড
৫.
পুলোরাম

৬.রক্ত আমাশায়

৭.মাইকোপ্লাজমোসিস (সি.আর.ডি)। ইত্যাদি।


2907 views

Related Questions