8 Answers
তিন ধরণের কান্না বা চোখের পানি রয়েছে।
মানুষ যখন কষ্ট পায় তখন তা প্রতিবর্তী ক্রিয়ার মাধ্যমে চোখের জল উৎপন্ন করে।যার জন্য আমরা কাঁদি।এছাড়া,মানসিক আবেগে ও অতিরিক্ত আনন্দেও মানুষ কাঁদতে পারে।
মানুষ তো কাঠের তৈরি নয় যে যার মস্তিষ্ক নেই। মনোবিজ্ঞান বলে- প্রথমে তার কান/চোখ বা অন্যকোন উপায়ে যখন কষ্টের বা দূঃখের তথ্য মস্তিস্কে পৌঁছায় তখন মস্তিষ্ক তথ্য অনুযায়ী তার কাজ করে।
চোখের জলে আবেগের প্রকাশ কে কান্না বলে।মানুষের কাঁদার প্রধান কারণটা মানসিক।তাই মানুষের যখন খুব মন খারাপ থাকে তখন সে কাঁদে।কাঁদার ফলে মন খারাপও কিছুটা কমে যায়।যখন আমরা কাঁদি, তখন আমাদের আশেপাশে যারা থাকবে, সবাই-ই বুঝবে কোনো কারণে আমাদের মন ভালো নেই। হয় মন খারাপ, অথবা ভীষণ হতাশ, কিংবা চরম পরিমাণে দ্বিধান্বিত। আর যদি পাশের মানুষটিকে মনের কষ্টা বা অনুভুতিটি শেয়ার করা যায়, এটাও মনকে অনেকখানি হালকা করে দিবে।এছাড়াও আমরা অন্যের দুঃখে ব্যথিত হয়ে কেঁদে ফেলি।আর একটি বিষয় হল,শারীরিক ব্যাথা- যার কারণে আমরা কাঁদি। এটাও সেই মানসিক বা ইমোশন থেকেই তৈরি হয়।
একটি মানুষ বিভিন্ন কারণে কাঁদে। যখন তার প্রেমিকা/প্রেমিক তাকে ঠকিয়ে তার সাথে প্রতারণা করে তাকে ছেড়ে চলে যায়। তখন একটি মানুষ কাঁদে।